অবহেলা-অযত্নের কবলে বাহাদুর শাহ্ পার্ক 

  মহিউদ্দিন খান মোহন

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৩:৩৯ |  আপডেট  : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩:০৬

প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সূচীপত্রের সত্বাধিকারী বন্ধু সাঈদ বারীর সাথে প্রোগ্রামটা হয়েছিল আগেই। সে মোতাবেক ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে গেলাম পুরান ঢাকায়। অনেকে বলেন আদি ঢাকা। সেই আদি ঢাকার বাংলাবাজার হলো পুস্তক প্রকাশনা এবং পাইকারি বিক্রির কেন্দ্রস্থল। বলা যায় বাংলাদেশের পুস্তক ব্যবসায়ের রাজধানী। বাস থেকে নামলাম বাহাদুর শাহ্ পার্কের কাছে। ফোনে আমার উপস্থিতির কথা জানাতেই একটু পরে বন্ধুবর এলেন। বললাম, বহুদিন পার্কটির ভেতরে যাওয়া হয় না। চলুন ভেতরে গিয়ে এক সময়ের নিত্য বিচরণক্ষেত্রটিকে দেখে একটু নস্টালজিয়ায় ভুগি। দীর্ঘদিন পর পা রাখলাম চিরচেনা বাহাদুর শাহ্ পার্কে। 

বাহাদুর শাহ্ পার্কের রয়েছে এক সুদীর্ঘ ইতিহাস। আদি ঢাকার নাভিস্থল হিসেবে পরিচিত এ পার্কটি এক সময় ছিল একটি খোলা ময়দান। এশিয়াটিক সোসাইটি প্রকাশিত ঢাকা কোষ গ্রন্থে বলা হয়েছে, আঠারো শতকের শেষের দিকে আর্মেনীয় ব্যবসায়ীরা এখানে একটি ক্লাবঘর নির্মাণ করেছিল। তারা এখানে বিলিয়ার্ড খেলত। বিলিয়ার্ডের সাদা বল অনেকটা মুরগির ডিমের মতো দেখতে বিধায় স্থানীয় লোকেরা এ ঘরকে বলত ‘আন্ডাঘর’। লোকমুখে কালক্রমে সেটি হয়ে যায় ‘আন্টাঘর’ আর খোলা মাঠটি পরিচিতি পায় আন্টাঘরের ময়দান নামে। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে আর্মেনীয়দের অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে তারা ওই ক্লাবঘরটিকে ইংরেজদের কাছে বিক্রি করে দেয়। ঘরটি সংস্কার না করায় তা এক সময় ভেঙে পড়ে এবং জায়গাটি খোলা ময়দানে পরিণত হয়। এক সময় জায়গাটি গাছগাছালিতে পরিপূর্ণ হয়ে পার্কের রূপ ধারণ করে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের পর বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শাসনক্ষমতা নিয়ে নেয় ইস্টি ইন্ডিয়া কোম্পানি। এর একশ বছর পরে ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক সিপাহী বিদ্রোহ। ইংরেজ শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাংলার মুসলমান সিপাহীদের সেই মহাবিদ্রোহ বিশ্ব ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা হিসেবে স্থান পেয়েছে। কিন্তু সিপাহীদের সে বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল। মুক্তিকামী হাজার হাজার সিপাহীকে ফাঁসি দিয়েছিল ইংরেজ বেনিয়ারা। ঢাকার বিদ্রেহী সিপাহীদের মধ্যে এগারোজনকে এই পার্কে প্রকাশ্য জনসমক্ষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয় এবং তাদের মরদেহ পার্কের গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয। 

