পঞ্চগড়ে বনানী জুরে আমন ধানে কৃষকের স্বপ্ন

  পঞ্চগড় প্রতিনিধিমোঃ কামরুল ইসলাম কামু   

প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:৪৩ |  আপডেট  : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ২০:৩৬

পঞ্চগড়ে মাঠ-প্রান্তর পাকা আমন ধানে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তেপান্তর জুড়ে স্বপ্নময় সোনালি ধান হাসি ফোটাবে কৃষকদের মুখে। সেই প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির শেষ সীমানায় লাখো কৃষক।পঞ্চগড় জেলার সমতল বা উঁচুনীচু সব জায়গায় দোল খাচ্ছে পাকা আমন ধান। পথ প্রান্তর ও মেঠো পথ সব জায়গায় দাঁড়ালেই সোনালি আমনের বিস্তৃর্ণ বনানী চোখে পড়ার মতো। কেউ কেউ ধান কাটার জন্য ক্ষেতে ও নেমেছে। 

চলতি মৌসুমের শেষ ভাগে এসে বৃষ্টির প্রবল বর্ষণে ধানের জমিতে পানির স্থায়িত্ব কিছুটা বিড়ম্বনা সৃষ্টি করে। একটানা খরার পর হঠাৎ দুই-তিনদিনের টানা বর্ষণ আমন ধানে পানির চাহিদা অধিকতর হয়ে ওঠে।পরবর্তী সময় খরার পর সেই সমস্যা কেটে গেলেও জমির মাটি এখনো স্যাতস্যাতে অবস্থায় থাকায় কৃষক জমিতে ধান কাটতে পুরো প্রস্তুতি নিতে পারছেনা।

তবে আগাম জাতের ধান যেমন; হাউব্রীড , বিনা-৭ ব্রি-৯৪ ও ব্রি- ৮৭ জাতের ধান কাটা শেষ হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, যে সব জমি স্যাতস্যাতে নয় তেমন জমিতে কৃষকরা তাদের ধান কাটা শুরু করেছে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের পাইকানি এলাকার একজন কৃষক জানান, ফলন ভালো হয়েছে। তবে বর্ষার শেষ সময় অতিবৃষ্টিপাত হওয়ায় জমির মাটি কিছুটা স্যাতস্যাতে তাই ধান কাটতে একটু দেরী হচ্ছে। তবে এই বৃষ্টি না হলে ফলন ভালো হওয়ার সম্ভবনা ছিল না। তবে সেই বিপদ কেটে গেছে। তবে ঠিক সময় বৃষ্টিটা হলেও ফলন আরো ভালো হতো।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবারে মোট একলাখ ৪৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। গতবার ছিল একলাখ ৩১ হেক্টর। 
পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপরিচালক আব্দুল মতিন জানান, আগাম জাতের ধান শতভাগ শেষ হয়েছে। এখন সব ধান কাটা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫% আমন কাটা হয়েছে। মৌসুমের শেষে বৃষ্টিপাতের কারণে দেরী হচ্ছে।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত