পঞ্চগড়ে গরীবের ইফতারে খেঁজুর নেই, বয়লারে গোস্তের স্বাদ
প্রকাশ : 2026-02-21 19:01:24১ | অনলাইন সংস্করণ
নিউজ ডেস্ক
বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদিত বড়ই ছাড়া সব রকম ফলফলাদির দাম আর কমছেনা। মধ্যপ্রচ্যোর মানভেদে খোলা খেঁজুরের দাম আকাশ ছোঁয়া। গরীব আর অসহায় মানুষের কাছে খেঁজুর শুধু একটি নাম হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে। পঞ্চগড় জেলা শহরের ফল বাজারে থরে থরে সাজানো ফলফলাদিতে অসহায় গরীব মানুষ হাত দিতে পারেনা। কমলা আপেল আঙ্গুর সব ফলের দাম আকাঁশ ছোয়া। আঙ্গুরের প্রতি কেজি দর চারশত থেকে পাঁচশত টাকা। কমলা ও আপেল প্রতিকেজি তিনশত কুড়ি টাকা থেকে তিনশত ষাট টাকা।
দেশের অভ্যন্তরে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের বড়ই আশি টাকা থেকে একশত পঞ্চাশ টাকা কেজি। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানীকৃত খেজুঁরের দাম আগে থেকেই বেশী। মধ্যবিত্ত ও নি¤œমধ্যবিত্তরা নামীদামী খেঁজুর মাঝে মধ্যে কিনলেও অসহায়-গরীব মানুষ তার ধারেও যেতে পারেনা। মানভেদে এসকব খেঁজুর বিক্রি হচ্ছে পাঁচশত টাকা থেকে এগারো শত টাকা। এছাড়া প্যাকেটজাত খেঁজুরের দাম আরো বেশী। তবে সিদ্ধ খেঁজুর হিসেবে পরিচিত এক প্রকার খেঁজুর বিক্রি হচ্ছে দুইশত কড়ি টাকা।
ফল ব্যবসায়ীরা জানান, গরীব মানুষ কিনলেও সংখ্যায় একেবারে কম। হয়তোবা রোগী বা বিশেষ সময় গুলোতে কিনতে আসে।এদিকে অসহায় গরীব মানুষের সাধ্যের বাইরে গরু ও ছাগলের গোস্তের দাম। তারা বয়লার কিনে গোস্তের স্বাদ গ্রহণ করছে। সোনালী মুরগী দুইশত চল্লিশ বা দুইশত পঞ্চাশ টাকায় পাওয়া যেতো। অথচ রমজানের আগেই সোনালীর দাম বেড়ে তিনশত কুড়ি টাকায় উঠেছে। তবে অনেক শ্রমজীবীরা বাজারে গিয়ে মাছ গোস্ত না নিয়ে বাড়ী ফিরছে। কারন লাল ডিম এখন ৩৬ টাকা হালি। বাজার পণ্য নিতে আসা রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা অল্প আয়ের মানুষ কাজ কাম করে সংসার চালাই । মাঝে মধ্যে একটু আধটু মাছ কিনলেও গরুর গোস্ত কেনার সাধ্য নেই।