আগামীর নির্বাচন হচ্ছে, কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন: সারজিস আলম
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫০ | আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:০৭
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্যসংগঠক এবং ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, আগামী ২০২৬’র যে নির্বাচন,এই নিবার্চনটি হচ্ছে আমাদের কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপুর্ন ধাপ।তিনি শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জামায়াত ও ১০ জোটের আয়োজিত বিশেষ অতিথির বক্তব্যদানকালে এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, চব্বিশের গনঅভ্যুত্থানে আমরা এই বাংলাদেশ গড়ার শুধু মাত্র একটা ধাপ। আগামীর নির্বাচন হচ্ছে কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপুর্ন ধাপ। এই নির্বাচন নির্ধারন করবে, আমরা কি, ২০২৬ থেকে পিছনের দিকে ফিরে যাবো, না -কি। আবার ছাব্বিশ থেকে গনঅভ্যুত্থানের মতো সামনের দিকে বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ের দিকে যাবো কি-না।
তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের কাছে এসব প্রশ্ন রেখে বলেন, আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাবো কি-না।চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি-না। দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবেনা কি-না। দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি-না! মিথ্যা মামলা বাণিজ্য যারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি-না। যারা হুমকী দিচ্ছে, হয়রানী করছে, তাদেরকে আমরা বয়কট করবো কি-না!
সারজিস আলম, বলেন আমাদের এই লড়াই হচ্ছে,আমাদের চব্বিশের লড়াই স্বয়ংসম্পূন করার লড়াই। প্রত্যেকের কাছে একটা বার্তা পৌঁছে দিতে হবে, আমাদের ওই মানুষদের বয়কট করতে হবে, যারা মানুষের বিরুদ্ধে কথা বলে, আর রাতের বেলা মাদক ব্যবসার লাভের টাকার ভাগ নেয়।
তিনি আরো বলেন,আমাদের ওই মানুষদেরকে রুখে দিতে হবে,যে মানুষগুলো দিনের বেলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির কথা বলে আর রাতের আধাঁরে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজের দলের কোন চাটুকারকে সভাপতি সেক্রেটারী বানিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করবে সেই পরিকল্পনা করে। আমাদেরকে ওই মানুষকে বয়কট করতে হবে,যারা দিনের বেলা নির্বাচনের আগের দুই মাস জনদরদী হয়ে ওঠবে, নির্বাচনের পর চার বছর দশ মাস তাদের হারিকেন ধরিয়ে ও খুঁজে পাওয়া যায়না। আমাদের ওই মানুষদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে, যেই মানুষগুলো শ্রমিকের সন্তানকে শ্রমিক বানায়, শ্রমিকের পরবর্তী প্রজন্ম কে শ্রমিক বানায়। কিন্তু নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়াশোনা করায়। আমাদের ওই মানুষদের বিরুদ্ধে লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে।’ যেই মানুষগুলো নিরপেক্ষ প্রশাসনের কথা বলে, কিন্তু রাতের আঁধারে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানী করে। আমি শুধু আপনাদের এই অনুরোধটাই করবো, মহান আল্লাহ তায়ালা স্বাধীনতার পর এই প্রথম বারের মতো, আমাদের এই সুযোগ দিয়েছেন। আগামী ৫০ বছরেও এই সুযোগ আসবে কি-না, আমরা জানিনা। আমরা যেনো এই আমানতের খেয়ানত না করি। সারা বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া রুপসা থেকে পাটুরিয়া এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটারে শুধু একটা ধ্বনি হবে, ১০ দলীয় ঐক্যমত বাংলাদেশ, ইনশাল্লাআল্লাহ।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত