36 C
Dhaka
Monday, September 28, 2020
No menu items!
More

    করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা পরিষদ যা করতে পারে

    ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ
    করোনা ভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতীয় সরকারের সাথে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে স্থানীয় সরকারগুলো। স্থানীয় পর্যায়ে জনগনকে সেবা প্রদানে নিয়োজিত সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকান্ডকে প্রভাবিত করার আইনগত ক্ষমতা থাকায় স্থানীয় সরকারগুলোর মধ্যে উপজেলা পরিষদ এক অনন্য অবস্থানে আছে।

    মহানগরে কর্মরত সরকারি দপ্তরের উপর সিটি কর্পোরেশনের, জেলায় কর্মরত সরকারী দপ্তরে জেলা পরিষদ কিংবা পৌরসভার, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত সরকারী দপ্তরের উপর ইউনিয়ন পরিষদের আইনগত ভাবে কোন নিয়ন্ত্রন না থাকলেও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত ১৭ টি সরকারী দপ্তরের উপর উপজেলা পরিষদের সরাসরি নিয়ন্ত্রন আছে।

    উদাহরন হিসেবে বলা যায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,সিভিল সার্জনের কার্যালয় কিংবা জেলাস্থ জেনারেল হাসপাতাল জেলা পরিষদের অধিনস্থ নয়,ইউনিয়ন কমিউনিটি হাসপাতাল ইউনিয়ন পরিষদের অধিনস্থ নয়। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় (আংশিক),উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত ১৭টি বিভাগ সরাসরি উপজেলা পরিষদের অধিনস্থ।

    এই অনন্য সাংগঠনিক কাঠামোর কারনে উপজেলা পরিষদের সুযোগ রয়েছে জাতীয় সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মরত সকল বিভাগের মধ্যে সমন্বয় করে স্বল্প ও মাঝারী মেয়াদী কর্মসূচি গ্রহণ করে করোনা সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখার।কিন্তু পত্র পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়ায় খবর অনুযায়ী উপজেলা পরিষদগুলো এটা না করে জাতীয় সরকার কতৃক প্রেরিত চাউল বিতরণে ব্যাস্ত থাকছেন।জনপ্রতিনিধি হিসাবে জনগনের মাঝে চাউল বিতরণেউপজেলা চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যানগন উপস্থিত থাকতেই পারেন। কিন্তু এটা যেন একমাত্র কাজ না হয়।

    বন্যা পরিস্থিতির ত্রাণ আর করোনা সৃষ্ট পরিস্থিতির ত্রাণের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। একটা বন্যাদূর্গত এলাকায় অনেক লোক জড়ো করে একজন উপরস্তরের জনপ্রতিনিধি ত্রাণ বিতরণ করতে গেলে ঐ এলাকার লোক ভরসা পান “যে আমাদের জনপ্রতিনিধি আমাদের পাশে আছেন”।কিন্তু করোনা সৃষ্ট পরিস্থিতিতে এই ধরনের ত্রাণ বিতরণ করোনা সংক্রমন অনেক গুন বাড়ানোর ঝুকি সৃষ্টি করবে। তাই একটা ইউনিয়ন পরিষদেএকসাথে ৩০০ পরিবারকে জড়ো করে ত্রাণ না দেয়া উত্তম। বরং প্রতিটিতে আধা দিন করে ৯ টি ওয়ার্ডে ৪/৫ দিনে এই ত্রাণ বিতরণ করা যেতে পারে । সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার ও ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে পরিষদথেকে খাদ্য সামগ্রী ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হবে। যাওয়ার সাথে সাথে সেখানে তাদের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্টইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যগণ এই ত্রাণ বিতরণ করতে পারেন। ওয়ার্ডেসকল ত্রাণ গ্রহিতা একসাথে আসবেন না,একেকসময়ে একেক জনকে আসতে বলা হবে। গানিতিক মডেল ব্যবহার করে দেখা গেছে ওয়ার্ডে ত্রাণ বিতরণ না করে ইউনিয়ন পরিষদে সকল ওয়ার্ড এক সাথে বিতরণ করলে ঐ এলাকায় করোনা সংক্রমনের ঝুকি ৩৬ গুন বেড়ে যায়। উপজেলা পরিষদ এই বিকেন্দ্রীকৃত ত্রাণ কার্যক্রম মনিটর করতে পারে।

    উপজেলা পরিষদের বড় সম্পদ গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে থাকা এরবিশাল কর্মী বাহিনী, এই আপৎকালীন সময়ে যার সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি গ্রামে গড়ে ৪/৫ জন করে একটা উপজেলায় প্রায় ৪/৫ শত প্রাইমারী শিক্ষক, দেড় শত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মী রয়েছেন। মানুষকে ঘরে রাখার জন্য উল্লেখিত ৪/৫ জনের নেতৃত্বে প্রতি গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা যায়। স্বেচ্ছাসেবকদের উপজেলা পরিষদ পর্যাপ্ত মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাবস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করবে। স্বেচ্ছাসেবকরা গ্রামে যেখানে মানুষের জটলা হয়, জটলার সময় সেখানে যেয়ে মানুষকে ঘরে থাকতে উদ্বুদ্ধ করবেন। স্বেচ্ছাসেবকরা ভিডিও কলের মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যানদের সংযুক্ত করবেন এবং জণসাধারনকে তাদের উদ্বুদ্ধকরন বক্তব্য শুনাবেন। ঘরে বসে ব্যাপক গণসংযোগ করতে পারায় জনপ্রতিনিধিদের এখানে উৎসাহ থাকবে। স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষনিকভাবে এই জটলার স্থানগুলো নজরদারি করবেন এবং জনসমাগম হলেই ভিডিও কলের মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যানদের সংযুক্ত করে জটলা সৃষ্টি কারীদের উদ্বুদ্ধকরন বক্তব্য শুনিয়ে তাদের ঘরে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন। উপজেলা চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যানগণ এলাকা ভাগ করে এই উদ্বুদ্ধকরন কার্যক্রম মনিটর করবেন।

    একটি মাঝারী আয়ের উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিলে এই সময় দেড় থেকে দুই কোটি টাকা থাকার কথা। পরিষদগুলো সধারনত ফেব্রুয়ারীর শেষে এই তহবিলে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলোর জন্য দরপত্র আহবান করে এবং এপ্রিলের শুরুতে কার্যাদেশ প্রদান করে থাকে। সেই হিসেবে এই অর্থ বছরে এখনো কার্যাদেশ প্রদান করা হয়নি। কার্যাদেশ প্রদান করা হলে ও করোনা পরিস্থিতির কারনে এই অর্থ বছরে এই সকল প্রকল্পবাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। তাই প্রকল্পগুলো পিছিয়ে পরবর্তী বছরে বাস্তবায়ন করে ঐ অর্থ বছরের আয় থেকে বিল পরিশোধ করা যায়। সেক্ষেত্রে উন্নয়ন তহবিলের পুরা টাকা করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যয় করা যায়। এতে দেশব্যাপি জাতীয় সরকারের এক হাজার কোটি টাকা খরচের সমান ফল পাওয়া যাবে।

    এ টাকা দিয়ে উপজেলা পরিষদ যা করতে পারে:

    ১। করোনা পরিক্ষার জন্য স্বাস্থ্য কর্মীরা উপজেলায় প্রতিদিন গড়ে ৭/৮ টি নমুনা সংগ্রহ করে তা সিভিল সার্জন অফিসে পৌছান। উন্নয়ন তহবিল থেকে“করোনা ভাইরাস পরিক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহে উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মীদের লজিস্টিক সাপোর্ট”নামে দুই লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ ও পি আইসির মাধ্যেমে তা বাস্তবায়ন করে উপজেলা পরিষদ এই নমুনা সংগ্রহে সহযোগীতা করতে পারে। এই টাকা দিয়ে তিন মাসের জন্য ড্রাইভার/জ¦ালানী সহ একটি গাড়ী ভাড়া করা যায়। পি আইসির সভাপতি গাড়ীর মালিকের সাথে সম্পাদিত একটি চুক্তির মাধ্যেমে এই বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এই গাড়ী ব্যবহার করে স্বাস্থ্য কর্মীরা বিভিন্ন রোগির বাড়ী থেকে নমুনা সংগ্রহ করবেন এবং তা সিভিল সার্জন অফিসে পৌছাবেন । এতে দিনে ৬/৭ ঘন্টা ব্যয় হবে। এই ৬/৭ ঘন্টা স্বাস্থ্য কর্মীরা গাড়ীটি ব্যবহার করবেন। বাকী সময় পুলিশ এটি ব্যবহার করে জন সমাগম বন্ধে টহল দিতে পারেন।

    ২। বর্তমানে প্রতিটি নমুনা সংগ্রহে চার সেট ওয়ান টাইম ইউজ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে। ভাল মানের সুরক্ষা সামগ্রী হলে এটি দুই সেটে নামিয়ে আনা যায়। গড়ে প্রতিদিন ৭/৮ টি নমুনা সংগ্রহে ১৫ সেট ভাল মানের সুরক্ষা সামগ্রী দরকার হয়।প্রতিদিন ১৫ সেট,মাসে ৪৫০,তিন মাসে১৩৫০ সেটভাল মানের সুরক্ষা সামগ্রী প্রয়োজন, যার আনুমানিক মূল্য ১৩,৫০,০০০টাকা। উপজেলা পরিষদ উন্নয়ন তহবিলের টাকা দিয়ে এই সামগ্রী কিনে দিতে পারে। টেন্ডারের মাধ্যমে এখন এটি সম্ভব না বলে,বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিটি ৪,৫০,০০০/= টাকার তিনটি আলাদা প্রকল্প করে আর এফ কিউ প্রক্রিয়ায় এই ক্রয় ও সরবারহ সম্পন্ন করা যায়। উল্লেখ্য এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা মূল্য মানের এক অর্থ বৎসরে সর্বোচ্চ চারটি ক্রয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়।

    ৩। করোনা রুগীর সংখ্যা ভবিষ্যতে আরো অনেক বেড়ে গেলে তাদের সকলকে বিভাগীয় কিংবা জেলাশহরের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তাই ভবিষ্যতের জন্য উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতাল প্রস্তুত করার কাজ এখনই শুরু করা উচিত। উপজেলা পরিষদের উদ্দোগেউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ শয্যার একটি করোনা চিকিৎসা ওয়ার্ড প্রস্তুত করার কাজ শুরু করা যায়। যেহেতু বর্তমানে হাসপাতালে অন্যান্য রোগির সংখ্যা তুলনামূলক কম। তাই ওয়ার্ডগুলোকে পুর্নবির্ন্যাস করে একটি ওয়ার্ডকে করোনা ওয়ার্ড করা যায়। উপজেলা পরিষদ উন্নয়ন তহবিল থেকে এই ওয়ার্ড প্রস্তুত করা ও এর চিকিৎসকদের সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহের ব্যয় নির্বাহ করতে পারে। এখানে ও টেন্ডার করা সম্ভব না হলে আর এফ কিউ প্রক্রিয়ার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়। উল্লেখ্য পূর্বের আর এফ কিউ প্রক্রিয়া ছিল প্রকল্প (ক্রয়) আর এটি প্রকল্প (কাজ)।

    ৪।প্রতিটি উপজেলা পরিষদ উন্নয়ন তহবিল দিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ওয়ার্ডে আনুমানিক বিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি ভেন্টিলেটর স্থাপন ও প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার করতে পারে এবং চিকিৎসা কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে পারে। এটি আর এফ কিউ এর মাধ্যেমেবাস্তবায়ন সম্ভব না বলে টেন্ডার প্রক্রিয়ার সময় বাচানোর জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমতি নিয়ে ডি পি এম প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন করা যায়।পরিক্ষা, নিরিক্ষা ও গবেষনার মাধ্যমে করোনা চিকিৎসার নতুন কোন পদ্ধতি পাওয়া গেলে তার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এই তহবিল থেকে ক্রয় করা যায়।

    ৫। উপজেলা পরিষদের জাইকা প্রকল্পে দশ লক্ষ টাকা মানব সম্পদ উন্নয়নে ব্যয় করার বিধান আছে। বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই প্রকল্প থেকে অটো ও সি.এন.জি চালকদের প্রশিক্ষন নামে উপ প্রকল্প গ্রহণ করে তাদেরকে অনলাইন ভিডিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষন দেয়া যায়। তিন দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষনে প্রায় এক হাজার অটো ও সি.এন.জি চালককে দৈনিক ভাতা হিসাবে তিনশত টাকা করে মোট নয়শত টাকা প্রতিজনকে দেয়া যায়। এতে প্রায় নয়শত পরিবারের প্রায় পাচঁ দিনের খাদ্যের সংস্থান হবে। জেলা পর্যায়ের সড়কগুলো কম ব্যস্ত থাকায় ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা এখন তুলনামূলক কম। তাদেরকে দিয়ে এই প্রশিক্ষন কর্মসূচী পরিচালনা করা যায়। প্রতি গ্রামে শিক্ষকদের দ্বারা গঠিত স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে প্রশিক্ষনকালীন সময়ে অটো ও সি.এন.জি চালকদের অনলাইন ভিডিওতে সংযুক্ত করা যেতে পারে।

    ৬। উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের “অপ্রত্যাশিত খাতে ব্যয়” খাত থেকে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষকে খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করে বিতরণ করার সুযোগ আছে। যেহেতু পরিষদগুলো ইতোমধ্যে নতুন বাংলাবছরের হাট বাজার ইজারাকৃত টাকা পেয়েছে, তাই এই তহবিলে যথেষ্ট টাকা আছে।

    ৭। উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন বাজেটে “সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা” ও “দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ” নামে দুটি খাত আছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমতি নিয়ে এই দুই খাত থেকে সাময়িক অভাবগ্রস্থ পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা দেয়া যেতে পারে ।

    সর্বোপরি উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগন এলাকার সকল ধন্যাঢ্য ব্যক্তিদের সহযোগিতা নিয়ে “উপজেলা ঐক্য তহবিল” নামে বেসরকারী তহবিল গঠন করতে পারেন। হট লাইন স্থাপন করে এর মাধ্যমে মানুষের চাহিদা জেনে এই তহবিল থেকে খাদ্য সহযোগীতা দেয়া যায়। উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিস এই তহবিলের আয় ব্যয়ের হিসাব রাখবেন।স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার স্বার্থে প্রতিদিনের দানের পরিমান নামসহ সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার করবে। এছাড়া কোথায়,কার মাধ্যমে কত খাবার প্রেরণ করা হলো তার হিসাব সোস্যাল মিডিয়ায়প্রচার করলে মানুষ দানে উৎসাহিত হবে বলে বিশ্বাস করা যায়।

    বাঙ্গালী বীরের জাতি। যেকোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় তাদের ধৈর্য, সাহস আর কর্মযজ্ঞ বিশ্বসেরা। সরকার, স্থানীয় সরকার ও বেসরকারী পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কিংবা ব্যক্তিগত উদ্দোগ মিলে আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করে আবার মাথা তুলে দাড়াবো ইনশাল্লাহ।

    ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ
    সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান
    টংগিবাড়ী,মুন্সীগঞ্জ।

    সর্বশেষ

    সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মাহবুবে আলমের জানাজা সম্পন্ন

    নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এখন তাকে দাফনের জন্য নেয়া হবে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের সম্মানে আজকে সুপ্রিম কোর্ট বসছে না

    নিউজ ডেস্ক: অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের সম্মানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম...

    অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের মুঠোফোন জব্দ করেছে এনসিবি

    বিনোদন ডেস্ক: গত (২৬ সেপ্টেম্বর) টানা পাঁচ ঘণ্টা জেরার পর বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের মুঠোফোন জব্দ করেছে ভারতের নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)।...

    তারা এখন আসাদ-সুবর্ণা জুটি!

    বিনোদন ডেস্ক: গল্পটা সত্তর দশকের। দরকার একটু পুরনো সময়ের বাড়িঘর, মানুষ ও তাদের নামটাও। সে কারণে মাহিয়া মাহি ও জিয়াউল রোশান এখন...

    ছেলের জন্মদিনে শাকিব খানের আবেগী শুভেচ্ছাবার্তা

    বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউডের শীর্ষ দুই তারকা শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের পুত্র আব্রাম খান জয়। বাবা-মা সূত্রে পেয়েছে তারকা খ্যাতিও। ২০১৭ সাল...