বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযোগ দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৩০ | আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬:১৬

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শেরপুর সদরে প্রতিপক্ষের হামলায় উপজেলা বিএনপির এক নেতা নিহত হয়েছেন। এতে আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আরও দুই জন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ভীমগঞ্জ এলাকায় একটি মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একই মোটরসাইকেলে ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শেরপুর সরকারি কলেজের সাবেক এজিএস জাকারিয়া বাদল (৪৭) ও তার সহযোগী সোহাগ আলম (৩৫) ও রুহুল আমিন। ওই মাদ্রাসার সামনে তাদেরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত বাদল ও সোহাগকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বাদলের শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত সোহাগের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক লুৎফর রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বাদলের দ্বন্দ্ব রয়েছে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও সম্প্রতি জেলা বিএনপির বৈঠককে কেন্দ্র করে ওই দুই নেতার সম্পর্ক আরও জটিল হয়।
সোমবার বিকালে তারা তিন জন একই মোটরসাইকেলে ভীমগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা লুৎফরের অনুসারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। তিন জনকেই দা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বাদল ও সোহাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে বাদলের মৃত্যু হয়। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আমিনুল ইসলাম বলেন, এলাকায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান চলছে।
কা/আ
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত