ঘটনাটি রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত 

  মহিউদ্দিন খান মোহন

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২১, ১২:৪৬ |  আপডেট  : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩:১৬

অবশেষে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের অবসান হয়েছে। ২২ আগস্ট রাতে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসায় দুই পক্ষের সমঝোতা বৈঠকের পর পাঁচদিনের অস্বস্তিকর পরিবেশেরও যবনিকাপাত ঘটেছে। ঘটনাটির আপাত অবসান হওয়ায় সরকার একটি চরম বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হয়েছে। তবে, ওই ঘটনা যে আমাদের রাজনীতি ও জনপ্রশাসনে একটি বড় ধরনের ঘা সৃষ্টি করে গেল, তার সম্পূর্ণ নিরাময় হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যারা ঘটনার শুরু থেকেই খোঁজখবর রেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই খেয়াল করে থাকবেন যে, স্থানীয় ইউএনওর আগ বাড়িয়ে ক্ষমতার দম্ভ দেখানোর ফলেই পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছিল। সেখানে কী ঘটেছিল তা এখন কারো অজানা নেই। তাই ঘটনার আদ্যোপান্ত বর্ণনা নিষ্প্রয়োজন। তবে এটুকু বলা অবশ্যই দরকার যে, সিটি কর্পোরেশনের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ কাজে ইউএনওর বাধা দেওয়া তার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। বরিশাল সিটি করেপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সাথে  প্রতিমন্ত্রী .কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীম (অব.)’র যে  রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার নয়। একই এলাকায় দুইজন ক্ষমতাধর  নেতা থাকবেন, আর তাদের মধ্যে রেষারেষি, দ্বন্দ্ব-বিদ্বেষ থাকবে না, সেটাই বরং অবিশ্বাস্য ব্যাপার। সুতরাং মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর বিরোধের বিষয়টিকে আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়নি। আর সে বৈরী সম্পর্কের জের ধরে মেয়র কর্তৃক প্রতিমন্ত্রীর ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের ঘটনাও অবাক হওয়ার মতো নয়। সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র। নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য তিনি যে কোনো উদ্যোগ-অভিযান চালাতেই পারেন। সেখানে ইউএনও কেন বাধা দিতে যাবেন? এটাতো তার কাজের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়েনা। তাছাড়া বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের কার্যালয় ও ইউএনওর বাসা বরিশাল মহানগরীর মধ্যেই। সুতরাং করপোরেশনের কর্মীদের সেখানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর অধিকার রয়েছে; বিশেষত তারা যদি মেয়র কর্তৃক নিদের্শিত হয়ে থাকেন ।

ঘটনার সূত্রপাত ১৮ আগস্ট রাত ১০টার দিকে। সিটি করপোরেশনের একদল কর্মী পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের পক্ষ থেকে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন স্থানে টাঙানা ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঢুকে ব্যানার নামাতে থাকে। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত আনসাররা তাদেরকে বাধা দয়। ফলে তাদের সাথে আনসার সদস্যদের বাদানুবাদ চলতে থকে। এক পর্যায়ে ইউএনও মুনিবুর রহমান বেরিয়ে এলে তার সাথেও কর্মীদের বচসা হয়। অবস্থা চরম আকার ধারণ করলে ইউএনও আনাসরদের ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তারা আওয়ামী লীগ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর গুলি চালায়। ইউএনও মুনিবুর রহমানের ভাষ্যও এ রকমই। অন্যদিকে ঘটনার পর বরিশাল মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন শাখার কর্মীরা রাতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়েছিল। এ সময় ইউএনও বেরিয়ে এসে দম্ভোক্তি দেখিয়ে তদের বাধা দেন। খবর পেয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু ঘটানাস্থলে যান। সেখানে ইউএনও তার সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে আনসার সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে ইউএনও নিজেই গুলি চালান। হাসান মাহমুদকে টেনে হিঁচড়ে বাসায় নিয়ে ইউএনও আটকে রাখেন। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ঘটনাস্থলে গিযে নিজের পরিচয় দেওয়ার পরেও আনসাররা গুলি করতে থাকে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, ৬০ জনের বেশি নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছে, লাঠিচার্জে আহত হয়েছে অর্ধশাতাধিক। এই ঘটনার পরদিন ইউএনও নিজে এবং পুলিশের একজন এস আই বাদী হয়ে মেয়রকে প্রধান আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে থানায়। পুলিশ একজন কাউন্সিলরসহ ২২ জনকে গ্রেফতারও করে। মেয়রের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতাদের। পরে তারা আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করেন। 

এ ঘটনায় সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে পরদিন। সরকারি চাকুরেদের সংগঠন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দেয়। সংগঠনটির সভাপতি সরকারের কর্মরত সচিব কবির বিন আনোয়ার তার বিবৃতিতে ঘটনার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর গ্রেফতার দাবি করেন। এ ঘটনা সচেতন মহলে  বিস্ময়ের সৃষ্টি করে। কেননা, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন কোনো সিবিএ নয়। এটা অফিসারদের কল্যাণমূলক একটি সংগঠন। কোনো অফিসার সমস্যায় পড়লে তারা তার সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু ঘটনার সাথে যখন রাজনৈতিক বিষয় জড়িত থাকে তখন তাদের সেখানে কথা বলা বা পক্ষ নেওয়া বঞ্ছনীয় নয়। যদি কথা বলা একান্তই প্রয়োজন হয়, তাহলে সীমারেখা সম্পর্কে অবশ্যই সচেতন থাকা উচিত। আলোচ্য ক্ষেত্রে সচিব কবির বিন আনোয়ার যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা সরকারি চাকরি প্রবিধানমালায় বর্ণিত আচরণবিধির পরিপন্থি। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলে বলা আছে- ‘কোনো সরকারি কর্মকর্তা জনসমক্ষে কোনো রাজনৈতিক অথবা সরকারি কোনো অঙ্গ প্রশাসনিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করে এমন বক্তৃতা-বিবৃতি দিতে পারবেন না’। অথচ সচিব কবির বিন আনোয়ার যে বিবৃতি দিয়েছেন, তার ভাষা রাজনৈতিক এবং এখতিয়ার বহির্ভভূতও বটে। এ সম্পর্কে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. ফিরোজ মিয়া একটি পত্রিকাকে বলেছেন, ‘প্রশাসন ক্যাডারের যে ঐতিহ্য সেটা ধরে রাখতে পারেনি। এই ঘটনার মাধ্যমে অপরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছে। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন কোনো ট্রেড ইউনিয়ন নয় যে, এভাবে বিবৃতি দেবে’।(সমকাল, ২২ আগস্ট ২০২১)। একই পত্রিকার সাথে আলাপকালে সাবেক সচিব ফাওজুল কবির খান বলেছেন, প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন যে ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে, সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকাশ্যে এমন বিবৃতি দেওয়া মোটেই উচিত হয়নি। প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা তো কোনো দলের নন, কারও বিপক্ষে নন। অন্যাদিকে একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, এ বিবৃতির মাধ্যমে সংগঠনকে পুরোপুরি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষ বানানো হয়েছে। অথচ সরকারি কর্মকর্তারা কোনো রাজনীতি করেন না। কী ঘটেছে সেটা আগে ভালোভাবে জানা উচিত ছিল। সরকারি একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে একজন নির্বাচিত মেয়রকে গ্রেফতারের দাবি করতে পারেন না।

বরিশালের ঘটনার পেছনে যে রাজনৈতিক বিষয় জড়িত তা এখন পরিস্কার। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর সাথে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের দ্বন্দ্বের বিষযটি সেখানে সবার জানা। এমন কি বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায়েরও গোচরে আছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীতে আওযামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা প্রচুর পোস্টার-ব্যানার-বিলবোর্ড স্থাপন করেছিল। এখনও সেগুলো দৃশ্যমান ও অক্ষত আছে। রাজনৈতিক ঈর্ষাপরায়নতার কারণেই যে মেয়র প্রতিমন্ত্রীর ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন তাও এখন আর অস্পষ্ট নেই। বিষয়টি যেহেতু রাজনৈতিক তাই এর সমাধানও হতে হবে রাজনৈতিকভাবে। সেখানে ইউএনওর এখতিয়ার বহির্ভূত নাক গলানোর কারণে পরিস্থিতি চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ওই ইউএনও নিজেকে কতটা ক্ষমতাধর মনে করতে শুরু করেছিলেন তার প্রমাণ সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে তার মামলা দায়ের এবং পুলিশ দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার। সেখানে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার অবস্থান করা সত্ত্বেও তিনি তাদের কাছে অভিযোগ করেন নি বা পরামর্শ নেন নি। ইউএনওর এই ঔদ্ধত্বই প্রমাণ করে তার মধ্য একটা ড্যামকেয়ার ভাব এসে গিয়েছিল। যে কারণে ক্ষমতাসীন দলের মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা করতে আগপাছ ভাবেন নি। ইউএনওর কর্মকান্ড এবং সচিব কবির বিন আনোয়ারের বিবৃতি প্রশাসন ক্যাডারকে সরকারের মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মকর্তারা নিজেদেরকে এমন শক্তিধর মনে করতে শুরু করলেন কেন? এর আগে আমরা ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় একজন জাতীয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ওসি-ইউএনও-ডিসির একাট্টা হয়ে কোমর বেঁধে যুদ্ধে নামার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি। সেখানেও রাজনৈতিক কোন্দলের পরিপ্রেক্ষিতে সংঘটিত ঘটনায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা পক্ষ নিয়েছিল। এটাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, দেশের যেখানেই ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব রয়েছে, সেখানেই প্রশাসনের লোকজন একটি পক্ষকে সাপোর্ট করে পরিস্থিতি জটিল করে দিচ্ছে। সচেতন মহল এ প্রবণতাকে রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত মনে করছেন। 

