অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

কুয়েটের দুই প্রকৌশলীকে হুমকির পর একজনকে মারধর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৪ মার্চ ২০২৫, ১০:১৯ |  আপডেট  : ২ এপ্রিল ২০২৫, ১২:২১

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই প্রকৌশলী। তারা বিএনপির স্থানীয় এক নেতার কাছ থেকে হুমকির শিকার বলে অভিযোগ করেন। এরপর এক প্রকৌশলী মারধরের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কুয়েটের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) শেখ আবু হায়াত খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত রবিবার মোবাইল ফোনে হুমকি পান তারা। সোমবার (৩ মার্চ) দুপুরে উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেওয়ার অনুরোধ জানান দুই প্রকৌশলী।

জানা যায়, কুয়েটে একটি ভবনের ছাদের কাজ করা নিয়ে দুই নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) শেখ আবু হায়াত ও মো. গোলাম কিবরিয়ার সঙ্গে মোল্লা সোহাগের বিরোধ চলছে। কাজে প্রকৌশলীদের আরও বেশি প্রফিট নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন ওই ঠিকাদার। এ কারণে প্রকৌশলীদের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, কুয়েটের ১৩ নম্বর ভবনের কাজের ছাদের ওয়াটার প্রুফিংয়ের কাজের দর প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ের প্রকৌশলীরা বাজারদরের সঙ্গে সরকারি নিয়মানুযায়ী ভ্যাট, আইটি ও ১০ শতাংশ প্রফিট (দাফতরিকভাবে পূর্বনির্ধারিত) যুক্ত করে দর নির্ধারণ করা হয়। ১০ শতাংশ প্রফিটে আপত্তি ঠিকাদার মোল্লা সোহাগের। তাকে আরও বেশি প্রফিট দিতে হবে বলে মোবাইল ফোনে প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়াকে বলেন। এ কথা বলার পর প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন, কিন্তু কোনও কথা না শুনে ফোনেই নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া ও শেখ আবু হায়াতকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন মোল্লা সোহাগ। এ অবস্থায় প্রকৌশলী দুজন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন।

প্রকৌশলী শেখ আবু হায়াত বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার বাড়ির পাশে মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া আল আকসা মসজিদ থেকে আসরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় মোটরসাইকেলে সোহাগ মোল্লাসহ অন্য দুজন আসে। কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা আমার গায়ে হাত দেয় (মারধর) এবং আমার চশমা নিয়ে যায়।’

বিএনপি নেতা মোল্লা সোহাগ বলেন, ‘আসরের পর আবু হায়াতের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়েছে। হায়াত জামায়াত সমর্থন করেন, আমি বিএনপির কর্মী। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটি হয়। গায়ে হাত তোলার কোনও ঘটনা ঘটেনি।’ তিনি কোনও ধরনের ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে তিনি জড়িত না বলে দাবি করেন।

কা/আ 

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত