টুর্নামেন্টসেরা গোলরক্ষক মাহিন, দেশবাসীকে শিরোপা উৎসর্গ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০০ |  আপডেট  : ৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৩

মালদ্বীপের স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে রোনান সুলিভানের শট জালে জড়াতেই গ্যালারিতে শুরু হয় উচ্ছ্বাসের বিস্ফোরণ। খেলোয়াড়রাও ছুটে যান বিভিন্ন দিকে আনন্দ উদযাপনে। ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয় পেয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে ভাসে পুরো বাংলাদেশ দল।

এই শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন। টাইব্রেকারে ভারতের প্রথম শট রুখে দিয়ে দলকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন তিনি। পুরো আসরে মাত্র একটি গোল হজম করে তিনি সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কারও জিতে নেন।

জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মাহিন বলেন, প্রথম শট ঠেকানোর পর তার মনে হয়েছে দেশের কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। আগের বছর ভারতের মাটিতে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টে টাইব্রেকারে হারার স্মৃতিও ছিল তার মনে। তাই এই জয়ের অনুভূতি আরও বিশেষ। তিনি তার বন্ধু আশিককে স্মরণ করে এই ট্রফি উৎসর্গ করেন।

দলের অধিনায়ক মিঠুও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, মালদ্বীপে প্রতিটি ম্যাচে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন দলকে অনুপ্রাণিত করেছে, আর তাদের এই ট্রফি উপহার দিতে পেরে তারা আনন্দিত। পুরো দলই এই সাফল্য দেশবাসীর জন্য উৎসর্গ করেছে।

এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে আলোচিত খেলোয়াড় ছিলেন প্রবাসী ফুটবলার রোনান সুলিভান। চার ম্যাচে দুই গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে তিনি দারুণ পারফরম্যান্স দেখান। ফাইনালের টাইব্রেকারে তার জয়সূচক গোলেই শিরোপা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। যদিও তিনি একবার ম্যাচসেরা হন, তবে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পাননি। সর্বোচ্চ তিন গোল করে সেই পুরস্কার জেতেন ভারতের ওমাং দুদুম, যিনি মালদ্বীপের ইলান ইমরান তৌহিদের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।

ফেয়ার প্লে পুরস্কার জেতে স্বাগতিক মালদ্বীপ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। দক্ষিণ এশিয়ার এই বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট প্রতি বছর ভিন্ন বয়স বিভাগে আয়োজন করা হয়। এর আগে ২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত