নন্দীগ্রামে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক, পুলিশি টহল জোরদার 

প্রকাশ : 2026-05-14 18:23:43১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

নন্দীগ্রামে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক, পুলিশি টহল জোরদার 

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রশিদুল আলমের বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ বিগতদিনে মাঝেমধ্যে চুরির ঘটনা ঘটলেও ডাকাতির ঘটনা তেমন ঘটেনি। এতে এলাকাবাসী অনেকটা স্বস্তিতে ছিলো। সশস্ত্র ডাকাত দল ডাকাতি করতে কোনো বাসাবাড়িতে প্রবেশ করলে প্রথমে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এরপর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার বের করে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে বেদম মারপিট করে। ঠিক এমনই ঘটনা ঘটেছে রশিদুল আলমের বাসায় ডাকাতির ঘটনায়। যে কারণে এই ডাকাতির ঘটনা জনমনে আরও বেশি আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। 

গত সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৮/৯জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বীরপলি গ্রামে রশিদুল আলমের বাসার ছাদে উঠে চিলেকোঠার টিন কেটে বাসার ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর ডাকাতরা প্রথমে রশিদুল আলমের শয়ন ঘরে ঢুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার বের করে দেওয়ার দাবি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বেদম মারপিট করে। এর একপর্যায়ে ডাকাতরা রশিদুল আলমের মেয়ে আশা আকতার মৌ এর ঘরে ঢুকে তাকেও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বেদম মারপিট করে। পরে ডাকাতরা বাসায় গচ্ছিত নগদ ১৩ লাখ টাকা, ১ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি ৩২ ইঞ্চির এলইডি টিভি, একটি ১৫০ সিসির এফজেড  ভার্সন টু মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে চলে যায়। এই ডাকাতির ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় খবর নিয়ে জানা যায়, রশিদুল আলম বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় এখনও মামলা দায়ের করেনি।

এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারসহ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছি। আর এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। আমরা অপরাধ দমনে দিনরাত পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি।