আদমদীঘিতে গুরুত্বপূর্ণ ছয় দপ্তরে নেই প্রধান কর্মকর্তা, সেবায় স্থবিরতা
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৮ মে ২০২৬, ১৯:০৭ | আপডেট : ২৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৫
বগুড়ার আদমদীঘিতে গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি সরকারি দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। উপজেলায় এসব দপ্তরের মধ্যে রয়েছে নির্বাচন অফিস, সমবায় অফিস, মহিলা বিষয়ক দপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়। এছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভ‚মি)। সামান্য একটি প্রত্যয়ন বা নাগরিকত্ব সনদের জন্য সেবা গ্রহিতাদের পোহাতে হয় ভোগান্তি। এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রধান কর্মকর্তা কর্মরত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বও ঘটায় জনসাধারণের ভোগান্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব শূন্য পদে প্রধান কর্মকর্তা নিয়োগ ও সদর ইউনিয়ন পরিষদে একজন ইউপি সদস্যকে দ্বায়িত্ব দিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে জনসাধারণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে। এর ফলে মানুষ সহজেই নিকটবর্তী দপ্তর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারে। এ কারণে উপজেলা বর্তমানে জনসাধারণের কাছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তর হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে গত কয়েক মাস ধরে উপজেলা নির্বাচন অফিস, সমবায় অফিস, মহিলা বিষয়ক দপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে প্রধান কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। তাছাড়া গত ৫ আগস্টের পর থেকে আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নাই। যদিও কিছুদিন একজন ইউপি সদস্য দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু তার পর কি কারণে সেই ইউপি সদস্যকে বাদ দিয়ে এসিল্যান্ডকে দিয়ে দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। আর এ কারণেই সেবা গ্রহিতাদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কার্যক্রমে দায়সারা মনোভাবের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে এসব দপ্তরের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব ঘটছে এবং সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা পেতে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে সেবা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পাশাপাশি বারবার অফিসে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করবো। যাতে দ্রæত বিষয় নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত