সিরাজদিখানে তুচ্ছ ঘটনায় একই পরিবারে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

  সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৩৫ |  আপডেট  : ৮ এপ্রিল ২০২৪, ১৪:৫২

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান বালুচর ইউনিয়নের খাসনগর  গ্রামে তুচ্ছ ঘটনায় এক পরিবারে ৮ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ এপ্রিল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের  প্রথমে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে· পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,  সিরাজদিখান বালুচর ইউনিয়নের খাসনগর  গ্রামের আব্দুল আলীর বসত ঘরের পাশে প্রতিবেশী মোঃ জহির উদ্দিন জোক্কার রান্না ঘরের ধোয়া আসলে দীর্ঘদিন রান্নার ধোয়া এসে বসত ঘরের জিসিপত্র নস্ট হওয়ায় তাতে বাধা দিলে  মোঃ ইয়ামিনসহ ১০/১২জন আব্দুল আলীর পরিবারের ৮জনকে কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে,তারা এখন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি। 

আব্দুল আলীর ছেলে মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন,  ওদেও বাড়ির ধোয়াবাড়ির রান্না ঘরের ধোয়া যাবেই বলে গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জহির উদ্দিন জোক্কা   ও তাঁর  চার ছেলের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে তার ভাতিজা মোঃ মহিউদ্দিনকে মারধর করে ঘড়বাড়ি ভেঙ্গে তছনছ করে প্রান নাশের চেষ্টা চালায়। এ সময় তাঁরা বাধা দিতে গেলে  তাদেও ভাড়াকরা সন্ত্রাসীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জহিরউদ্দিন জোক্কার সঙ্গে রান্না ঘরের ধোয়া আসা  নিয়ে বহুবার বিচার শালিস চলছে। ইয়ামিনের নেতৃত্বে মোঃ মনির, মোঃ সামসুদ্দিন সামসু,জহিরউদ্দিন জোক্কা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহিউদ্দিন ও আব্দুল আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। আটজন গুরুত্বর আহত হন।  

ঘটনায় রাজিয়া বেগম (৬০) বলেন, হামলায় তিনি বাধা দিতে গেলে তাঁর দিকে ইট ও লাঠি ছোড়া হয়। এতে তার পিঠ ও মাথায় প্রচন্ড আঘাত পান। পরে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর স্বামী আব্দুল আলী,মেয়ে মাহিমা আক্তার(২৫),আকলীমা বেগমকে(৪০) কুপিয়ে জখম করে। হামলায় আহত অন্যরা হলেন মোঃ মহিউদ্দিন (৪৫),মোঃ ফরিদ হোসেন (২০),মোঃ জসীম উদ্দিন(৩৫),মোঃ গিয়াস উদ্দিন(৩৬)। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে মাহিমা আক্তার ও আব্দুল আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।  এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ মনির হোসেন মুঠোফোনে বলেন, ওরা  আমার ভাবিকে ও আমাদেরকে আগে মারধর করেছে পরে আমরা মারধর করেছি। 

সিরাজদিখান থানার অফির্সাস ইনচার্জ (ওসি) মোঃ বোরহান উদ্দিন বলেন, চার ভাইসহ কুপিয়ে ও আট জনকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত