নন্দীগ্রামে সারের বাজার তদারকিতে জোর দিয়েছে কৃষি কর্মকর্তারা

  নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি :

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৮ |  আপডেট  : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৫৪

বগুড়ার নন্দীগ্রামে আমন মৌসুমে কৃষকরা যেনো সরকার নির্ধারিত মূল্যে সবরকম সার ক্রয় করতে পারে সেজন্য সারের বাজার তদারকিতে জোর দিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী সবরকম সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সে কারণে সারের কোনো সঙ্কট নেই। বিসিআইসি ও বিএডিসির ডিলারদের গুদামে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার রয়েছে। 

নন্দীগ্রাম পৌর এলাকা ও ৫টি ইউনিয়নে বিসিআইসির ১৩ ও বিএডিসির ২৩জন সার ডিলার রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আগস্ট মাসে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৯০৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ২৬৪ মেট্রিক টন টিএসপি, ৩২৪ মেট্রিক টন এমওপি ও ৪১০ মেট্রিক টন ডিএপি সার উত্তোলন হয়েছে। সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য হচ্ছে, প্রতিবস্তা ইউরিয়া ১৩৫০ টাকা, প্রতিবস্তা টিএসপি ১৩৫০ টাকা, প্রতিবস্তা এমওপি ১০০০ টাকা ও প্রতিবস্তা ডিএপি ১০৫০ টাকা। 

নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের বীরপলি বাজারের বিএডিসির বীজ ও সার ডিলার আলহাজ্ব রুহুল আমিন বলেন, আমি সরকারি রেটেই সার বিক্রি করছি। কৃষকরা আমার নিকট থেকে সরকারি রেটেই সার কিনছে। সারের কোনো সঙ্কট নেই। কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সারের কোনো সঙ্কট নেই। আর সরকারি রেটেই সার পাওয়া যাচ্ছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যেই সার ডিলার ও খুচরা ব্যাবসায়ীদের সার বিক্রয় করতে হবে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রয়ের অভিযোগ পেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার নির্ধারিত সারের মূল্য কৃষকদের অবগতির জন্য প্রত্যেক সার ডিলার ও খুচরা ব্যাবসায়ীদের দোকানের সামনে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা হয়েছে। এ ছাড়াও আমরা নিয়মিত সারের বাজার তদারকি করছি। সেই সাথে সারের ডিলারদের গুদাম পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছি। চলতি আমন মৌসুমে সারের কোনো সঙ্কট হবে না ইনশাআল্লাহ। আর আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি।
 

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত