সিরাজদিখানে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা, আসামির বাড়ি ভাঙচুর

প্রকাশ: ১ মার্চ ২০২৫, ১০:১৫ | আপডেট : ৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:০১

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পরে শিশুটির মরদেহ গুমের জন্য ফেলা হয় দিঘীতে। গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য জানিয়েছেন আসামি সাব্বির খান (২৫)।
এদিকে, আসামির এমন স্বীকারোক্তি জানতে পেরে বিক্ষুব্ধ জনতা শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাব্বির খানের বাড়ি ভাঙচুর করেন। পরে তারা বাড়ির আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেন।
গত২৭শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শিশুর মরদেহ উপজেলার রশুনিয়া গ্রামের নূরানী মাদরাসার পাশের দিঘী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
মারা যাওয়া শিশুর মা বলেন, “গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে খালার সঙ্গে বাড়ির পাশের রশুনিয়া নূরানীয়া মোহাম্মদীয়া মাদরাসার ১২তম ওয়াজ মাহফিলে যায় আমার মেয়ে। সেখানে থাকবে বলে বায়না ধরে সে। এসময় ওর খালা তাকে মাদরাসা পড়ুয়া আমার ছেলে ইসমাইলের কাছে রেখে আসে। ইসমাইল তার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লে আমার মেয়ে রাস্তার দিকে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল।”
সিরাজদিখান থানার ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, “ওয়াজ-মাহফিলে আইসক্রিম বিক্রেতা সাব্বির খানকে (২৫) সন্দেহভাজন হিসাবে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। এ ঘটনায় পরদিন শিশুটির মা বাদী হয়ে সাব্বিরকে প্রধান অভিযুক্ত করে সিরাজদিখান থানায় অপহরণ মামলা করেন। পুলিশ সাব্বিরকে আদালতে পাঠিয়ে দুইদিনের রিমান্ডে নেয়। রিমান্ডে তিনি জানান, ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর শিশুটির লাশ গুম করতে দিঘীতে ফেলে দেন। পরে তারই দেখানো দিঘী থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।”
তিনি আরো বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত অপহরণ মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে।”
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত