সৎ মানুষের ভাত নেই 

  মহিউদ্দিন খান মোহন

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২২, ১২:৪৬ |  আপডেট  : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪:০৪

অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের ভ্রাম্যমান টিকিটি পরীক্ষক (টিটিই) শফিকুল ইসলাম। ইতোপূর্বে বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণের দায়ে তিন যুবককে টিকিট কাটতে বাধ্য করার ‘অপরাধে’ তাকে মুখোমুখি হতে হয়েছিল শাস্তির। গঠিত হয়েছিল বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বেরিয়েছে গত ১৬ মে। রিপোর্টে শফিকুল ইসলামকে নির্দোষ উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে আরও বড় কোনো শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার আগেই তার নিস্তার মিলেছে। রেলওয়ের টিটিই শফিকুল ইসলাম হঠাৎ করেই দেশের আলোচিত চরিত্রে পরিণত হয়েছিলেন। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে তাকে হতে হয়েছিল সাময়িক চাকরিহারা। বরখাস্ত করা হয়েছিল তাকে। ঘটনা গত ৫ মে’র। পত্রিকায় এসেছিল ৭ মে। ইতোমধ্যে সবাই বিষয়টি জেনেছেন। তাই সেটার পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন। তবে গত ১৮ মে সমকালে ‘সততা লালন করে যে হৃদয়’ শিরোনামে প্রকাশিত  প্রতিবেদনে টিটিই শফিকুল ইসলামের সৎ জীবনযাপনের যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তাতে যে কারো মনের মধ্যে এক ধরনের ভাল লাগার অনুভূতির সৃষ্টি হবে।   

ঘটনাটি দেশব্যাপী অলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে একজন নিষ্ঠাবান টিটিই’র বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ‘দুষ্টের পালন এবং শিষ্টের দমনে’র অলিখিত নিয়ম-রীতিকেই প্রতিভাত করে তোলে। প্রশ্ন ওঠে একজন টিটিই’র কাজ কী? তার কাজ কেউ বিনা টিকিটে রেলগাড়িতে ভ্রমণ করছে কিনা তা দেখা এবং যথা ঘটনায় যথা ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তার এটা দেখার দরকার নেই যে, বিনা টিকিটে ভ্রমণকারী ব্যক্তির সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিচয় কী। টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠলে তার একটাই পরিচয়- সে বিনা টিকিটের যাত্রী। একজন দায়িত্ববান টিটিই’র তখন অবশ্য কর্তব্য হলো তাদেরকে টিকিট কিনতে বাধ্য করা। এমন কি টিকিট ছাড়া অবৈধভাবে রেল ভ্রমনের দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জরিমানা এবং থানায় সোপর্দ করার এখতিয়ার একজন টিটিই সংরক্ষণ করেন। আলোচ্য টিটিই শফিকুল তাদেরকে শুধু সাধারণ শ্রেণির টিকিট কেটে নির্ধারিত শ্রেণিতে ভ্রমণ করতে বাধ্য করেছিলেন, জরিমানা করেন নি। হিসেব মতো মন্ত্রীর ভাগ্নেদের টিকিট কিনতে বাধ্য করায় টিটিই শফিকের পুরস্কৃত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উল্টো তিনি শাস্তি পেয়েছিলেন। তবে ঘটনাটি বেশি দূর গড়ায়নি। কেননা, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে নিন্দা-প্রতিবাদের তীব্র ঝড় উঠলে টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। রেলমন্ত্রী স্বয়ং হন বিব্রত এবং শফিকুল ইসলামের সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি অকার্যকর হয় কয়েক দিনের মধ্যেই। ঘটনাটি নিয়ত ঘটমান হাজারো ঘটনার তলায় চাপাই পড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তদন্ত কমিটির রিপোর্টে শফিকুল নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তা নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে। কেননা, আমাদের দেশে প্রভাবশালীদের কোপানলে পড়ে সৎ, নিষ্ঠাবান এবং কর্তব্যে অটল এমন অনেক শফিকুল ইসলামের ভাগ্যেই নানা ধরনের দুর্যোগ-দুর্বিপাক নেমে আসে। তবে, মন্ত্রীর স্ত্রীর ফোন পেয়ে কোনো রকম অফিসিয়াল প্রসিডিউর অনুসরণ না করে যে কর্মকর্তা চলন্ত গাড়িতে কর্তব্যরত টিটিই শফিকুল ইসলামকে বরখাস্তের আদেশ দিয়েছিলেন, তার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা এখনও আমাদের অজানা। গভীর রাতে মন্ত্রীর বৌয়ের ফোনে যে কর্মকর্তা ‘মহারানীর হুকুমের গোলামের’ মতো একজনকে শস্তির আদেশ দিতে আগপাছ চিন্তা করেনা, এমন কর্মকর্তার সরকারি কোনো পদে থাকার দরকার আছে বলে মনে হয়না। ওই কর্মকর্তা হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন, তিনি রেলওয়ের কর্মচারি, মন্ত্রীর স্ত্রীর গৃহভৃত্য নন। এ ধরনের গৃহভৃত্য সদৃশ কর্মকর্তাদের কারণে সরকারি আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে মন্ত্রী-এমপিদের শ্যালক-শালিকা, ভাস্তে-ভাগ্নে কিংবা স্বজন-সুহৃদরা রামরাজত্ব কায়েম করার মওকা পায় সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অপরাধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। দেখা যাক সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।  

বিদেশে এমন ঘটনা ঘটলে ওই টিটিই তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ হয়তো পুরস্কার পেতেন। নিদেনপক্ষে কর্তৃপক্ষ তাকে উৎসাহপত্র (অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার) দিয়ে উৎসাহিত করত। উন্নত দেশগুলোতে আমরা এ ধরনের অনেক ঘটনার কথাই জানি, যেগুলোতে আইন ভঙ্গ বা অমান্য করার দায়ে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের জরিমানা গুণতে হয়েছে। গত এপ্রিল মাসের ১৩ তারিখে দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি খবর অনেকেরই চোখে পড়ে থাকবে। খবরটি ছিল করোনা সংক্রমণের সময় কঠোর লকডাউন চলাকালে বিধিনিষেধ ভঙ্গ করে মদের পার্টি করায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, তদীয় স্ত্রী ক্যারি জনসন এবং অর্থমন্ত্রী রিসি সুনাককে জরিমান করেছে লন্ডন পুলিশ। ২০২০ সালের জুন মাসের এক রাতে বরিস জনসনের জন্মদিনে ওই পার্টি হয়েছিল। খবরে বলা হয়েছে, লকডাউনের বিধিনিষেধ অমান্য করে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের পার্টি করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী জনসন অবশ্য ঘটনাকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশি তদন্তে ঘটনার সত্যতা উঠে আসায় তাকে জরিমান গুণতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ওই ঘটনাকে মিথ্যা বলে সাফাই গাইলেও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। বরং ব্রিটেনের পুলিশ সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কৃত অপরাধের তদন্ত করতেও দ্বিধায় ভোগেনি। ব্রিটেনের সঙ্গে আমাদের তুলনা আমি কখনোই করি না। কারণটি কারো না বোঝার কথা নয়। ওখানে আইন সবার ওপরে এবং আইনের চোখে আক্ষরিক অর্থেই সবাই সমান। সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ এবং এমপি-মন্ত্রী কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা তো হরহামেশা আইনের শাসনের জন্য চিৎকার চেঁচামেচি করি, কেউ কেউ কণ্ঠকে উচ্চগ্রামে তুলে বলি- দেশে আইনের শাসন কায়েম হয়ে গেছে। কিন্তু সেটা যে কাজীর গরুর মতো খাতায় আছে, গোয়ালে নেই তা তলিয়ে দেখি না। আইনের শাসনকে বাস্তব রূপ দিতে হলে সর্বোচ্চ থকে সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত সবাইকে যে আইন মেনে চলার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে সেটাকে আমলে নিই না। মূলত এখানেই আমাদের দেশে আইনের শাসন সোনার হরিণ হয়ে থাকার মূল কারণটি লুক্কায়িত।

রেলওয়ের টিটিই শফিকুলের বরখাস্ত হওয়ার খবরে যেদিন বেরিয়েছে, একই দিনে আরেকজন নিষ্ঠাবান কর্মকর্তার তিরস্কৃত হওয়ার খবর দিয়েছে পত্রিকাগুলো। দুুর্ভাগা এই কর্মকর্তার নাম সারওয়ার আলম, যিনি এলিট ফোর্স র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে তিন শতাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করে দেশবাসীর দৃষ্টি কেড়েছিলেন। তার অপরাধ গত বছর পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ার পর তিনি তার ফেসবুক আইডিতে মন্তব্য করেছিলেন, ‘চাকরিজীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তাদের বেশিরভাগই পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন এবং এদেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটাই অন্যায়’। কর্তৃপক্ষ তার এই মন্তব্যকে ‘অকর্মকর্তাসুলভ’ আখ্যায়িত করে তাকে তিরস্কার করে চিঠি দিয়েছে। (সমকাল, ৭ ম, ২০২২)। 

অনেকেই বলে থাকেন, আমাদের দেশে ভালো কাজের মূল্য নেই, সৎ মানুষের ভাত নেই। কথাটি ফেলে দেওয়ার মতো নয়। এখানে সততার পুরস্কার লাঞ্ছনা, গঞ্জনা। ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে দেশব্যাপী প্রশংসিত ম্যাজিস্ট্রেট রোকন-উদ-দৌলাকে কতটা লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছিল আমরা সে খবর গণমাধ্যমে দেখেছি। বছর তিনেক আগে ঈদ-বাজারে দেশের একটি বড়সড় এনজিওর পোশাকের দোকানে অতিরিক্ত দাম রাখার বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ‘অপরাধে’ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর আলম শাহরিয়ারকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল। যদিও সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পেয়েছিলেন। এই তো কয়েকদিন আগে, রাঘব-বোয়ালদের অপকর্মের বিরুদ্ধে মামলা করার ‘অপরাধে’ দুর্নীতি দমন কমিশনের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত হতে হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আমাদের দেশে আকছার ঘটছে। অবাক করা বিষয় হলো, এসব ঘটনা দেখেও কিছু ‘বোকা কর্মকর্তা’ স্বীয় কর্তব্য-কর্মে অটল থাকতে চান। তারা কেন যে বোঝেন না- ‘সেদিন খেয়েছে বাঘে, যখন ভালো কাজে পুরস্কার জুটত ভাগে’। এখন জোটে শাস্তি কিংবা তিরস্কার।

আলোচ্য টিটিই শফিকুল ইসলামকে আমার বোকাই মনে হয়েছে। মন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় পাবার পর কোথায় তিনি আহ্লাদে গদগদ হয়ে তাদেরকে আদর-আপ্যায়নে ব্যস্ত হবেন তা না, তিনি কিনা তাদেরকে শোভন শ্রেণির টিকিট কাটতে বাধ্য করলেন! এমন একটি অশোভনীয় কাজ করার পরও তার চাকরি থাকবে এটা ভাবাও তো বোকামি! আমার মনেহয় পুলিশ কর্তৃক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানার ঘটনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই মন্ত্রীর ভাগ্নেদের টিকিট কিনতে বাধ্য করেছিলেন টিটিই শফিক। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন দায়িত্ব পালনে এই নিষ্ঠার জন্য তাকে প্রশংসিত করা হবে। তবে তিনি ভুল করেছিলেন। তার মনে রাখা দরকার ছিল, এটা ব্রিটেন নয, বাংলাদেশ। নামের আদ্যাক্ষর এক হলও আমরা মানুষ এক রকম নয়। ব্রিটেনের রেলমন্ত্রীর আত্মীয়রা এই অকাজ করলে হয় মন্ত্রী ক্ষমা চাইতেন, নাহয় পদত্যাগ করেতেন। কিন্তু আমাদের এখানে ঘটল উল্টোটা। আর সেটাকেই আমরা মেনে নিয়েছিলাম স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে। আজকাল প্রায়ই পত্রপত্রিকায় পাওয়া যায় প্রভাবশালীদের আত্মীয়-স্বজনের  প্রভাব খাঁটানোর নানা কিসিমের খবর। এই অত্যন্ত ক্ষমতাশালী আত্মীয়রা সরকারি নানা দপ্তরে দন্ডমুন্ডের কর্তা সেজে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। তারা সরকারি টেন্ডার ভাগ-বাটেয়ারা করেন, কর্মকর্তাদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং করিয়ে দেন, চাকরি প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেন। মনে হতে পারে, তারা এসবের দ্বারা জনসেবা করছেন। আসলে যে তা নয়, এটা কাউকে বুঝিয়ে বলার দরকার পড়ে না। তারা তাদের প্রভাবশালী আত্মীয় এমপি-মন্ত্রীদের প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের অর্থবিত্তের বেলুনটির পরিধি বাড়িয়ে নেন। আপনি যদি কান খোলা রেখে রাস্তায় চলাফেরা করেন, তাহলে একটি বাক্য মাঝেমধ্যেই শুনবেন- ‘আমাকে চিনিস’? মানে তিনি যে দেশের কোনো হোমরাচোমরা ব্যক্তির লতাপাতায় জড়ানো সম্পর্কের ‘নিকটজন’ তা বোঝানোর জন্য ওই দুটি শব্দের ব্যবহার। তাকে চেনা তো ফরজ! না চিনলে খবর আছে। এই যে প্রভাবশালীদের ‘সূর্যের চেয়ে বালু গরম’ মার্কা আত্মীয়, এদের কারণে অনেক সম্মানীয় ব্যক্তির সম্মান ধূলোয় মিশেছে, অনেক ক্ষমতাশালী ব্যক্তির পশ্চাদ্দেশ থেকে গদিআঁটা রিভলভিং চেয়ার সরে গেছে। কিন্তু তারপরও ‘আমাকে চিনিস?’-বলে ধমক দেনেওয়ালাদের কমতি নেই। বলা বাহুল্য, রেলমন্ত্রীর ওই ধরনের স্বজনরাই তাকে চরম বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছিল। মন্ত্রী মহোদয় ঘটনার প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে তা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন বলেই হয়তো প্রারম্ভিক অবস্থান থেকে দ্রুত সরে এসেছিলেন। তার এই ত্বরিত অবস্থান পরিবর্তন তাকে যেমন অধিকতর বিব্রতকর অবস্থায় পতিত হওয়া থেকে রক্ষা করেছে, তেমনি দেশবাসীও হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে এই ভেবে যে, অন্তত বিনা দোষে একজন সৎ কর্মকর্তা চূড়ান্ত সাজা পাওয়া থেকে রেহাই পেলেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি দেশের এমপি-মন্ত্রী-প্রভাবশালীদের জন্য একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ হয়েই রইল। তবে কথায় আছে, ‘ইতিহাসের শিক্ষা এই যে, ইতহাস থেকে কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না’। তেমনি এই ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা গ্রহণ করবে- অতটা আশাবাদী এ মুহূর্তে হতে পারছিনা বলে দুঃখিত।

লেখকঃ সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত