শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে আইন ও শিক্ষা উপদেষ্টা

প্রকাশ : 2025-07-22 12:34:32১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে আইন ও শিক্ষা উপদেষ্টা

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার একদিন পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তোপোর মুখে পড়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুর্ঘটনার পর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে আইন উপদেষ্টা এবং শিক্ষা উপদেষ্টা।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুর্ঘটনার পর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে আইন উপদেষ্টা এবং শিক্ষা উপদেষ্টা।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে  গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। এরইমধ্যে ৫ শিক্ষার্থীর সঙ্গে দুই উপদেষ্টা স্কুলটির একটি ভবনে আলোচনায় বসেছেন।
 
এদিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে গোলচত্বরে সকাল ১০টা থেকে জমায়েত হন শত শত শিক্ষার্থী। মুহূর্তেই মিছিল আর প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে চারপাশ। একদিন আগে তাদের কলেজ ক্যাম্পসে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনায় শোকাহত শিক্ষার্থীরা ৬ দফা দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন।
 মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুর্ঘটনার পর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে আইন উপদেষ্টা এবং শিক্ষা উপদেষ্টা। 
 আন্দোলনরত বলছেন নিহতের যে সংখ্যা বলা হচ্ছে তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।
বিচার চাই না, সন্তানের লাশ চাই’, ‘সঠিক লাশের হিসাব চাই’—এমন ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে শিক্ষার্থীরা গোলচত্বরে সড়কের ওপর বসে পড়েন। এসময় পুলিশ একাধিকবার তাদের সরে যেতে বললেও শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের ৬য় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— নিহতদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ, আহতদের নির্ভুল তালিকা, শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা, ক্ষতিপূরণ প্রদান, ঝুঁকিপূর্ণ প্লেন বাতিল, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি সংস্কার।
তারা বলেন, আমাদের প্রতিবাদ অহিংস, কিন্তু আপসহীন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা মানেই সমর্থন। ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এখনই সময়। ভয় নয়, আমারা ন্যায় বিচার চাই।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে বহু স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিল। যাদের বেশিরভাগই হতাহত হয়েছে।
 
এ বিমান দুর্ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (মঙ্গলবার সকাল ৮টা) নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৮ জন। নিহতের মধ্যে ২০ জনই শিশু। 

 

সান