জামালপুর সদরের গোবিন্দপুরে দোকানঘরের জমি আত্নসাতের পায়তারা

প্রকাশ : 2026-03-02 18:51:09১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

জামালপুর সদরের গোবিন্দপুরে দোকানঘরের জমি আত্নসাতের পায়তারা

জামালপুর সদর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের গোবিন্দপুর মোড় বাজারে একটি চক্র ফয়সাল আহমেদ লিটুর সাব কবলামূলে দোকানঘরের জমি আত্নসাৎ এর পায়তারা এবং চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তি সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে জমি আত্নসাতের এই পায়তারা শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল কুদ্দুছ মহুরীর পুত্র ফয়সাল আহমেদ লিটুর সাব কবলামূলে গোবিন্দপুর মোড় বাজারে এক শতাংশ জমি রয়েছে। উক্ত জমিতে একটি আধাপাকা দোকানঘর উত্তোলন করে গত ২০২৪ সনের ১ মে ভাড়া প্রদান করে আবুল কালাম (৪৭) এর নিকট। জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের চুক্তিপত্রের মাধ্যমে মাসিক এক হাজার পাঁচশত টাকা ভাড়া এবং ৩লাখ টাকা জামানত সাপেক্ষে এই দোকান ভাড়া নেয় আবুল কালাম। ভাড়া নিয়ে সে ওষধের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। দোকান ভাড়া নেয়ার দেড় বছর অতিবাহিত হলে ঘর ও জমির মালিক পরষ্পর জানতে পারেন তার এক শতাংশ জমিসহ আধাপাকা দোকানঘরটি আত্নসাতের পায়তারা করছেন তারই ভাড়াটিয়া আবুল কালাম।

এ অবস্থায় ঘর মালিক লিটু ভাড়াটিয়া আবুল কালামের নিকট মাসিক ভাড়ার টাকা চাইতে গেলে ভাড়া দিতে নানা তালবাহনাসহ অস্বীকার করেন। এনিয়ে ঘর মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এমতাবস্থায় ঘর মালিক তার দোকানের সাঁটার নামিয়ে বন্ধ করে দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য দরবার শালিস বসে। দরবারে ভাড়াটিয়া আবুল কালাম, তার শশুর বদিউজ্জামান, চাচা শশুর মো: রফিক, বড় ভাই জুলহাস উদ্দিনসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। ঘরভাড়া কেটে রাখা বাবদ অবশিষ্ট জামানতের দুই লাখ ৭৪ হাজার তিনশত সতের টাকা ভাড়াটিয়া আবুল কালামের নিকট বুঝিয়ে দেয়া হয়। যার প্রমাণপত্র ঘরমালিকের কাছে রয়েছে। কিন্তু তারপরেও ভাড়াটিয়া আবুল কালাম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ঘর ও জমির মালিক পয়সাল আহমেদ লিটু ও পরিবারের সদস্যদের নামে নানা রকম মিথ্যে, বানোয়াট তথ্য প্রকাশ ও গুজব ছড়াচ্ছে। তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ঘরমালিক ফয়সাল আহমেদ লিটুর সাথে। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, ভাড়াটিয়া আবুল কালাম স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় এখন আমার দোকানের জমিই আত্নসাতের পায়তারা শুরু করেছে। পাশাপাশি মোটা টাকা চাঁদা দাবি করছে। চাঁদার টাকা না দিলে খুব খারাপ হবে বলে হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি অতি জরুরি আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি।