এক যুগের দুর্ভোগ অবশানে আদমদীঘির সাইলো সড়ক পুনঃ নির্মান কাজের উদ্বোধন

প্রকাশ : 2026-05-11 18:51:49১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

এক যুগের দুর্ভোগ অবশানে আদমদীঘির সাইলো সড়ক পুনঃ নির্মান কাজের উদ্বোধন

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার খাদ্য শস্য সাইলো সড়ক পুনঃ নির্মান কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই পুনঃ নির্মানের ফলে দীর্ঘ প্রায় এক যুগের দুর্ভোগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।  সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ওই সড়কের খাড়িরপুল পয়েন্টে এই কাজের উদ্বোধন ও ফলক উন্মোচন করেছেন আদমদীঘি ও দুপচাঁচিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৩ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম, সাইলো অধিক্ষক আশফাকুর রহমান ও বিএনপি দলীয় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 

জানা গেছে, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় গম সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান সান্তাহার খাদ্য শস্য সাইলো। পরে ২০১৭ সালে সাইলো ক্যাম্পাসে নির্মিত হয় চাল সংরক্ষণের জন্য শিতাতাপ নিয়ন্ত্রিত বহুতল বিশিষ্ট তথা মাল্টি স্টোরেজ গুদাম। এই প্রতিষ্ঠানের গম ও চাল পরিবহন করার জন্য রয়েছে নিজস্ব সড়ক। পরবর্তিতে ওই সড়কে প্রতিষ্টিত হয় রাসায়নিক সারের বাফার স্টক গুদাম। এই দুই প্রতিষ্টানের ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে প্রায় ২০১২ সালে সড়কটি চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। এর মাঝে ২০১৭ সালে দাতা সংস্থা জাপানের জাইকা অনুদানে নির্মিত মাল্টি স্টোরেজ গুদাম উদ্বোধন করার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে হাল্কা সংস্কার করা হয়। এরপর থেকে সড়কটি ফের চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। এনিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় একাধিক বার প্রকাশিত প্রচারিত হয়। এর প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ সড়কটি পুনঃ নির্মান প্রকল্প হাতে নেয়। প্রকল্প প্রাক্যলন ধরা হয় প্রায় পৌনে ১১ কোটি টাকা। দরপত্রে ৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকার চুক্তিতে সাড়ে তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৮ মিটার প্রস্থের কাজটি পেয়েছেন নওগাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম,এ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড দেওয়ান মামুনুর রশিদ (জেভি)। ইতিমধ্যে সাইলো গেট প্রান্ত থেকে সড়কের পুরনো ভাঙাচোরা কার্পেটিং তুলে ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। পুনঃ নির্মিত সড়কটি হবে টেকসই প্রযুিক্তর আর সিসি ঢালাই দিয়ে। এই সড়ক পুনঃ নির্মান কাজের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর ট্রাক পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও সড়কের দুই পাশের বাসিন্দা ছাড়াও সড়ক সংলগ্ন কয়েক গ্রামের সাধারণ মানুষ ও যাত্র্বীাহী ছোট পরিবহনের মালিক ও চালকদের মাঝে স্বস্তির হাসি ফুটেছে।