নন্দীগ্রামে তীব্র রোদ-গরম উপেক্ষা করে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন

  নাজমুল হুদা , নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি :

প্রকাশ: ৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫২ |  আপডেট  : ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার নন্দীগ্রামে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল সঙ্কটে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যানবাহন মালিক ও চালকদের। অধিকাংশ পাম্পে নিয়মিত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আর যেসব পাম্পে তেল আছে সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষার পর চাহিদা মতো তেল মিলছে না। এ সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য তেল বিক্রির সীমা ও সরবরাহ বাড়ানোর দাবি সকলের।

সরেজমিনে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নন্দীগ্রাম ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, জ্বালানি তেল পাওয়ার জন্য শত শত মোটরসাইকেল চালকরা তীব্র রোদ-গরম উপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মাইকিং করে মোটরসাইকেলের সারি ঠিক করে নিচ্ছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। প্রখর রোদ ও গরমের কারণে মোটরসাইকেল চালকদের শরীর ঘেমে জামাকাপড় ভিজে ঘাম ঝরে পড়ছে মাটিতে। এই তীব্র গরম সহ্য করতে না পেরে অনেকে তেল না নিয়েই চলে যাচ্ছে। আর যারা তেল পাচ্ছেন তারা নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন। 

মোটরসাইকেল চালক আকাশ কুমার বলেন, তেল পাওয়াতো সোনার হরিণ পাওয়ার মতো মনে হচ্ছে। টাকা দিয়ে তেল কেনার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে চাহিদা মতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আমি দুই ঘন্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দুইশত টাকার তেল পেয়েছি। আজকের যে রোদ ও গরম এই লাইনে এত সময় দাঁড়িয়ে থেকে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে। সরকারের এই সমস্যার সমাধান খুব দ্রুত করা উচিত। 

নন্দীগ্রাম ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আব্দুল করিম সরদার বলেন, তেল যতক্ষণ আমাদের কাছে থাকে ততক্ষণ বিক্রি করছি। না থাকলেতো দিতে পারবো না। সবাই যেনো তেল পায় এজন্য ছোট মোটরসাইকেলে দুইশত আর বড় মোটরসাইকেলে পাঁচশত টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।  

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলায় চারটি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে কাগজপত্রের জটিলতায় একটি বন্ধ আছে। বাকি তিনটিতে জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে। জ্বালানি তেল মজুদ ও কালোবাজারি রোধে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদাররি করা হচ্ছে। ইতোপূর্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়েছে।

কা/আ 
 

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত