বাংলাদেশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বিসিসিআইয়ের নেই: সেক্রেটারি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:১০ |  আপডেট  : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কয়েকটি ম্যাচ ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। যদিও তারা জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বিসিসিআইয়ের নেই। সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

ঘটনার সূত্রপাত, বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মের মানুষকে হত্যা দাবি তুলে দেশটির হিন্দুত্ববাদীদের চাপের কারণে বিসিসিআই নিদের্শ দেয় পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার জন্য। পরে সেই নির্দেশ অনুয়ায়ী কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মোস্তাফিজকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়। এরপর বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার কারণে আইসিসিকে অনুরোধ করে ম্যাচগুলো ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করার জন্য। যদিও আইসিসি এবং বিসিবি এখনো ইমেলে আলোচনা চালাচ্ছে, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এরইমধ্যে সময়েরও চাপ বেড়ে গেছে, কারণ টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের মুম্বাইয়ে বিসিসিআইয়ের বৈঠকের পর সাংবাদিকেদের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, ‘বিষয়টি বিসিসিআইয়ে অধীনে নয়। তিনি বলেন, ‘বৈঠকটি ছিল কো-অর্ডিনেশন অফ ইভেন্টস এবং অন্যান্য ক্রিকেট বিষয় নিয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইসিসির হাতে।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ফেব্রুয়ারি ৭ থেকে মার্চ ৮ পর্যন্ত ভারতের এবং শ্রীলঙ্কার আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ গ্রুপ সি-তে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল এবং ইতালির সঙ্গে আছে। বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এছাড়া ইংল্যান্ড ও ইতালির সঙ্গে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ হবে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে।

বিসিবি একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানিয়েছে, জয় শাহ নেতৃত্বাধীন আইসিসি তাদের আশ্বস্ত করেছে- তারা বাংলাদেশের উদ্বেগ সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। আইসিসি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সম্পূর্ণ ও নিরবচ্ছিন্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তারা বিসিবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। এছাড়া নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বোর্ডের মতামতকে যথাযথভাবে বিবেচনা করা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা ও সকল উদ্বেগ বিবেচনায় আনা হবে এবং টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য আইসিসি সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত