36 C
Dhaka
Tuesday, January 19, 2021
No menu items!

শিমুলিয়া ঘাট এলাকা পরিদর্শন করলেন মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার

কাজী দীপু মুন্সীগঞ্জ: রাজধানীর ঢাকা সঙ্গে দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলার সড়ক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ন মাধ্যম শিমুলিয়া-কাঠাঁলবাড়ী নৌরুট। তাই করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে এ নৌরুট দিয়ে কোন যাত্রীকে যাতায়াত করতে দেওয়া হবে না। এমনকি দেওয়া হচ্ছেও না। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে শিমুলিয়া ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মোমেন পিপিএম।

এ সময় প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ বিভাগ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তাই বুধবার সকাল থেকে লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী চাপ নেই। যেহেতু নৌরুট দিয়ে যাতায়াত করতে দেওয়া হবে না, তাই যাত্রীদের ভীড় না করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মোমেন পিপিএম।

পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মোমেন পিপিএম আরও বলেন, শুধু শিমুলিয়া ঘাট এলাকাই নয়, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সড়কের একাধিক পয়েন্টে চেকপোস্ট গুলোতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা তৎপর রয়েছে। বুধবার মহাসড়কে ও ঘাটের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা কয়েকটি স্তরে ঘাট এলাকায় তৎপরতা রয়েছে। এ সময় মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মো. মোজাম্মেল হক জানান, প্রশাসন ও জেলা পুলিশ বিভাগের কঠোর অবস্থানের কারনে বুধবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। পদ্মা পাড়ি দিয়ে নারীর টানে গ্রামের বাড়ী যেতে বুধবার ঈদ ঘরমুখো যাত্রীরা শিমুলিয়া-কাঠাঁলবাড়ী নৌরুটের শিমুলিয়া ঘাটে আসেনি। কোন যানবাহনও নেই। পুরো শিমুলিয়া ঘাট ফাঁকা।

লৌহজং থানার ওসি মো. আলমগীর হোসাইন জানান, মঙ্গলবার দিনগত মধ্যরাতে ও বুধবার সকালে লাশবাহি অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হয়েছে। জরুরি পরিসেবার গাড়ী ব্যাতিত কোন যানবাহন পারাপার করার নির্দেশনা না থাকায় ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, বুধবার শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় কোন যাত্রীবাহী গাড়ি ও ঈদ ঘরমুখো যাত্রীদের উপস্থিতি নেই। শিমুলিয়া ঘাট চাপমক্ত। তবে প্রায় শতাধিক পন্যবাহি ট্রাক মঙ্গলবার থেকে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।