36 C
Dhaka
Wednesday, January 27, 2021
No menu items!

আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর দেশের জন্য স্বস্তির: আইনমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, “এটা (ফাঁসি কার্যকর) আমাদের জন্য স্বস্তির; পর্যায়ক্রমে সকল বঙ্গবন্ধুর সকল খুনিদের এনে রায় কার্যকর করা হবে।”

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১২ টা ১ মিনিটে মাজেদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ। এরপর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ফাঁসি কার্যকরের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢাকা জেলা প্রশাসক, সিনিয়র জেল সুপার, জেল সুপার, ডেপুটি জেলার, সিভিল সার্জনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, “প্রথম কথা হচ্ছে, রায় কার্যকর করা অবশ্যই আমার একটা স্বস্তি আছে। এরা হচ্ছে প্রকৃত খুনি, এদেরকে সমাজে রাখাটাই উচিত না। আমরা যে এটা কার্যকর করতে পেরেছি নিশ্চয় এটা আমাদের জন্য এক বিরাট স্বস্তির ব্যাপার।”

তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, জনগণের কাছে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটা রক্ষা করা হয়েছে। আমি আগেও বলেছি, যারা বাইরে আছেন ইনশাআল্লাহ আমরা তাদের সকলকে এ রায় কার্যকর করার স্বার্থে বাংলাদেশ এন এ তাদের রায় কার্যকর করব।”

এর আগে রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে ফাঁসির প্রস্তুতি দেখতে কারাগারে যান আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা। ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি আগে থেকে নিশ্চিত ছিল। তাই রাত ১০টার পর আব্দুল মাজেদকে তার সেলে গিয়ে তওবা পড়িয়েছেন কারা মসজিদের ইমাম।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ ২৫ বছর ধরে ভারতে পালিয়ে ছিলেন। করোনাভাইরাস আতঙ্কে সেখান থেকে গত ২৬ মার্চ ময়মনসিংহ সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তিনি। দেশে ফেরার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ৬ এপ্রিল মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গত বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এম হেলাল উদ্দিন চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন। ওইদিন বিকালেই সেই মৃত্যু পরোয়ানার ফাইল কারাগারে পৌঁছায়। সন্ধ্যায় মাজেদ কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। রাতেই সেই ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন পাঠানো হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি তার প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিলে সে ফাইল আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কারাগারে পৌঁছানো হয়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্যাপ্টেন মাজেদের স্ত্রী সালেহা বেগমসহ পাঁচ স্বজন শেষবারের মতো তার সঙ্গে দেখা করেন।

সর্বশেষ

এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখের অপেক্ষা

নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত, প্রকাশ ও সনদ বিতরণের...

বাইডেন-পুতিনের প্রথম ফোনালাপে যে কথা হলো

নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে আলাপ করেছেন জো বাইডেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে প্রথম...

ভবিষ্যতে পুরোদস্তুর অলরাউন্ডার হতে চাই: রশিদ খান

স্পোর্টস ডেস্ক: রশিদ খানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় স্পিনার হিসেবে। শুরু থেকে দুর্দান্ত লেগ ব্রেকে ব্যাটসম্যানদের জন্য যেন সাক্ষাৎ ‘যমদূত’ হয়ে ওঠেছেন...

৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ টিকা পাবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ বা ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ৬ কোটি...

বাংলাদেশের জন্য ম্যাকগ্রা-গিলেস্পিদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে উইন্ডিজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ২০০৪ সালে ভারত সফরের কথা। ভারতকে তাদের আঙিনায় হারাতে গ্লেন ম্যাকগ্রা ও জেসন গিলেস্পি বিশেষ পরিকল্পনা সাজান। মিডল স্টাম্প বরাবর...