পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত 

প্রকাশ : 2026-04-16 18:41:36১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত 

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এর পুঠিয়া জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাফলতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও লাগামহীন দুর্নীতির কারণে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ও ব্যাপক লোডশেডিং চলছে। এবং যেটুকু বিদ্যুৎ থাকে তাতে লো-ভোল্টেজ হয়ে পড়ে।ফলে বিদ্যুতের আশায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার যেন শেষ হচ্ছেনা। কখন আসবে সেই কাঙ্খিত বিদ্যুৎ। দিনে-রাতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১২/১৪ ঘন্টার বেশী এ অঞ্চলের গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পাচ্ছেনা। পূর্বের থেকে কোন প্রকার সর্তকি করণ নোটিশ ও মাইকিং ছাড়াই একটানা বন্ধ রাখেন বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিদ্যুতের অভাবে ঘরে-বাইরে সর্বত্র মনে হয় যেন অন্ধকারে রয়েছে। ফলে দিনের পাশাপাশি রাতেও একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই কয়েকবার করে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে ঘুমানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, চরম দুর্দশার মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের কর্তাবাবুরা বিপুল জনগোষ্টিকে অন্ধকারে রেখে বিদ্যুৎ সাশ্রয় দেখিয়ে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে বাহুবা কুড়িয়ে পুরুস্কার হাতিয়ে নিতে ইচ্ছাকৃত ভাবেই লোডশেডিং করে থাকে। তবে তীব্র লোডশোডিংয়ের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমলেও বিলের বোঝা গ্রহকদেরকে না কমে বরং দিন দিন বিল বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রতি মাসে তারা মিনিমাম চার্জ লেখা নাই, ডিমান্ড চাজলেখা নার্ই, পাওয়ার ফ্যাক্টর চাজ ২৫ টার্কা, ট্রান্সফারমার ভাড়া ১০ টাকা,ভ্যাট ১৫ টাকা, বিলম্ব মাসুল নীট বিলের ৫% হারে প্রতিটি বিলে কড়ায় গন্ডায় টাকা আদায় করা হচ্ছে। এদিকে,মালিগপাড়া ও খলসাখুড়ি গ্রামবাসির আভিযোগ বর্তমানের ডিজি.এম যোদানের পর থেকে একাধিকবার লোডশেডিংয়ের ফলে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ নির্ভরশীল এলাকা। শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে দিনে কয়েক ঘন্টাব্যাপী লোডশেডিং দিয়ে শুরু হয় প্রথম ধাপ, সন্ধ্যার পরে দ্বিতীয় ধাপে কয়েকবার লোডশেডিং’র পর শেষবারের মত একটানা কয়েক ঘন্টা গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে বিদ্যুত দেয়া নেয়ার খেলা। আর এ কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও হচ্ছে ব্যাহত। সেই সাথে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং তাহেরপুরবাসীকে আরো দুর্বিষহ করে তুলেছে। এতে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন এলাকাবাসী। তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দূর্নীতির বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে এলাকার একাধিক সচেতন মহল মনে করছেন।