শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু: ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার

প্রকাশ : 2026-01-29 18:36:42১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু: ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার

শেরপুরের জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ইসি সচিব জানান, ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জুডিশিয়াল অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের পর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের নিহতের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) সরানোর দাবি জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম। দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।
 
২৮ জানুয়ারি বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঞ্চে বসেন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক চেয়ারে বসা নিয়ে হট্টগোল করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে শতাধিক মানুষ আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন রেজাউল করিমসহ আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি। 

এদিকে এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন দাবি জানান, এই সংঘাত এড়ানো যেত কি না, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখলো? সেই দলের লোকজন কেন সেখানে লাঠিসোঁটা জড়ো করল? সবার সম্মিলিত অনুরোধ উপেক্ষা করে সেই দলের প্রার্থী কেন সংঘাতের পথ বেছে নিলেন, এসব বিষয় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।