36 C
Dhaka
Tuesday, August 4, 2020
No menu items!
More

    করোনা এবং আমাদের দায়িত্বশীলতা

    মহিউদ্দিন খান মোহন
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পরে এর আগে গোটা পৃথিবী এমন বিপর্যয়ে পড়েনি। বিশ্বযুদ্ধ কয়েকটি শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে সীমিত থাকেলেও তার প্রভাব পড়েছিল গোটা বিশ্বজুড়েই। তেমনি গত একেবারে বছরের শেষ প্রান্তে চীনের উহান প্রদেশে করোনাভাইরাস নামে যে প্রাণঘাতী রোগটির উৎপত্তি, তা আজ পৃথিবীজুড়ে সৃষ্টি করেছে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি। অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তা ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে তা আমেরিকায়ও থাবা বসিয়েছে। রোগটির ভয়াবহতা সম্বন্ধে অবগত হতে এখন আর কারো বাকি আছে বলে মনে হয় না। ফলে বিশ্বজুড়েই সৃষ্টি হয়েছে এক আতঙ্ক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সপ্তাহ তিনেক আগেই এটাকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী (২৪ মার্চ) বিশ্বের ১৯৫ টি দেশে করোনা বিস্তার লাভ করেছে। এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ৯ হাজার। মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ২৬২ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৭৩ জন। সবচেয়ে মারাত্মক খবর হলো, যে চীনে এর উৎপত্তি, মৃত্যুর হিসাবে তাকে ছাড়িয়ে গেছে ইতালি। সেখানে মৃত্যু ঘটেছে ৬ হাজার ৮২০ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯ হাজার ১৭৬। এ সংখ্যা চীনের দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে স্পেনে মারা গেছে ২ হাজার ৮ শ’ জন। এ নিবন্ধ প্রকাশের আগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বত্র করোনা পরিস্থিতির হয়তো আরো অবনতি ঘটতে পারে। বাড়তে পারে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।

    শঙ্কার বিষয় হলো, এখনো আবিষ্কার হয়নি করোনার প্রতিষেধক। তবে, সংবাদ সংস্থার বরাতে জানা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা এর প্রতিষেধক আবিস্কারের জন্য জোর গেবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। হয়তো অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের হাতের নাগালে এসে যাবে করোনাকে নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা। তাবে, এ মুহূর্তে সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করাই এ জীবন হরণকারী রোগের হাত থেকে রেহাই পাবার একমাত্র উপায়। আর সেজন্য প্রতিটি দেশের সরকার জনসাধারণকে সচেতন হওয়া এবং জীবনযাত্রায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য সতর্ক করে দিচ্ছে।

    বৈশ্বিক এ মহামারীর থাবা থেকে রেহাই পাইনি আমরাও। করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পরপরই এ বিশেষজ্ঞগণ এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। পরামর্শ দেওয়ো হয়েছিল প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের। কিন্তু সে সতর্কতা অবলম্বনে আমরা বেশ দেরি করে ফেলেছি। যেহেতু এটা আগেভাগেই জানা গিয়েছিল, করোনা আছে এমন দেশ থেকে প্রত্যাগত ব্যক্তিদের মাধ্যমে রোগটি ছাড়ানোর আশঙ্কা বেশি, তাই বিদেশ থেকে যারা আসবেন, তাদেরকে কঠোর কোয়ারেন্টাইনে রাখা দরকার ছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি, বিদেশ প্রত্যাগতরা বাড়িতেই একাকী থাকার (হোম কোয়ারেন্টাইন) মৌখিক ওয়াদার বিনিময়ে বিমানবন্দর দিয়ে কত সহজে দেশে প্রবেশ করেছে এবং ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন অঞ্চলে। এ অসতর্কতার কারণে দেশে এখন করোনার ঝুঁকি যে বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে তা না বললেও চলে। সরকারি হিসাব মতে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯, তাদের মধ্যে পাঁচজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। আর মৃত্যুবরণ করেছে ৪ জন (২৪ মার্চ পর্যন্ত)।

    করোনাভাইরাসটি মানুষের সংস্পর্শ ছাড়া ছড়াতে পারে না এটা প্রমাণিত। তাই শুরু থেকেই করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের জনসংস্পর্শে আসতে বারণ করা হচ্ছিল। লক্ষণীয়, চীন এ ভয়ঙ্কর ব্যাধিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য গোটা একটি প্রদেশকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল। করোনা প্রতিরোধে চীনের পদক্ষেপের কার্যকারিতা এখন প্রমাণিত। নতুন করে সেখানে আর কেউ আক্রান্ত হচ্ছে না। হয়তো অল্পদিনের মধ্যেই তারা তাদের দেশকে করোনামুক্ত ঘোষণা করবে। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের অবস্থা কী এ প্রশ্ন সঙ্গত কারণেই উঠেছে। যত কথাই বলা হোক না কেন, এটা ঢেকে রাখা যাবে না যে, শুরুতে আমারা করোনা সম্পর্কে যথেষ্ট উদাসীনতা দেখিয়েছি। ভাইরাসটি দ্রুত যখন প্রসার লাভ করছিল, তখন অনেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কোনো এক অজানা কারণে সেটা নেওয়া হয়নি। সরকারের কয়েকজন প্রগলভ মন্ত্রীর কিছু অপ্রয়োজনীয় বাক্য নিক্ষেপ ছাড়া তেমন কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয়নি। এমন কি বিমানবন্দরেও তেমন সতর্কতা ছিল না। ফলে বিদেশ প্রত্যাগতরা বিনা বাধায় কোনো রকম পরীক্ষা ছাড়াই দেশে প্রবেশ করতে পেরেছে। এখন বোঝা যাচ্ছে, তারা কী পরিমাণ ভাইরাস বহন করে এনেছে। আমরা যে, সচেতন জাতিতে এখনও পরিণত হতে পারিনি, এ থেকে তা আরেকবার প্রমাণিত হলো। যেদিন ইতালি থেকে আগত যাত্রীরা কোয়ারেন্টাইনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে বিমানবন্দরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে রীতিমত মল্লযুদ্ধ বাঁধিয়ে দিতে উদ্যত হয়েছিল, সেদিন সবাই বিস্মিত হয়েছিলেন। কোয়ারেন্টাইনে থাকাটা যে তাদের এবং তাদের স্বজন-পরিজনদের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ তা তাদেরকে বোঝানো যায়নি। তারপর তারা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার ওয়াদা করে যার যার বাড়ি চলে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের সিংহভাগই যে কোয়ারেন্টাইনের নিয়মাবলী একেবারেই পালন করেনি, পরবর্তীতে গণমাধ্যমে তার সচিত্র প্রতিবেদন আমরা দেখেছি। তারা কেউ নির্বিকার ঘুরে বেরিয়েছেন গ্রামে-গঞ্জে, হাটে-মাঠে, পথে- ঘাটে, কেউ বা পরিবার নিয়ে বেড়াতে চলে গেছেন শ্বশুরবাড়িতে। ইতালি থেকে আসা করোনাবাহী মাতা-পুত্রের বিয়েবাড়িতে গমনের ফলে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা এখন আইসোলেশনের মুখে। এর আগে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার এক বিরাট এলাকায়ও একই ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। করোনাভীতি ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবকদের মধ্যে থেকে দাবি উঠেছিল স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার। কয়েকদিন কালক্ষেপণ করে ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অথচ দেখা গেল স্কুল বন্ধ করার দাবিতে সোচ্চার অভিভাকদের কেউ কেউ সপরিবারে বেড়াতে চলে গেছেন কক্সবাজার-কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে! টেলিভিশনের খবরে যখন দেখা গেল, একজন অভিভাবক বলছেন- লম্বা ছুটি পেলাম তাই ওদেরকে নিয়ে বেড়াতে চলে এলাম; তখন কপাল চাপড়ে বলতে ইচ্ছে করছিল, এ কোন দেশে আছি আমরা! এরা কারা, যারা নিজেদের ভাল-মন্দ বোঝে না? স্কুল ছুটি দেওয়া হয়েছে শিশুদের যাতে জনসমাগমে যেতে না হয় সে সতর্কতার অংশ হিসেবে, বেড়াবারে জন্য তো নয়। এসব ঘটনা কী আমাদের দায়িত্বশীলতার অভাবকে প্রমাণ করে না?

    এবার আসা যাক, করোনা মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে। মুখে অস্বীকার করলেও এটা মিথ্যে হয়ে যাবে না যে, এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ দক্ষতা এবং যথাযথ কার্যক্ষমতার প্রমাণ দিতে পারেনি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি দেখে তা মোকাবেলার প্রস্তুতি আরো আগেভাগেই নেওয়া উচিত ছিল। চীন সাত দিনে একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল তৈরি করতে পারলেও আমাদের তো সে সক্ষমতা নেই। কিন্তু প্রথমদিকে মন্ত্রী মহোদয়রা বাস্তবতা বিবর্জিত কথাবার্তা বলে সময় নষ্ট করা ছাড়া কার্যত আর কিছুই করেন নি। বেশ কয়েকদিন তো এ বিষয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক মহোদয়ার প্রমিত বাংলা উচ্চারণে বিশ্ব করোনা পরিস্থিতির বর্ণনা ছাড়া আর কিছুই শোনা যায়নি, চোখেও দেখা যায়নি। তবে, করোনা যখন তার বীভৎস চেহারা দেখিয়েছে, তখনই টনক নড়েছে সরকারের। এদিক সেদিক ছোটছুটি শুরু হয়েছে করোনা মোকাবেলার সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য। এরই মধ্যে আশার আলো জ্বেলেছে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত সংস্থা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সংস্থাটির গবেষকরা উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন করোনা শনাক্ত করার কিট। এ ক্ষেত্রে আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগ সময় ক্ষেপন না করে দ্রুত তা উৎপাদন এবং কাঁচামাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। খুব শিগগিরই তা উৎপাদন এবং সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র জানিয়েছে।

    এদিকে করোনা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজনদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে লেজেগোবরে অবস্থা। যাদের নিজ দায়িত্বে কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, তারা সেটা পালন করেনি। ফলে বিদেশ প্রত্যাগত এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া জরুরি হয়ে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে স্থান সংকট। যদিও আশকোনার হজক্যাম্প ও দিয়াবাড়ির কয়েকটি এ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং রেডি করা হয়েছে। তবে, পরিস্থিতি অবনতি হলে তাতে স্থান সংকুলান হবে কীনা সন্দেহ রয়েছে। অপরদিকে দেশের হাসপাতালগুলোতে বিরাজ করছে বেহাল অবস্থা। কোথাও করোনা চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এমন কি করোনারোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্স-স্টাফদের সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থাও করা হয়নি। খবরে প্রকাশ, করোনা শনাক্তের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক চিকিৎসক সাধারণ সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্তদের চিবিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন। কয়েকদিন আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ডাক্তারদের সুরক্ষার জন্য পিপিই (পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) না থাকায় এক সময় চিকিৎসক সংকট সৃষ্টি হতে পারে। গত ২৩ মার্চ বাংলাদেশের খবর এক প্রতিবেদনে লিখেছে, করোনা চিকিৎসার জন্য কয়েকটি হাসপাতালকে প্রস্তুত করা হলেও চিকিৎসা সরঞ্জামের কোনো খবর নেই। এ প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চাহিদার ভিত্তিতে মহানগর জেনারেল হাসপাতালকে করোনা ইউনিট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ রোগের চিকিৎসার জন্য যেসব উপকরণ দরকার তা আমাদের কাছে নেই। এজন্য আমরা একটি চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।’ করোনার আগ্রাসন মোকবেলার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব যে মন্ত্রণালয়ের, সে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে পরিচয় দিয়ে চলেছে চরম অদক্ষতার। তারা পরিস্থিতি মোকাবেলায় তেমন কোনো পদক্ষেপই শুরু থেকে নেয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয় গণমাধ্যমে যেসব কথাবার্ত বলেন, তা কেবল দেশবাসীর বিরক্তিই উৎপাদন করছে।

    এটাও সত্যি যে, করোনা মোকাবেলায় সরকারের পাশপাশি আমাদের নাগরিকদের একটি বড় অংশের দায়িত্বশীলতার অভাব প্রকটভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও এরা অসতর্ক রয়ে গেছেন, বাড়িয়ে তুলছেন রোগটির ভয়ঙ্কর সংক্রমনের আশঙ্কা। আর এ পরিস্থিতিতে এপ্রিলে এ মহামারী চরম আঘাত হানতে পারে- এমন আভাস সঙ্গত কারণেই সবাইকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত সরকার অবশ্য ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সব অফিস-আদালতে সাধরণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে মোতায়েন করেছে। তবে, সরকারের পদক্ষেপ সফল হওয়া অনেকটাই নির্ভর করে জনসাধারণের ভুমিকার ওপর। যে সঙ্কটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমরা, তা মোকাবেলার জন্য সবারই দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। সেটা সরকারি কর্মকর্তাদের যেমন, সাধারণ মানুষেরও তেমনি।

    লেখক: সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

    সর্বশেষ

    লৌহজংয়ের কনকসারে ত্রান বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া

    নিউজ ডেস্ক: সোমবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কনকসার ইউনিয়নস্থ আশ্রয়কেন্দ্র "কনকসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়'' পরিদর্শন ও ত্রান বিতরন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব...

    শ্রীনগরে নৌভ্রমনে গিয়ে মদপানে ১৪ বছরের কিশোরের মৃত্যু

    মো:নজরুল ইসলাম ,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: শ্রীনগরে নৌভ্রমনে গিয়ে মদ পান করে ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। গত ২ আগস্ট রোববার সন্ধ্যা...

    করোনাভাইরাসকে উপেক্ষা করে প্রখ্যাত আলেম মুর্শিদুলের জানাজায় মানুষের ঢল

    নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসকে উপেক্ষা করে প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ও কক্সবাজারের রামুর অফিসেরচর ইসলামিয়া কওমিয়া কাছেমুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মুফতি মুর্শিদুল আলম...

    শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারলে দুর্যোগ মোকাবেলা সম্ভব : তথ্যমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্ক: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমাদের দেশের বিরোধী দল ঘরের মধ্যে বসে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে টেলিভিশনে উঁকি দিয়ে কথা বলে,...

    শাজাহানপুরে সিদ্দিক হত্যা মামলার আসামিদের ৪ মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ

    সজিবুল আলম সজিব শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি: বগুড়ার শাজাহানপুরে দীর্ঘ ৪ মাসেও গ্রেফতার হয়নি বিদেশ ফেরত যুবক আবু বক্কর সিদ্দিক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সন্ত্রাসী...