36 C
Dhaka
Sunday, September 27, 2020
No menu items!
More

    অবরুদ্ধ সময়ের ভাবনা

    মহিউদ্দিন খান মোহন
    একরকম অবরুদ্ধ জীবন কাটতে হচ্ছে সবাইকে। প্রাকৃতিক এক ভয়ঙ্কর দুর্যোগ হঠাৎ গোটা পৃথিবীকে প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ নিবন্ধটি লেখা পর্যন্ত (৭ এপ্রিল) সারাবিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ। মৃত্যুর এই ক্রমবর্ধমান মিছিল সবাইকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তুলেছে। এতদিন যারা গোটা বিশ্বকে নিয়ে খেলাধুলা করতেন, সেসব পারাশক্তিও আজ করোনাকে সামাল দিতে গলদঘর্ম। পারমানবিক শক্তিতে বলীয়ানরাও আজ অসহায়।

    এ যেন এক অপার্থিব যুদ্ধ। কমন এক শত্রুর বিরুদ্ধে সবাই যুদ্ধরত। এ শত্রু অবয়বহীন। কিন্তু অতিশয় শক্তিধর। আবিষ্কৃত কোনো অস্ত্রই একে মোকবিলা করতে সক্ষম নয়। হোক তা পারমানবিক বা নিউট্রণ বোমা কিংবা মিসাইল। কোনো মারণাস্ত্রই এর মেকাবিলায় কাজে আসবে না। গত এক শতাব্দীতে বিজ্ঞান এগিয়েছে সবচেয়ে বেশি। সে সাথে এগিয়েছে মানবসভ্যতাও। সে সভ্যতা আজ হুমকির মুখে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষ যে এখনো প্রকৃতির কাছে অসহায়, করোনা তা আমাদেরকে আবারো স্মরণ করিয়ে দিল।

    গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের অংশ হিসেবে আমরাও এর বাইরে থাকতে পারিনি, থাকা সম্ভবও নয়। পৃথিবী এখন মানবদেহের মতো। এর একটি অংশে সমস্যা সৃষ্টি হলে অবশ্যাম্ভাবীভাবে তা অন্য অংশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফলে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে যখন করোনার উৎপত্তি ঘটে, ¯^াস্থ্যবিজ্ঞানীরা তখনই হুসিয়ার করে দিয়েছিলেন বিশ্ববাসীকে- এ ব্যধি গোটা বিশ্বকে গ্রাস করবে। তারা এর থেকে বাঁচার উপায়ও বলে দিয়েছিলেন। সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকাই এর থাবা থেকে নিস্তার পাবার প্রধান উপায়।

    আমাদের দেশে করোনা যাতে মহামারীর রূপ নিতে না পারে, সেজন্য সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। জারি করেছে কিছু নির্দেশনাও, যেগুলি জনসাধারণের জন্য অবশ্য পালনীয় । কিন্তু সরকারের সেসব নির্দেশনা শতভাগ কার্যকর হচ্ছে না আমাদের জনসাধারণের একটি অংশের উদাসীনতা কিংবা অবজ্ঞার জন্য। আমরা যে কতটা অসচেতন জাতি তার প্রমাণ এবার নতুন করে পাওয়া গেল। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু মানুষ নির্বিকার ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তা-ঘাটে। জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছে পাড়া-মহল্লার মোড়ে মোড়ে। তাদের এ নির্বিকারত্ব দেশের জন্য কী সর্বনাশ বয়ে আনতে পারে বোধকরি সেটা তাদের উপলব্ধিতে নেই। সরকার নিষেধ করেছে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে। কিন্তু তারা কোনো প্রয়োজন ছাড়াই শুধু বের হওয়া নয়, ছুটে বেড়াচ্ছে এখানে সেখানে। পুলিশ-র‌্যাব বুঝিয়ে সুঝিয়েও পারছে না তাদেরকে ঘরে ফেরাতে। অবাক করা বিষয় হলো, এরা নিজের, পরিবাবের এবং প্রতিবেশীর ভালো-মন্দ সম্বন্ধেও উদ্বেগজনকভাবে উদাসীন। প্রথম দু-তিনদিন রাস্তায় লোকজন কম ছিল। কিন্তু তারপরই বদলে যায় পরিবেশ। শত শত মানুষ রাস্তায় হাঁটছে নির্বিকার। মুখে মাস্কটি পর্যন্ত নেই অনেকেরই। শুধু ঢাকা নয়, পুরো দেশেই একই চিত্র। এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে পরিণতি সম্বন্ধে কেউ উদাসীন থাকতে পারে ভাবাই যায় না। ঢাকার বাইরেও একই অবস্থা। সড়ক-মহাসড়ক বন্ধ আছে ঠিকই। তবে, পাড়া-মহল্লার রাস্তার মোড়ের দোকানে আসর গুলজার করার লোকের অভাব নেই। খবর নিলাম আমার এলাকার (মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর)। উপজেলা সদরে প্রশাসনের নির্দেশে দোকানপাট বন্ধ আছে ঠিকই, তবে কাঁচাবাজারে লোক গমগম করছে। সে সাথে বটতলার চায়ের দোকানে ধুন্ধুমার অড্ডা চলছেই। খোঁজ নিলে দেখা যাবে এমন অবস্থা শহর-মফ¯^লের অনেক জায়গাতেই। এ চিত্র আমাদের জনসাধারণের একটি অংশের অসচেতনতা ও অপরিনামর্শিতারই প্রমাণ। তাদের এই অসতর্কতা, অসচেতনতা এবং রোগকে অবজ্ঞা করার অদ্ভ‚ত মানসিকতা যে সবাইকে ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিতে পারে, তা যেন তারা বুঝতে চান না।

    এরই মধ্যে কেউ কেউ সরকারের সমালোচনায়ও মুখর হওয়ার চেষ্টা করছেন। সরকার কেন আরো আগে ব্যবস্থা গ্রহণ করলো না, কেন করোনা টেস্টিং কিট আনতে দেরি হলো ইত্যাদি সব প্রশ্ন তুলে সরকারকে তীরবিদ্ধ করার চেষ্টা। কিন্তু নির্মোহ দৃষ্টিতে দেখলে সরকারের চেষ্টার ত্রæটি খুব কমই চোখে পড়বে। সবাই সরকারের ওপর দোষ চাপাতে তৎপর। সরকার তো তার দায়িত্ব পালন করবেই, কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদেরও যে দায়িত্ব আছে, তা আমরা ভুলে যাই কেন? কেন আমরা উপলব্ধি করতে পারছি না কী ভয়ঙ্কর সঙ্কটের মুখোমুখি আমরা। করোনার এই আঘাত আমাদেরকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে তা কী আমরা অনুমান করতে পারছি? শিল্প-কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে আছে। বন্ধ হয়ে গেছে আমদানী-রফতানি। দোকান-পাট বন্ধ থাকায় কর্মজীবী মানুষের আয়-রোজগার বন্ধ। নিত্য শ্রম বিক্রি করে যারা জীবন ধারণ করে তাদের অবস্থা আরো শোচনীয়। রিকশাচালক, মুটে-মজুরদের উপোস থাকার অবস্থা। সরকার চেষ্টা করছে এ ধরনের পরিবারগুলোকে খাদ্য সাহায্য দেওয়ার। সেখান থেকে আসছে আরেক দুঃসংবাদ। কতিপয় বিবেকহীন অসৎ লোক এই দুঃসময়েও গরীবের মুখের গ্রাস কেড়ে খাওয়ার পাঁয়তারায় লিপ্ত। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এ ধরনের বেশকিছু খবর গণমাধ্যমে এসেছে। দীর্ঘ সময়ে দেশের অনেক কিছু বদলালেও এক শ্রেণির মানুষের স্বভাব যে বদলায়নি তা স্পষ্ট।

    এরই মধ্যে পোশাকশিল্প মালিকরা ঘটালেন এক তুঘলকিকান্ড। বানিজ্যমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করে তারা ঘোষণা দিলেন, ৫ এপ্রিল থেকে রপ্তানিমুখী সব পোশাক কারখানা খোলা থাকবে। অথচ, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী তা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকার কথা। এ ঘোষণার পর পোশাক শ্রমিকরা বেতন নিতে ও চাকরি বাঁচাতে ছুটে এলেন রাজধানী ও গাজীপুরে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও পোশাকশিল্প মালিকরা কী করে কারখানা খোলার ঘোষণা দিলেন তা ছিল এক বিস্ময়কর ব্যাপার। দেশবাসী আরো অবাক হলো পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতির এ সংক্রান্ত বক্তব্য শুনে। সংগঠনের সভাপতি রুবানা হক যখন টেলিভিশন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না বলছিলেন, তখন প্রশ্ন জেগেছে তাহলে কারখানাগুলো খোলার হুকুমদাতা কে বা করা? লাখ লাখ পোশাক শ্রমিকের কারখানাগুলোতে উপস্থিতি যে করোনার ঝুঁকিকে প্রবলতর করতে পারে, এটা কি তাদের মাথায় ছিল না? দুর্ভাগ্য আমাদের, ওই ঘটনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে হয়। সরকারের নিষোধাজ্ঞা অমান্য করে যারা কারখানা খোলার নোটিশ জারি করলো, তাদের কোনো জবাবদিহি করতে হবে, নাকি এ গুরুতর ঘটনাটি আলোচনা-সমালোচনার চাদরেই ঢাকা পড়ে যাবে, তা আমরা জানিন না।

    করোনার এ ধাক্কা শুধু বাংলাদেশ নয, সারা বিশ্বকেই বেসামাল অবস্থায় উপনীত করেছে। বড় বড় দেশগুলোর সরকার এ মহাবিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার উপায় খুজে বের করতে হন্যে হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা হুসিয়ারি উচ্চারণ করেছেন, এক মহামন্দার কবলে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব। সে মহামন্দার ঢেউ যে আমাদেরকেও আঘাত করবে তা না বললেও চলে। ইতোমধ্যে সে আসন্ন সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। এ প্রণোদনা যাবে কপর্দকহীন দিনমজুর থেকে শুরু করে বিত্তশালী ব্যবসায়ী-শিল্পপতি পর্যন্ত; যার যেমন প্রয়োজন। পোশাক শিল্পের জন্য আগেই পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও এই প্রণোদনা নিয়ে কথা আছে। বলা হয়েছে, এই অর্থ ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জসহ এক সময় ফেরত দিতে হবে। সাধারণত প্রণোদনার অর্থ কখনো ফেরত নেওয়া হয় না। সে হিসেবে এটাকে আপদকালীন বিশেষ অর্থ সহায়তা বলাই শ্রেয়। তবে, যে নামেই ডাকা হোক, টাকাগুলো যে দেশকে অর্থনৈতিক প্রতিক‚ল পরিস্থিতি থেকে বের করে আনার লক্ষ্যেই বরাদ্দ করা হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এখন দেখার বিষয় এসব টাকা কীভাবে কোথায় ব্যয় হয়।

    সংকট চারদিক থেকে ঘিরে ধরতে শুরু করেছে। সারা দেশে বহু ক্ষুদ্রশিল্প, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সাময়িক বেকারত্বের কবলে পড়েছে মালিক-শ্রমিক সবাই। মফ¯^লের একজন দোকানদার কিংবা একজন তাঁত মালিক কী সরকারের এ প্রণোদনার আওতায় আসবে? গণমাধ্যম এমনিতেই সংকটের আবর্তে ছিল। করোনা সেটাকে করে তুলেছে প্রবল। পত্রিকার সার্কুলেশন কমে গেছে পচাত্তর শতাংশ। বিজ্ঞাপনের আয় কমেছে অনেক। বেশ কয়েকটি দৈনিক তাদের প্রিন্টভার্সন বন্ধ করে দিয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে অন্য আরো পত্রিকা হয়তো একই পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হবে। এতসব সমস্যা মোকাবিলা করা একটি সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, যদি নাগরিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করেন।

    এ বিপদসঙ্কুল সময়ে দেশবাসী চায় রাজনৈতিক দলগুলো সরকারকে সহযোগিতা করুক। কিন্তু তাদের সে প্রতাশা পূরণের কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। সরকারের প্রধান প্রতিদ্ব›দ্বী দল বিএনপি শুধু বিবৃতি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ আর দাবি জানানোর মধ্যেই নিজেদের কর্তব্যকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে। তারা অভিয়োগ করছে সরকার তাদেরকে ডাকছে না। কিন্তু দেশ ও জাতির এই চরম দুর্দিনে তাদের ভ‚মিকা কী? সেদিন দলটির একজন নেতা পিপিই পরিধান করে অনলাইন ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করলেন, সরকার ত্রান বিতরণ কর্মসূচিকেও দলীয়করণ করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এটা কি এধরনের অভেযোগ তোলার সময়? তারাও তো দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল। সরকারেও ছিল কয়েকবার। তাদেরও তো দায়িত্ব রয়েছে। করোনা তো আওয়ামী লীগ-বিএনপি দেখে দাঁত বসাবে না। াসহায় মানুষগুলোর মধ্যে তো বিএনপি সমর্থকরাও রয়েছে। তাদেরকে সহায়তা করা দলটির উচিত নয়? সরকার ডাক না দিলেও তারা কেন তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য থেকে পিছিয়ে থাকবেন?

    অবরুদ্ধ সময়ে বসে বসে এরকম নানা ভাবনা শুধু ডালপালা মেলছে। কবে এই সংকটের অবসান হবে, অবার কবে ফিরে আসবে জনজীবনে স্বাভাবিকতা তা আমরা কেউ জানি না। শুধু জানি, এ সংকট মোকাবিলা করে আমাদেরকে টিকে থাকতে হবে। এজন্য দরকার দৃঢ় মনোবল আর পারষ্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতা। এ মুহূর্তে সেটাই বোধকরি সবচেয়ে বেশি জরুরি।
    লেখক: সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

    সর্বশেষ

    এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ; এবার ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্কর গ্রেফতার

    নিউজ ডেস্ক: সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি এম. সাইফুর রহমানের পর এবার...

    বিয়ের আগেই হবু বরের সঙ্গে চুটিয়ে সময় কাটাচ্ছেন ফারিয়া

    বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউডের এই সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া মাজহার চুটিয়ে সময় কাটাচ্ছেন হবু বরের সঙ্গে। বিয়ের আগেই বরের মন পেতে বরকে...

    সুশান্তের ফার্মহাউসে আসলেই ৩-৪দিন কাটাতেন সারা

    বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী সারা আলী খান যখনই সুশান্তের সাথে তার প্যানভেলের ফার্মহাউসে আসতেন, সেখানে ৩ থেকে ৪দিন কাটিয়ে তারপর ফিরতেন বলে...

    শুরু হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

    নিউজ ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যে...

    বিশ্বাস ও ভালোবাসা

    রুদ্র অয়ন স্বপন হয়ে আসো তুমিরাত্রি নামে যেই,বাঁচতে চাই আমি তোমারভালোবাসাতেই। তোমার মাঝে রইবো মিশেমন ছুঁয়ে...