সিপাহী বিদ্রোহের পর ১৮৫৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে রাণী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার নিয়ে নেন। রাণীর হাতে ভারতবর্ষের শাসনভার হস্তান্তরের ঘোষণা এই পার্কেই সমবেত জনতার সামনে দেওয়া হয়। সে সাথে পার্কটির নাম রাখা হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’। ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টির পর ১৯৫৮ সালে সিপাহী বিদ্রোহের একশ বছরপূর্র্তি উপলক্ষে সে বিদ্রোহে শহীদ সৈনিকদের স্মৃতি রক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয় একটি সৌধ। সে সাথে পার্কটির নাম পরিবর্তন করে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্ জাফরের নাম অনুসারে ‘বাহাদুর শাহ্ পার্ক’ রাখা হয়। উল্লেখ্য, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে সমর্থন দানের ‘অপরাধে’ ইংরেজ শাসকরা সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে গ্রেপ্তার করে বার্মার রাজধানী রেঙ্গুনে (বর্তমান মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুন) নির্বাসিত করে। সেখানেই কবি-সম্রাট বাহাদুর শাহ্ জাফর ইন্তেকাল করেন। বলা বাহুল্য, শুধু ঢাকা নগরীর একটি উদ্যান হিসেবে নয়, ভারতবর্ষ তথা বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবেও বাহাদুর শাহ পার্ক তথা ভিক্টোরিয়া পার্ক বহন করছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব।

বাহাদুর শাহ পার্কের সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটে ১৯৭২ সালে। সেবার ঢাকায় বেড়াতে এলে বড় ভাই গিয়াসউদ্দিন খান বাদলের  বন্ধু মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম ভাই নিয়ে গিয়েছিলেন তা দেখাতে। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে ১৯৭৭ সালে যখন ঢাকায় আস্তানা গাড়ি, তখন নিত্যদিনের বিচরণভূমি ছিল বাহাদুর শাহ্ পার্ক। পার্কটির চতুর্দিক দিয়ে রাস্তা থাকায় যাতায়াত খুব সহজ। এর পশ্চিমপাশ দিয়ে একটি রাস্তা কোর্ট-কাচারি হয়ে চলে গেছে নবাবপুরের দিকে। আরেকটি রাস্তা পূর্বদিকে চলে গেছে লক্ষ্মীবাজার হয়ে শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজের দিকে। ফলে পার্কটিকে একটি দ্বীপের মতো মনে হয়। ঐতিহাসিক জেমস টেলরের বর্ণনায় ‘কয়েকটি রাস্তার মাঝে এক টুকরো খালি জায়গা, যার মাঝে রয়েছে বৃত্তাকার একটি বাগান।’(সূত্রঃ ঢাকা কোষ, প্রকাশনায় এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলাদেশ)। তিনদিক থেকে এসে আমরা বন্ধুরা সেখানে মিলিত হতাম। বিকালে সেখানে বাদাম চিবুতে চিবুতে হতো জম্পেশ আড্ডা । কখনো কখনো অলস দুপুরেও সময় কাটাতাম বড় বড় বৃক্ষরাজির ছায়ায়। গাছের ডালে ডালে পাখিদের বিচরণ ও কল-কাকলিতে মুখর থাকত তখন পার্কটি। মুক্তবায়ু সেবনের জন্য অনেকেই পার্কটিতে ভিড় জমাতেন। স্বাস্থ্য সচেতন নগরবাসীর অনেকে সকাল-বিকালে এই পর্কে ভ্রমণের জন্য আসতেন। সন্ধ্যার পরে পার্কটি জমজমাট হয় উঠত একটি ভিন্ন কারণে। ওই সময় ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন পার্কে একটি টেলিভিশন সেট স্থাপন করেছিল। যাদের বাসাবাড়িতে টিভি ছিল না, তারা সন্ধ্যার পরে এসে ভিড় জমাতো ওই টিভি সেটের সামনে। আমি এবং আমার চাচাতো ভাই আসলাম প্রায়ই যেতাম সেখানে খবর এবং টিভি নাটক দেখতে। ওই সময় পার্কটি ছিল সবুজ অরণ্য। উঁচু উঁচু বৃক্ষের পাশাপাশি হরেক রকমের ফুলগাছে পরিপূর্ণ ছিল পার্কটি। ঝুমকা এবং রক্তজবার কয়েকটি ঝাড় ছিল পার্কটিতে। এছাড়া শিউলি, বেলি, কলাবতীসহ নানা রকম ফুলের গাছ ছিল সেখানে। এমন কি বেশ কয়কটি গোলাপ গাছও ছিল। প্রাচীর ঘেঁষে এবং আড়াআড়ি ছিল কয়েকটি পায়ে হাঁটার পথ। মাঝে মাঝে ফুলের কেয়ারি। বিভিন্ন ঋতুতে সেসব গাছে ফুটত নানা বর্ণের ফুল। প্রজাপতি উড়ত গাছে গাছে। ফেরিওয়ালা, চিনেবাদাম আর ফুচকা-চটপটিওয়ালাদের হাকডাকে সরগরম থাকত পার্কটি। সেখানে গেলেই অন্যরকম এক প্রশান্তিতে মন জুড়িয়ে যেত।

সেদিন পার্কে প্রবেশ করে প্রচন্ড এক ধাক্কা খেলাম। না, কানো পিলারের সাথে নয়। ধাক্কা লাগল মনে। এ কোন বাহাদুর শাহ্ পার্ক! গাছ, লতা-গুল্ম ফুলের বদলে এ যে কংক্রিটের এক মরুদ্যান! গোটা পার্কজুড়ে সাদা পাথরের বে াকৃতির বেস্টনী। মাঝখানের গোলাকৃতির যে চত্বরটিতে আগে ছিল সবুজ দুর্বাঘাসের গালিচা, সেখানে বিছানো রয়েছে সাদা রংয়ের নুড়ি-পাথর। 

বাহাদুর শাহ্ পার্কে যখন অমি প্রথম আসি, তখন প্রথমেই আমার দৃষ্টি কেড়েছিল একটি সুউঁচ্চ স্মৃতিসৌধ, যেটি ১৯৫৮ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল। পার্কের উত্তর প্রান্ত ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা চৌকোণাকৃতির ওই ওই স্মৃতিসৌধটি চারটি স্তম্ভের ওপর নির্মিত। বাইরে ছিল লাল এবং ভেতরের দিকটা ছিল সাদা রংয়ের। সৌধটির একেবারে শীর্ষদেশে লাল জমিনের ওপর কালো রংয়ে লেখা ছিল ‘১৮৫৭ সালের শহীদ স্মরণে’। এখন সে সৌধটি সম্পূর্ণ সাদা রং ধারণ করেছে। আমি বিস্ময়ে হতবাক হলাম, সৌধের ওপরে ‘১৮৫৭ সালের শহীদ স্মরণে’ কথাটি নেই! রংয়ের পরিবর্তন ঘটাতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ সেই বাক্যটিও মুছে ফেলেছেন। এটা কি অনবধানতা বশত, না ইচ্ছাকৃত আমার জানা নেই। যারা এ সংস্কার (!) কাজ করেছেন, তারাই এটা ভালো বলতে পারবেন। তবে এখন সৌধটি দেখলে কেউ বুঝতেই পারবেন না, ওই স্থাপনাটি কবে, কেন নির্মিত হয়েছিল। একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারক স্থাপনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতা মেনে নেওয়া যায় না। এটাকে কি ঐতিহাসিক সত্য মুছে ফেলার চেষ্টা বলব, নাকি ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা বলে অভিহিত করব? স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে চরম অবহেলা-অযত্নে এতিমের মতো দাঁড়িয়ে আছে। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী বীর সৈনিকদের স্মৃতিসৌধের প্রতি এ অবহেলা অত্যন্ত দুঃখজনক। সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে দেখলাম কয়েকজন ভবঘুরে সেখানে ঘুমাচ্ছে। একটি ছিন্নমূল পরিবার রীতিমতো সংসার পেতে বসেছে। সৌধটির গায়ে রংয়ের ছোঁয়া পড়ে না কত বছর কে জানে। এমনকি তা ধোয়া মোছাও হয়না বোধকরি বহুদিন। সেখান থেকে নামার পর একটি বড়সড় কালো পাথরের ওপর চোখ পড়তেই আমার ভিরমি খাওয়ার জোগাড়। পাথরটিতে লেখা রয়েছে- ‘বাহাদুর শাহ্ পার্ক’, শুভ উদ্বোধন করেন- মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, মেয়র, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।’ তারিখ লেখা আছে ১১ মার্চ, ২০২০। বন্ধু সাঈদ বারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম সেদিকে। জিজ্ঞাসুনেত্রে সে তাকিয়ে রইল আমার দিকে। বললাম, এই পার্কটি কি মেয়র সাঈদ খোকনের আমলে স্থাপিত হয়েছে? নাহলে তিনি এই পার্কের উদ্বোধন করলেন কীভাবে? পার্কটি তো স্থাপিত হয়েছে সেই আঠারো শতকে। তখন সাইদ খোকন কেন, তার দাদাও কি এই ধরাধামে তাশরীফ এনেছিলেন? হতে পারে মেয়র সাহেব পার্কটির সৌন্দর্য্য বর্ধন করার প্রকল্প নিয়েছিলেন এবং তা সম্পন্নও করেছেন। সে প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, কত টাকা অপচয় হয়েছে, সেসব কথা এখানে বলার প্রয়োজন বোধ করছি না। আমার প্রশ্ন এই পাথরটিতে ‘বাহাদুর শাহ্ পার্ক উদ্বোধন’ কথাটি লেখা হলো কোন যুক্তিতে? নিজেকে জাহির করার উদগ্র বাসনা মানুষকে কতটা নির্বুদ্ধিতায় আচ্ছন্ন করে এটা বোধকরি তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। পার্কটির দক্ষিণ প্রান্তে রয়েছে আরেকটি স্মৃতি স্তম্ভ। এটি নবাব খাজা আবদুল গণির নাতি খাজা হাফিজুল্লার মৃত্যুর পর তা ইংরেজ বন্ধুরা নির্মাণ করে দিয়েছিলেন। খাজা হাফিজুল্লাহ্ ১৮৮৪ সালে মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। 

ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম পরিবর্তন করে বাহাদুর শাহ পার্ক করা হয় ১৯৫৮ সালে, অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় চৌষট্টি বছর আগে। কিন্তু এখনও মানুষ পার্কটিকে ভিক্টোরিয়া পার্ক নামেই চেনে। বাহাদুর শাহ্ পার্ক নামটি কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ। তাহলে এ নাম পরিবর্তনের ফায়দাটা কী? সাধারণ মানুষ যদি নতুন নামে না ডাকে, না চেনে, তাহলে নতুন নামকরণ কি অর্থহীন হয়ে যায় না? সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের আত্মদানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তার নামে কি আরেকটি পার্ক বা স্থাপনা করা যেত না? অবশ্যই করা যেত। কিন্তু ওই যে পুরানোকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়ার অদ্ভূত মানসিকতায় আচ্ছন্ন আমরা। তাই নাম পরিবর্তন করে যেন মানুষকে ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে চাই। ভিক্টোরিয়া পার্কটির নাম অক্ষুন্ন থাকলে এটা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিত, এই জায়গায়ই ভারতবর্ষ তথা আমাদের দেশের স্বাধীনতাকে বৃটিশ শাসনের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার ঘোষণাটি দেওয়া হয়েছিল। সে ঘোষণার কথা একটি পাথরে উৎকীর্ণ করে রাখা যেত। তাতে পার্কে আগতরা একটি ঐতিহাসিক সত্য সহজেই জানতে পারতেন। তাছাড়া, কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজ, রংপুরের কারমাইকেল কলেজ, পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল, মিন্টো রোড, ফুলার রোড, র‌্যাঙ্কিন স্ট্রিট, লারমিনি স্ট্রিট যদি বহাল তবিয়তে থাকতে পারে, তাহলে ভিক্টোরিয়া পার্ক থাকতে অসুবিধা কী ছিল? এগুলো সবইতো ইংরেজ শাসকদের নামে নামকৃত।

আমরা ইতিহাসকে ধারণ করার কথা প্রায়ই বলি। কিন্তু কাজকর্মে তা কতটুকু করার চেষ্টা করি সে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। ঐতিহাসিক স্থান বাহাদুর শাহ্ পার্কের বর্তমান দুর্দশা কি আমাদের মানসিক দৈন্যকেই প্রকটভাবে তুলে ধরে না? 

লেখকঃ সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত