রয়টার্সের রিপোর্ট- ইরান যুদ্ধের তিন মাস, শেষপর্যন্ত হেরেই যাচ্ছেন ট্রাম্প?
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ১৬:২৪ | আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, ১৭:১৪
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে একের পর এক কৌশলগত সাফল্যের দাবি করলেও তিন মাস পর এসে নতুন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রশ্ন উঠেছে— তিনি কি শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে পিছিয়ে পড়ছেন? হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ, পারমাণবিক কর্মসূচিতে অনড় এবং দেশটির সরকার টিকে থাকায় ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর বাস্তব সাফল্য নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সামরিকভাবে এগিয়ে থেকেও কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিকভাবে কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছে না ওয়াশিংটন।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো ইরানের বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিটি সামরিক লড়াইয়েই এগিয়ে ছিলেন, কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর তিন মাস পর এখন তার সামনে বড় প্রশ্ন— তিনি কি পুরো যুদ্ধেই হেরে যাচ্ছেন? হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ, পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় না দেয়া এবং দেশটির ধর্মভিত্তিক শাসনব্যবস্থা মোটামুটি অক্ষত থাকায় ট্রাম্প সামরিক সাফল্যকে ভূরাজনৈতিক বিজয়ে রূপ দিতে পারছেন কি না, তা নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প বারবার পূর্ণ বিজয়ের দাবি করলেও বাস্তবতা তার দাবিকে দুর্বল করে দিচ্ছে। একদিকে চলছে অনিশ্চিত কূটনৈতিক আলোচনা, অন্যদিকে মাঝেমধ্যে আবার হামলা পুনরায় শুরুর হুমকি দিচ্ছেন ট্রাম্প। তবে নতুন হামলা হলে পুরো অঞ্চলে ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার উপসাগরীয় আরব মিত্ররা শেষ পর্যন্ত আরও খারাপ অবস্থায় পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইরান দেখিয়ে দিয়েছে, বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল ও গ্যাস সরবরাহের রুট তারা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
যদিও সংকট এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, আলোচনা যদি ট্রাম্পের পক্ষে যায়, তাহলে তিনি এখনও সম্মানজনক সমাধানের পথ খুঁজে পেতে পারেন। তবে অন্যরা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিকে ট্রাম্পের জন্য অশুভ বলেই মনে করছেন।
রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট— উভয় প্রশাসনের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য আলোচক অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, ‘তিন মাস পেরিয়ে গেছে, আর এখন মনে হচ্ছে ট্রাম্পের জন্য স্বল্পমেয়াদি সহজ জয় হিসেবে পরিকল্পিত এই যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ব্যর্থতায় পরিণত হচ্ছে।’
ট্রাম্পের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে তিনি নিজেকে ‘পরাজিত’ হিসেবে দেখানো একদমই পছন্দ করেন না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে তিনি বহুবার এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে তিনি এমন এক দেশের মুখোমুখি হয়েছেন যেটি তুলনামূলক দুর্বল হলেও নিজেদেরকেই সুবিধাজনক অবস্থানে মনে করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি ট্রাম্পকে এমন কোনও সমঝোতায় যেতে নিরুৎসাহিত করতে পারে, যেটিকে তার ‘পিছু হটা’ হিসেবে দেখা হতে পারে। বিশেষ করে ২০১৫ সালের ওবামা আমলের পারমাণবিক চুক্তির মতো কোনও সমঝোতায় ফেরার ধারণা থেকেও তিনি দূরে থাকতে চাইবেন, কারণ প্রথম মেয়াদে তিনি নিজেই সেই চুক্তি বাতিল করেছিলেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস অবশ্য দাবি করেছেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব সামরিক লক্ষ্য পূরণ করেছে, বরং কিছু ক্ষেত্রে তা ছাড়িয়েও গেছে। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতেই সব তাস রয়েছে এবং তিনি বিচক্ষণতার সঙ্গে সব বিকল্প খোলা রেখেছেন।’
দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প অপ্রয়োজনীয় সামরিক হস্তক্ষেপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তিনি এমন এক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন, যা তার পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এদিকে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার জনপ্রিয়তাও কমেছে। কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতেও তার রিপাবলিকান পার্টি চাপের মুখে রয়েছে। যুদ্ধবিরতির ছয় সপ্তাহের বেশি সময় পার হওয়ার পর অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ট্রাম্প এখন কঠিন এক সিদ্ধান্তের মুখে।
হয়তো তাকে একটি অসম্পূর্ণ সমঝোতা মেনে নিতে হবে, নয়তো সামরিক অভিযান আরও বাড়িয়ে দীর্ঘ সংকটের ঝুঁকি নিতে হবে। কূটনীতি ব্যর্থ হলে তার হাতে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে সীমিত কিন্তু তীব্র হামলা চালিয়ে সেটিকে ‘চূড়ান্ত বিজয়’ হিসেবে তুলে ধরে এই যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়ার কৌশলও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরেকটি সম্ভাবনা হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প হয়তো কিউবার দিকে মনোযোগ ঘোরানোর চেষ্টা করতে পারেন। আর এটির ইঙ্গিত তিনি ইতোমধ্যেই দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি ইরান ইস্যু থেকে দৃষ্টি সরিয়ে অপেক্ষাকৃত সহজ কোনও সাফল্য দেখাতে চাইতে পারেন। তবে এতে কিউবাকে ভুলভাবে মূল্যায়নের ঝুঁকিও রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে স্বীকার করেছেন, ট্রাম্প ভেবেছিলেন ইরান অভিযান জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের অভিযানের মতোই সহজ হবে।
তবুও ট্রাম্পের সমর্থকের অভাব নেই। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও বর্তমানে আমেরিকান গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিসের প্রধান নির্বাহী আলেকজান্ডার গ্রে মনে করেন, ট্রাম্পের ইরান অভিযান ব্যর্থতার পথে নয়। তার মতে, ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় আঘাত হানাটাই ছিল একটি ‘কৌশলগত সাফল্য’।
এছাড়া এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের আরও কাছে এনেছে এবং চীন থেকে কিছুটা দূরে সরিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে একই সঙ্গে ট্রাম্পের হতাশার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
তিনি সমালোচকদের আক্রমণ করেছেন এবং সংবাদমাধ্যমকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’-এর অভিযোগেও অভিযুক্ত করেছেন। ট্রাম্প শুরুতে বলেছিলেন, যুদ্ধ সর্বোচ্চ ছয় সপ্তাহ চলবে। কিন্তু সংঘাত সেই সময়সীমার দ্বিগুণেরও বেশি সময় দীর্ঘ হয়েছে।
যদিও তার ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ বা ম্যাগা সমর্থকরা এখনও তার পাশে রয়েছেন, তবুও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের মধ্যেও আগের মতো সর্বসম্মত সমর্থনে ফাটল দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় দ্রুতই ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয় এবং বহু শীর্ষ নেতা নিহত হন।
কিন্তু জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যার ফলে জ্বালানির দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। এছাড়া ইসরায়েল ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশেও হামলা চালায় ইরান। এরপর ট্রাম্প ইরানের বন্দর অবরোধের নির্দেশ দিলেও তাতেও তেহরানকে নতি স্বীকার করানো যায়নি।
ইরানের নেতারাও পাল্টা প্রচারণা চালিয়ে ট্রাম্পের অভিযানকে ‘চূর্ণবিচূর্ণ পরাজয়’ হিসেবে তুলে ধরছেন। যদিও পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরানও নিজেদের সামরিক শক্তি নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি করেছে।
পরিবর্তিত লক্ষ্য, অপূর্ণ সাফল্য
যুদ্ধে যাওয়ার সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, তার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধ করা, পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ও মার্কিন স্বার্থের জন্য হুমকি কমানো এবং ইরানের জনগণের জন্য সরকার পরিবর্তনের পথ সহজ করা। কিন্তু এসব পরিবর্তনশীল লক্ষ্য পূরণ হয়েছে এমন কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও নেই।
অনেক বিশ্লেষকই মনে করেন, এসব লক্ষ্য পূরণ হওয়ার সম্ভাবনাও কম।
মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জনাথন পানিকফ বলেন, ইরান বড় ধরনের আঘাত পেলেও দেশটির নেতারা এটিকেই সাফল্য হিসেবে দেখছেন যে তারা টিকে থাকতে পেরেছেন এবং উপসাগরীয় জাহাজ চলাচলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, সেটিও বুঝতে পেরেছেন।
বর্তমানে আটলান্টিক কাউন্সিলে কর্মরত পানিকফ বলেন, ‘তারা বুঝেছে, এই চাপ প্রয়োগ করতে পারলেও এর জন্য তাদের খুব বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে না’। তার মতে, ইরান মনে করছে তারা ট্রাম্পের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করতে পারবে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে টপকে যেতে পারবে।
ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ইরানের ‘ডিনিউক্লিয়ারাইজেশন’ বা পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা। তবে সেই লক্ষ্য এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তেহরানও তাদের কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করার কোনও ইচ্ছা দেখায়নি।
ধারণা করা হচ্ছে, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরও উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি মজুত ভূগর্ভে রয়ে গেছে, যা পরে উদ্ধার করে আরও প্রক্রিয়াজাত করে অস্ত্রমানের পর্যায়ে নেয়া সম্ভব হতে পারে।
ইরান বলছে, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রকে স্বীকার করতে হবে। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একটি নির্দেশনা। রয়টার্সকে দুই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রায় অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো যাবে না বলে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, এই যুদ্ধ ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা কমানোর বদলে আরও বাড়াতে উৎসাহিত করতে পারে। তাদের মতে, উত্তর কোরিয়ার মতো পারমাণবিক শক্তিধর হয়ে নিজেদের নিরাপদ রাখতে চাইতে পারে তেহরান।
ট্রাম্পের আরেক ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা। কিন্তু সেটিও এখনও অর্জিত হয়নি। ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়েছে নতুন ইরানি নেতৃত্ব। যুদ্ধে নিহত নেতাদের জায়গায় যারা এসেছেন, তাদের আরও কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতেও তাদের হাতে পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে এবং এসব অস্ত্র প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য হুমকি হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া ইউরোপের ঐতিহ্যগত মিত্রদের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।
কারণ ইউরোপের অনেক দেশ এমন এক যুদ্ধে সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যেটি নিয়ে তাদের সঙ্গে আগেভাগে আলোচনা করা হয়নি। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়াও ইরানের অসম কৌশলের বিপরীতে মার্কিন সামরিক দুর্বলতা এবং অস্ত্রভাণ্ডারের সীমাবদ্ধতা থেকে শিক্ষা নিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের জ্যেষ্ঠ গবেষক রবার্ট কাগান মনে করেন, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অপমানজনক প্রত্যাহারের চেয়েও এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। কারণ ওই দেশগুলো ‘বিশ্ব প্রতিযোগিতার মূল কেন্দ্র ছিল না’।
‘চেকমেট ইন ইরান’ শিরোনামে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক লেখায় তিনি বলেন, ‘আগের অবস্থায় আর ফেরা সম্ভব নয়। এমন কোনও চূড়ান্ত মার্কিন বিজয়ও আসবে না, যা ইতোমধ্যে হয়ে যাওয়া ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পারবে।’
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত