36 C
Dhaka
Monday, January 18, 2021
No menu items!

রোজ দেশে ফোনালাপই কাল হয়ে দাঁড়াল মাজেদের জীবনে!

নিউজ ডেস্ক: দুটি নম্বরে প্রতিদিন নিয়মিত ফোন করে বাংলাদেশে কথা বলতেন বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী আব্দুল মাজেদ। নম্বর দুটি হল +৮৮০১৫৫২৩৮৭৯১৩ এবং +৮৮০১৭১১১৮৬২৩৯। সম্ভবত এই ফোনালাপই কাল হয়ে দাঁড়াল তাঁর জীবনে!

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অনুমান, বাংলাদেশে মাজেদের পরিবারের সদস্যদের ফোনে নিয়মিত আড়ি পাততো সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থা। ফলে মাজেদ কোথায় লুকিয়ে রয়েছেন, সেই তথ্য সহজেই জেনে যায় তারা। এরপরই মাজেদকে গ্রেপ্তারের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি হয়। তবে কলকাতা শহরে মাজেদের অবস্থান জানতে খুব সম্ভবত ভারতের কোনও গোয়েন্দা সংস্থার সাহায্য নিয়েছিলেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। যদিও এনিয়ে কোনও সরকারই মুখ খোলেনি। তদন্তে জানা গিয়েছে, কলকাতায় মাজেদ যে দুটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন, তার একটিও নিজের নামে ছিল না। তিনি স্ত্রীর নামে সিম কার্ড কিনেছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ সরকার গঠন হওয়ার পর রাতারাতি দেশ ছেড়েছিলেন মাজেদ। সেই সময় ভারত হয়ে লিবিয়া ও পাকিস্তানে যান তিনি। কিন্তু সুবিধা করতে না পারায় সেখান থেকে কলকাতায় চলে আসেন। কলকাতায় কি কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য পেয়েছিলেন মাজেদ? সঙ্গত কারণেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে গোয়েন্দাদের মনে। তাঁর পার্ক স্ট্রিটের ভাড়া বাড়ি থেকে ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়া গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক সূত্র জানিয়েছে, ২০১৭ সালে ওই পাসপোর্ট বানানো হয়েছে। নিয়ম মেনে পার্ক স্ট্রিট থানা পুলিস ভেরিফিকেশন করার পর পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে। পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে হাওড়া উল্লেখ করা হয়েছে। সত্যি কথা বলতে কী, ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের সব কাগজপত্রই ছিল মাজেদের। আধার কার্ডও বানিয়েছেন অনায়াসে। তাঁর আধার কার্ড নম্বর হল ৭৯৪১ ৯৫৯১ ২৮৬৪। এছাড়াও ২০১২ সালে মাজেদ সচিত্র ভোটার কার্ড বানিয়েছিলেন।

মাজেদের স্ত্রী সেলিনা ওরফে জরিনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে চলতেন মাজেদ। এমনকী খেতে দিতে সামান্য দেরি হলে রেগে আগুন হয়ে যেতেন তিনি।

মাজেদ নিখোঁজ রহস্যের তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে নিশ্চিত হয়েছেন যে, বেডফোর্ড লেনের বাড়ি থেকে বেরনোর পর তাঁকে কেউ জোর করে অপহরণ করেনি। তেমন হলে চিৎকার কিংবা ধস্তাধস্তির প্রমাণ থাকত। তাছাড়া একজন হলেও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যেত। এর মানে মাজেদ স্বেচ্ছাতেই ওই চার ষণ্ডামার্কা লোকের সঙ্গে গিয়েছিলেন। তবে কি সেদিন মাজেদের পরিচিত কাউকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন গোয়েন্দারা?

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এমনিতে সুদের কারবার ও টিউশনির টাকায় সংসার চললেও সম্প্রতি তালতলা এলাকায় ২৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন মাজেদ। গোয়েন্দারা মনে করছেন, সম্ভবত বাংলাদেশ থেকে টাকা আসত মাজেদের কাছে। কিন্তু সেই ফ্ল্যাটে আর পা দেওয়া হল না তাঁর। তার আগেই ফাঁসিকাঠে নিথর হলেন তিনি। (শেষ) সুত্র দৈনিক বর্তমান কোলকাতা

সর্বশেষ

কাউন্সিলরকে হত্যা দুর্ভাগ্যজনক: ইসি সচিব

নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, আচরণবিধি অনুযায়ী বিজয় মিছিল বের করা যাবে না। কিন্তু বিজয় মিছিল বের...

মোদীর ঢাকা সফর চূড়ান্ত করতে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব

নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফর চূড়ান্ত করতে আগামী ২৭ জানুয়ারি দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব...

আইসিসির দশক সেরা ওয়ানডে একাদশের ‘স্মারক’ পেলেন সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক: গত ২৭ ডিসেম্বর বিগত এক দশকের সেরা ক্রিকেট একাদশ প্রকাশ করে আইসিসি। যেখানে গত এক দশকের সেরা ওয়ানডে একাদশে একমাত্র...

এবার জহির-শিরিনের চারে চার, নৌবাহিনীর শ্রেষ্ঠত্ব

নিউজ ডেস্ক: দুজনেই নৌবাহিনীর অ্যাথলেট। এবার চারটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে সবকটিতে সোনার পদক জিতেছেন জহির রায়হান ও শিরিন আক্তার। তবে জহির সেরা...

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ‘বিশেষ জার্সি’ পরে মাঠে নামবে সাকিব-তামিমরা

নিউজ ডেস্ক: নানা সময়ে নানা ডিজাইনের জার্সি পরে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সাকিব-তামিমদের জার্সিতে কখনও স্বাধীনতা, কখনও সুন্দরবন, কখনও বা গর্জে ওঠো...