ওলটপালট করে দে মা লুটেপুটে খাই

  মহিউদ্দিন খান মোহন

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৭ |  আপডেট  : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩:১১

শিরোনামে ব্যবহৃত বাক্যটি বহু পুরনো প্রচলিত একটি প্রবচন। মূলত কোথাও যখন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, আর সে সুযোগে কতিপয় অর্থলোভী যা খুশি কায়কারবার করে পাটকাঠি থেকে কলাগাছের মতো ফুলেফেঁপে ওঠে, সে ক্ষেত্রে এ প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে অরাজক কোনো পরিস্থিতি বিরাজ করছে না। সরকার আছে, প্রশাসন আছে, আছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। কিন্তু তা সত্ত্বেও সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিনিয়ত এমন কিছু ঘটনা ঘটে চলেছে, যাতে এটা মনে হওয়া স্বাভাবিক যে, সবকিছু স্বাভাবিক নেই। কোথায় যেন গলদ রয়েছে। এসব নিয়ে যারা ভাবেন, তারা মনে করেন, সুস্থ-স্বাভাবিক সমাজে এমনতর ঘটনা কল্পনারও অতীত। অথচ আমাদের দেশে তাই ঘটে চলেছে একের পর এক। সমাজ ও রাষ্ট্রের একটি শ্রেণী অর্থ-বিত্ত কামাইয়ের জন্য যেন উন্মত্ত সারমেয় হয়ে উঠেছে। নীতি-নৈতিকতা, মূল্যবোধকে দু’পায়ে দলে তারা সংঘটিত করে চলেছে নানা অপরাধমূলক ঘটনা। রাষ্ট্রকে যারা সুরক্ষা দেওয়ার কথা তারাই পরিণত হচ্ছে শত্রুতে। এক শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং জনপ্রতিনিধি দুর্নীতির এঁদো ডোবায় অবগাহন করে চলেছে। তাদের পাশাপাশি সরকারি প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিবাজ আমলা-কর্মচারিও প্রতিযোগিতায় নেমেছে দুর্নীতিতে কে কাকে হারাবে। যারা অনিয়ম-দুর্নীতির হোতা, তাদের গলা বড়ই চড়া। তাদের হাতও অনেক লম্বা। ম্যানেজিং পাওয়ারও অসাধারণ। সহজেই সবকিছু ম্যানেজ করে স্ব-স্থানে থাকেন বহাল তবিয়তে। তাদের হাতে রয়েছে রূপকথার জাদুকাঠি। সে কাঠির ছোঁযায় বশ করে রাখেন ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিদের। 

ইতোপূর্বে আমরা স্বাস্থ্যের আবজল-রুবিনা দম্পতি, মালেক ড্রাইভার, রিজেন্ট সাহেদ, শামীমা নূর পাপিয়া, সাবরিনাসহ অনেকের অপকর্মের কাহিনী শুনেছি। তারা পাকড়াও হয়েছে। একজন কেরাণী কিংবা ড্রাইভার যখন শত শত কোটি টাকার মালিক হয়, তখন সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন জাগে- এদের বস্রা কত টাকার মালিক? এরা কি একা একাই দুর্নীতি করে এত সম্পদের মালিক হয়েছে? মনে হয় না। উপরের কারো স্নেহার্দ্র হাত মাথার ওপর না থাকলে নিম্ন পর্যায়ের এসব কর্মচারির এই বিপুল সম্পদ অর্জন কখনোই সম্ভব হতে পারে না। সমাজের সচেতন ব্যক্তিরা বারবার দাবি তুলেছেন এদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয়দানকারী রুই-কাতলাদের সামনে আনার। কিন্তু তা হয়নি। যে ধরার পড়েছে, সে জেলে গেছে। কিন্তু তাদের পৃষ্ঠপোষকরা রয়ে গেছেন পর্দার আড়ালে। এক-এগারোর সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এম এম মতিনের একটি উক্তি খুব চাউড় হয়েছিল। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান সম্বন্ধে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন-‘আমরা চুনোপুঁটি নিয়ে ব্যবসা করতে আসি নি। রুই-কাতলা নিয়ে ব্যবসা করতে এসেছি’। তারা রুই-কাতলাদের গায়ে হাত দিয়েছিলেন সত্য। তবে তা শুধু রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বরং ওইসব অভিযান ও সেগুলোর যে বর্ণনা তারা দিতেন, তাতে এটা অনুমিত হতো যে, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকদের চরিত্র হননের জন্যই তারা উঠেপড়ে লেগেছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে তা প্রমাণিতও হয়েছে। সে সময় একজন দুর্নীতিবাজ আমলা বা কর্মচারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এমন নজির নেই। বরং দুর্নীতিবাজ আমলাদের দ্বারা অনেক সম্মানীয় রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মর্জিমাফিক মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হয়েছে। 

এটা দীর্ঘকাল থেকে চলে আসছে যে, যে স্বাভাবিক-অস্বাভাবিক কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের উপর দিয়েই ঝড়টা যায়। সরকারি দপ্তরের আমলা-কর্মচারিরা পরিস্থিতির পরিবর্তনের সাথে সাথে রূপ পাল্টে ফেলেন। অনেকটা গিরগিটির মতো। সরকারের সেবাদাস হয়ে নৈতিক-অনৈতিক সব সুবিধা ভোগ করেও তারা থাকেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। অথচ একটি সরকার ক্ষমতায় থাকতে এরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারির চেয়ে দলীয় কর্মীরূপে নিজেকে প্রমাণে মরিয়া হয়ে ওঠে। যখন সে সরকার বিদয় নেয়, তারাই হয়ে ওঠে বিগত সরকারের সবচেয়ে বড় সমালোচক। যুগ যুগ ধরে এমনটিই চলে আসছে। এজন্যই কেউ কেউ বলেন, মাথার চুলও যেমন আপন নয়, আমলা-কর্মচারিরাও তেমনি রাজনৈতিক দলের আপন নয়। এরা শুধুই নিজেদের। ক্ষমতাসীন দলের আস্থাভাজন হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে এরা লুটে নেয় অনৈতিক ফায়দা।

আমাদের দেশে অর্থ লোপাট নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিগত বছরগুলোতে এমন বেশুমার ঘটনা ঘটেছে। একদল অর্থলোভী শকুনের শ্যেনদৃষ্টি পড়েছিল আমাদের শেয়ার বাজারে। সেখান থেকে হাওয়া হয়ে গেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। তদন্ত একটি হয়েছিল বটে। কিন্তু তার রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি। কারা সেই লুটপাটের হোতা ছিল সে রহস্য অন্ধকারেই থেকে গেল। তবে, এটা অনুমান করা যায় যে, তারা অত্যন্ত শক্তিধর। রিপোর্ট জমা দিলেও কমিটি প্রধান বিশিষ্ট ব্যাংকার মরহুম খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ শেয়ারবাজার লুটেরাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে পারেন নি। শুধু কি শেয়ার বাজার? ব্যাংক থেকে ঋণের নামে নানা রকম জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা হাওয়া হয়ে যাওয়ার খবর আমরা প্রায়ই পাই। কিন্তু যারা এ মহাচুরির হোতা তাদেরকে আইনের আওতায় আনার খবর খুব একটা পাওয়া যায় না। এভাবে জনগণের গচ্ছিত অর্থ লোপাট হয়ে যাওয়া এবং কানো কার্যকর প্রতিকার না হওয়া একটি সুস্থ সমাজের পরিচয় বহন করে না নিশ্চয়। প্রশ্ন উঠেছে, জনগণের অর্থ লোপাটের এই অশুভ প্রবণতা কেন দিন দিন বাড়ছে? অনেকে মনে করেন, এ ধরনের অর্থ লোপাটের কোনো বিচার হয় না, দোষীরা কখনোই শাস্তির মুখোমুখি হয় না, হলেও আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বেরিয়ে আসার সুযোগ পায় বিধায় অসাধুরা অপকর্ম সংঘটনের সাহস পায়। 

জনগণের অর্থ লোপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার সর্বশেষ উদাহরণটি স্থাপন করেছেন সোহেল রানা নামের এক ব্যক্তি। পেশায় বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর। কর্মস্থল ছিল গুলশান-বানানীর মতো অভিজাত এলাকায়। সর্বশেষ ছিলেন বনানী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ছিলেন। সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকা অবস্থায়ই গড়ে তুলেছিলেন ই-অরেঞ্জ নামের একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের নেপথ্য কারিগর এই সোহেল রানার যে সম্পদের তালিকা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা দেখলে চক্ষু চড়কগাছ না হয়ে যায় না। পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের প্রায় এগারো শ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। আর এ অর্থ আত্মসাতের মূল হোতা ইন্সপেক্টর সোহল রানা। অন্যদিকে দেশ-বিদেশে সোহেল রানার ছড়িয়ে থাকা সম্পদের খবরও বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রকাশ করেছে। নামে-বেনামে গড়ে তোলা এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ডের পাতায়ায় হিল্টন হোটেলের পাশে একটি পাঁচ তারকা হোটেল করার জন্য শত কোটি টাকা বিনিয়োগ, দেশে একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে সমপরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ, পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে সুপারশপ, বার ও রেস্টুরেন্ট। এছাড়া রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বহু সংখ্যক প্লট-ফ্ল্যাট-জমি রয়েছে পুলিশের ‘কীর্তিমান’ এই ইন্সপেক্টরের। কেবল অর্থ-সম্পদ নয়, বিয়ের  ক্ষেত্রেও এই পুলিশ কর্মকর্তা রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। পত্রিকার খবর অনুযায়ী অনুসন্ধানে এ পর্যন্ত তার চারটি বিয়ের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রথমা স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই দশ বছর। দ্বিতীয় স্ত্রী একজন অভিনেত্রী, পত্রিকাগুলো তার নাম লেখেনি। তৃতীয় স্ত্রী লন্ডনে, সেখানে পড়তে গিয়েই শাদী মোবারকে আবদ্ধ হয়েছিলেন সোহেল রানা। তার চতুর্থ স্ত্রীর নাম নাজনীন নাহার বীথি। ই-অরেঞ্জের অর্থ আত্মসাতের সাথে এই মহিলা ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত এবং ওই মামলার আসমি হিসেবে সে এখন পলাতকা। আর ছোটবোন সোনিয়া মহজাবিন জুঁইকে সামনে রেখেই ই-প্রতারণার ঘটনা ঘটিয়েছেন ইন্সপেক্টর সোহেল রানা। 

অন্যদিকে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ই-অরেঞ্জ কেলেঙ্কারীর নেপথ্যে রয়েছে অনেক রাঘববোয়াল। এরা সোহেল রানার সহযোগী।  তেমন একজনের নাম আমানউল্লাহ্। অপকর্ম ঢাকতে গত জুনে সোহেল রানা ই-অরেঞ্জ বিক্রি করে দেয় এই আমানউল্লাহ্ ও বীথি আক্তার নামে দু’জনের কাছে। এই আমানউল্লাহর বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক প্রতারণা ও বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ। আর বীথি আক্তারের পরিচয় নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোয়াশা। কেউ কেউ ই-অরেঞ্জর ক্রেতা বীথি আক্তার সোহল রানার স্ত্রী বললেও তদন্তে উঠেছে এসেছে সে সোহেল রানার স্ত্রী নয়। বীথি নামে সোহেলের একজন স্ত্রী থাকলেও এই বীথি আমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এক রহস্যময়ী নারী। পুলিশ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, তারা দুই বীথিকেই খুঁজছে। 

বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ-প্রচার হলে সর্বত্র চা ল্যের সৃষ্টি হয়। ইতোপূর্বে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনোরকম সম্পর্কের কথা সোহেল রানা অস্বীকার করলেও বিষয়টি নিয়ে মামলা হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দেন। এরই মধ্যে ৪ সেপ্টেম্বর তার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী- বিএসএফের হাতে গ্রেফতার হওয়ার খবর আসে। ইন্সপেক্টর সোহেল রানার এই পলায়নের খবরে সর্বত্র বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতর অভিযোগ ওঠার পর তদন্তের শুরুতেই সোহেল রানার বোন-ভগ্নিপতিসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। মূল হোতা সোহেল রানা ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতেও অফিস করেছেন। শুক্র ও শনিবার তিনি অফিসে যান নি। পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি আসাদুজ্জামান একটি পত্রিকাকে বলেছেন, সোহেলসহ কয়েকজনের ব্যাপারে বিমানবন্দরসহ সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা ছিল, যাতে এরা পালাতে না পারে। কিন্তু সে সতর্কতাকে ‘বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো’ প্রমাণ করে সোহেল সীমান্ত পার হয়ে চলে গেছে। এখন সে ভারতে আটক অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে। দায়িত্বশীল একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। সোহেলকে ফেরত দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তর গত ৬ আগস্ট  ভারতকে চিঠি দিয়েছে। তবে অভিজ্ঞজনেরা মনে করেন, সোহেলকে সহসা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। কেননা এখানে আইনি অনেক জটিলতা রয়েছে। 

আমরা অতীতেও দেখেছি দেশে অপরাধ সংঘটিত করে অপরাধীরা রহস্যজনকভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে যায়। আর একবার যে ভারতে যায়, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা যায় না। এর আগে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়ে দেশ থেকে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেছে প্রশান্ত কুমার হালদার- পি কে হালদার। তার টিকিটিও ছুঁতে পারেনি আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। পুলিশের ইন্সপেক্টর সোহেল রানাও তেমনি অধরা থেকে যেতে পারেন বলে অনেকে সন্দেহ করছেন। 

প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। একজন কর্মরত পুলিশ ইন্সপেক্টর তলে তলে এমন অবৈধ কারবারে লিপ্ত থাকল আর কর্তৃপক্ষ কিছু জানতেই পারল না! গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি ঘুমিয়েছিল? নাকি এর পেছনে বড় বড় রাঘববোয়ালের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে? ইজ্জত বাঁচাতে তারাই কি সোহেল রানাকে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন? এসবই সন্দেহ বাতিকগ্রস্তদের কথা। সত্য লুকিয়ে আছে অনেক গভীরে। তবে কর্তৃপক্ষের তদন্ত কার্যক্রম সে গভীরতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে কিনা সেটা আরো বড় প্রশ্ন।

 লেখক: সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক।
 

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত