রিপোর্টারের জবানবন্দী

  শরীফা বুলবুল

প্রকাশ: ৪ মে ২০২১ |  আপডেট  : ১১ মে ২০২১

ওই যে দেখছেন লোকটা
প্রধানমন্ত্রীর সামনে দু’হাত ভাঁজ করা মুগ্ধ ভঙ্গিতে, 
সুটেট বুটেট দাঁড়িয়ে আছেন!
লোকটি আমাকে কাঁদিয়ে গোপনে হেসেছিল!
লোকটি সৎ মানুষকে অপমান করে, কাঁদায়...
আর শক্তিকে পুজা করে, প্রয়োজনে পা চাটে!
এমন শঠ আরো আছে মিডিয়ার বাহিরে অন্দরে
ইচ্ছে হয় সব ক’টার মাথায় ইট ছুঁড়ে মারি।
লাল লাল ইট!
ওই যে দেখছেন কুচকুচে কালো লোকটা সিগ্রেট ফুঁকছে
আর অনুগতদের নিয়ে রাজা উজির মারছে,
ওঁকে একটা কবিতার বই দিয়ে বহুবার বলতে চেয়েছি, 
‘কবিতা ইতিহাসের বেজমেন্ট,
কবিতা পড়ুন, কবিতা পড়লে 
ভেতরের কুকুরটা মানুষ হয়ে উঠবে।’

কিন্তু আমার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে 
লোকটার বৃত্তে ঢুকতেই পারিনি!
লোকটা নাকি গ্রেট নিউজম্যান! ছাই!
শালা একটা হিটলার! 
ইচ্ছে করে কব্জি কেটে নিয়ে
বেজন্মার গতি বাজেয়াপ্ত করি!
ওই লোকটা প্রতিদিন আমার নিউজ কিল করতো! 
আর দেখতো, যন্ত্রণায় নীল আমার কুঁকড়ে যাওয়া মুখ!
এভাবে দিনের পর দিন আমাকে হতাশার 
গর্তে ফেলে রেখেছিল লোকটা!
আমার বুকে বল্লম বিঁধিয়ে দিনের পর দিন
কোনও এক নার্সিসাস গাছে পরিণত করেছিল!
বিশ্বাস করুন বিনয় দেখিয়ে প্রতিটি সেকেন্ড
আমি বাঁচতে চেয়েছি!        
কিন্তু লোকটা আমাকে হতাশার গর্তে ফেলে
আমোদে হেসেছে!

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত