কাউনিয়ায় পাম্পে তেল নেই এলাকায় চরম ভোগান্তি

প্রকাশ : 2026-03-30 19:23:31১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

কাউনিয়ায় পাম্পে তেল নেই এলাকায় চরম ভোগান্তি

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কাউনিয়ার যান বাহনের চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা। উপজেলার মা সুফিয়া ফিলিং স্টেশনে অল্প পরিমাণে ডিজেল পাওয়া গেলেও পেট্রোল ও অকটেন একেবারেই মিলছে না। 


গত কয়েকদিন মা সুফিয়া ফিলিং স্টেশন বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় টানা সপ্তহ ধরে পেট্রোল ও অকটেনের সংকটে রংপুরের কাউনিয়া। ফলে ছুটিতে বাড়ীতে আসা  সাধারণ মানুষ, মোটরসাইকেল আরোহী ও যানবাহন চালকরা চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সংকট না কাটায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। মা সুফিয়ার ফিলিং  স্টেশনের কর্তৃপক্ষ জানান গত পাঁচ দিন পর ডিপো থেকে জ্বালানি সরবরাহ করা হলেও শুধু ডিজেল দেয়া হয়েছে। এছাড়া পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় গ্রাহকদের  প্রচন্ড চাপ বেড়েছে। অন্যদিকে, চাহিদার তুলনায় কম পরিমাণে ডিজেল বরাদ্দ পাওয়ায় ডিজেল চালিত যাবাহন ও কৃষকদের চাহিদা মত তেল সরবরাহ করা যাচ্ছে না। স্টেশনটিতে অল্প পরিমাণ পেট্রোল ও অকটেন এবং ডিজেল সরবরাহ পেলেও তা শতশত মটরসাইকেলে দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সাধারন কৃষক, দুরের মোটরসাইকেল চালক ও সাধারণ পরিবহন চালকরা পড়েছেন চরম বিপাকে। জানা গেছে উপজেলায় হারাগাছ পৌরসভা সহ মোট দুইটি ফিলিং স্টেশন রয়েছে, ডিপো থেকে সরবরাহ না পাওয়া এবং চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দের কারণে দুটি স্টেশনের একই অবস্থা।এতে স্টেশনগুলোতে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখতে হচ্ছে, যা জনভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সুফিয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে কথা হয় রাজিব নামের একজন পরিবহন চালকের সাথে তিনি জানান , “ডিজেল যে পরিমাণ আসে, তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। অনেক সময় দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যায় না। আবার কোথাও কোথাও ৫০০ টাকার বেশি তেল মিলছেনা, এরকম ভোগান্তির শেষ যে কবে হবে? মোটরসাইকেল আরোহী সুমন বলেন কয়েক দিন ধরে পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে আমি মোটরসাইকেল ঘর থেকে বের করতে পারছি না। এতে করে আমার ব্যবসায়িক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ভাড়া যানবাহনে চলাচল করতে হচ্ছে, আর এজন্য আগের চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এই সংকটে আমরা খুবই কষ্টে আছি। মা সুফিয়া ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিপো থেকে  চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় বাধ্য হয়েই  ডিজেল বিক্রির পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, যাতে সবাই অন্তত কিছুটা করে তেল পান। কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  পাপিয়া সুলতানা জানান, জ্বালানি সংকটের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে  খুব দ্রæত সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।