রাজনীতি অভিজ্ঞরা মনে করেন, দেশে যখন রাজনৈতিক শূন্যতা দেখা দেয়, তখনই প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা শক্তিধর হয়ে ওঠার সুযোগ পায়। অবশ্য এটা বলা যাবে না দেশে এখন রাজনীতি নেই। আছে, তবে তা কতটুকু কার্যকর রাজনীতি তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেকের শুনতে খারাপ লাগলেও এটা না বলেও উপায় নেই যে, দেশে এখন একতরফা রাজনীতি চলছে। বিরোধী দলগুলো প্রকাশ্যে রাজনীতি করার স্পেস না পাওয়ায় একটি গুমোট পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেদেরকে রাজনীতির মাঠে এক্সট্রা খেলোয়াড় হিসেবে মনে করে নানা রকম ঝামেলার সৃষ্টি করে চলেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের লোকজন আজকাল রাজনৈতিক নেতাদের তেমন একটা পাত্তা দেন না। এমন কি ক্ষমতাসীন দলের নেতা-এমপিদেরকেও না। কেন তাদের এমন আচরণ? এ বিষয়ে রাজনৈতিক সচেতন মহল বলছেন, যখন সরকারি প্রশাসনের লোকজনকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, তখনই কর্মকর্তারা নিজেদেরকে সব রকম জবাবদিহির ঊর্ধ্বে ভাবতে শুরু করেন। সাম্প্রতিককালে রাজনৈতিক কাজে পুলিশ ও প্রশাসনের যথেচ্ছ ব্যবহারের কথা নিশ্চয়ই বলে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। আরেকটি বিষয় হলো, আমলাদের মধ্যে যে ঐক্য আছে, রাজনীতিকদের মধ্যে তা নেই। রাজনীতিকরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতে ব্যাপৃত থাকার ফলে আমলারা নিজেদেরকে কেউকেটা মনে করার সুযোগ পায়, কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করে। কেউ কেউ নিজেকে সবকিছুর ধরাছোঁয়ার বাইরে ভাবতে শুরু করেন। ডিসি মনে করেন তিনি জেলার জমিদার, ইউএনও মনে করেন তিনি উপজেলার তালুকদার। আর ওসির ভাব তিনি জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর সর্দার। আমার এলাকার একজন সমাজকর্মী সেদিন বললেন, এক মহিলা এমপিকে নিয়ে তারা মুন্সিগঞ্জ ডিসি অফিসে গিয়েছিলেন সম্প্রতি। ডিসি সাহেব এমপি মহোদয়ার পরিচয় পাবার পরেও চেয়ার ছেড়ে উঠে না দাঁড়িয়ে জানতে চান তার কাছে কী দরকার। এমন অবস্থায় এমপি মহোদয়ার সঙ্গীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। দ্রুত কাজের কথা বলে তারা ডিসির কক্ষ ত্যাগ করেন। যেখানে রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের পদমর্যাদা সচিবেরও ওপরে, সেখানে একজন জেলা প্রশাসকের এমন আচরণে বিস্মিত না হয়ে উপায় কী! 

বরিশালের ঘটনার আপাত সমাধান হলেও তাতে স্বস্তির কিছু আছে বলে মনে করেন না বিজ্ঞজনেরা। তাদের মতে, ঘটনাটি রাজনীতির জন্য অশনি সংকেতও বটে। আমলাদের লাগাম টেনে ধরা না হলে এর প্রতিক্রিয়া সুদূরপ্রসারি  হতে পারে; যা ভবিষ্যতে রাজনীতিকে সংকটময় করে তুলতে পারে। 

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত