আবহাওয়া কেমন যাবে, যা জানা গেলো  

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৪, ১৪:২১ |  আপডেট  : ২২ মে ২০২৪, ০৪:৪২

আগামী ২৪ ঘণ্টায় শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার হবে বলে জানিয়েছে আবাহওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলেছেন, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে যাবে। শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া, নওগাঁ, দিনাজপুর ও মৌলভীবাজার জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা বিস্তার লাভ করতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, রোববার থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

পূর্বাভাসে জানানো হয়, আগামী সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সারাদেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সাথে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়া পরিস্থিতিতে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা আবারও এক ডিগ্রি নেমেছে মৌলভীবাজারে। শনিবার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি শীত মৌসুমে এই জেলায় এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। শুক্রবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শীতের তীব্রতা, ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে জেলার চা বাগানসহ প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছি ঠান্ডাজনিত রোগ।

রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার রাজশাহীতে একদিনের ব্যবধানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি কমে দাড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সকাল থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত দেখা নেই সূর্যের। এমন কনকনে আবহাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। প্রচণ্ড শীতের কারনে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তারা।

দিনাজপুরর হিলিতে দিনদিন বাড়ছেই শীতের তীব্রতা। প্রচণ্ড শীতে জুবুথবু হয়ে জনজীবন। ঘনকুয়াশা আর শীতের কারণে দোকানপাট খুলছে দেরিতে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী শনিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও কমেনি শীত। ঘনকুশায় ঢেকে আছে গোটা জেলা, সেই সাথে বইছে উত্তরের হিমশীতল বাতাস। সূর্যের দেখা গেলেও নেই কোন উত্তাপ। তেঁতুলিয়ায় তামপমাত্র নেমেছিলো ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

এদিকে নওগাঁয় বেড়েছে শীতের দাপট। শুক্রবারের চেয়ে তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে। রাভভর বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা। দেখা মিলছে না সূর্যের। শনিবার সকালে নওগাঁর বদলগাছীতে তাপমাত্র রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত