গোয়ালিমান্দ্রা হাটের দুটি সেট নতুন করে সংস্কারের নামে পুরনো টিন খুলে বিক্রির অভিযোগ 

  মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩০ |  আপডেট  : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩০

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গোয়ালিমান্দ্রা হাটের দুটি সেট নতুন করে সংস্কারের অনুমতি পান এক ঠিকাদার কাজ শুরু করতে গিয়ে পুরনো টিন খুলে চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় হাটের দোকানদার ও আশেপাশের লোক জন 

শুক্রবার (সাপ্তাহিক বন্ধের দিন) সেই সুযোগে পুরনো সেটের টিন খুলে নসিমন গাড়িতে করে সরানোর চেষ্টা করা হয়। এক ইজিবাইক চালক বিষয়টি দেখতে পেয়ে টপ নিউজের সাংবাদিক কে বিষয় টি জানালে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান জুমার নামাজের সময় তড়িঘড়ি করে টিন সরানোর চেষ্টা চলছে।

এ সময় ঠিকাদারের সাথে হাটের লোকজন কথা বলতে গেলে ঠিকাদার শফিউল্লাহ নিজে উচ্চস্বরে ও অসদাচরণমূলক আচরণ করেন।তখনপরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় দোকানদাররা এগিয়ে আসেন।

ডা. সুমন জানান, ঠিকাদারের লোকজন কিছুক্ষণ আগেই ভাঙারি ব্যবসায়ীর কাছে পুরনো টিন বিক্রি করেছে। অভিযোগ ওঠে সংস্কারের নামে খোলা টিন সরকারি মালামাল হওয়া সত্ত্বেও তা অনুমতি ছাড়া কিভাবে বিক্রি করা হয়েছে।

গোয়ালিমান্দ্রা হাটের পাইকারী চাউল বিক্রেতা,মোল্লা মনির বলেন,পুরানো টিন বিক্রির নাম করে আমার কাছ থেকে ত্রিশ হাজার টাকা নেন , আমার কাছে টিন বিঞয় করবে বলে টিন দেন তো দেয় নাই উল্টা টাকা ফেরত দিতে বললে মামলা সহ নানান প্রকার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার দাবি করে বলেন তিনি সাব- ঠিকাদার এর মাধ্যমে কাজ করাছেন এবং কেউ চুরি করলে তা লেবারে মজুরির টাকা থেকে টাকা কেটে নেওয়া হবে। 

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন সরকারি মালামাল কীভাবে ঠিকাদারের নামে বিক্রি হয়?
 ঠিকাদার কে সরাসরি জানায়, চুরি হওয়া টিনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত হাজির করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় পুরনো টিন নিখোঁজের সম্পূর্ণ দায় ভার ঠিকাদারকেই নিতে হবে।

উল্লেখ্য, ভাঙারি দোকানে টিন বিক্রির ভিডিও প্রমাণ ইতোমধ্যে ঠিকাদারের হাতে এসেছে।

স্থানীয় দোকানদার ও হাটের পাইকারদের দাবি
চুরি হওয়া টিনের পূর্ণ হিসাব প্রকাশ, করতে হবে,দুশিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

গোয়ালিমান্দ্রা হাটের ইজারাদার মোঃ কাওছার শেখ বলেন, এই বিষটি জানতে পেরে আমি হাটে ছুটে আসি এবং হাটের দোকানদারদের মুখে ঘটনার সব কিছু জানর পর । সব কিছু জানা পর পরই আমি লৌহজং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় কে অবহিত করি ।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত