আমেরিকায় পিএইচডি পড়তে গিয়ে সহপাঠীসহ খুন মাদারীপুরের তরুণী বৃষ্টি, পরিবারের বিচার দাবি

প্রকাশ : 2026-04-26 16:12:57১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

আমেরিকায় পিএইচডি পড়তে গিয়ে সহপাঠীসহ খুন মাদারীপুরের তরুণী বৃষ্টি, পরিবারের বিচার দাবি

আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত হয়েছেন মাদারীপুরের তরুণী নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পরিবার। অপরদিকে তার সহপাঠী জামিল আহম্মেদ লিমনের মরদেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সন্দেহভাজন মার্কিন নাগরিক রুমমেটকে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার দাবী করেছেন নিহতের পরিবারের স্বজনরা।

প্রায় ৭ মাস আগে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট থেকে পড়াশোনা শেষ করেন মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামের জহির উদ্দিন আকন্দর একমাত্র মেয়ে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি ক্যামিস্ট্রি) অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটিতে সুযোগ পাওয়ার সুবাধে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে সহপাঠী শিক্ষার্থী জামিল আহম্মেদ লিমনের সাথে। সেখানে লিমনের সাথে এক মার্কিন নাগরিক রুমমেটের সঙ্গে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এই জেরে গত ১৬ এপ্রিল লিমন ও বৃষ্টিকে ভার্সিটি ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা জানায় স্বজনরা। পরে ৮ দিন পর গতকাল লিমনের খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ। একদিন পর আজ রক্তের ডিএনএ পরিক্ষার পর বৃষ্টিকেও হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তথ্য নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন বৃষ্টির ভাই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ হাসান প্রান্ত। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন নিহতের চাচা দানিয়াল আকনসহ চাচতো ভাই সাব্বির হোসেন ও চাচাতো বোন তুলি আকন।

এ ব্যাপারে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমাস জানান, নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পরিবারকে সকল ধরনের আইনী সহযোগিতা প্রদান করা হবে।দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে ১১ পল্লবী বি ব্লগে বসবাস করে নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পরিবার। তারা দুই ভাইবোন। তার বাবা মিড লাইভ এনজিওতে চাকরিজীবি। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রুমমেট হিশাম নামে একজনকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।