কাউনিয়ায় আলু তোলার পর রোপা আউশ ধান রোপনে ব্যাস্ত চাষিরা

প্রকাশ : 2025-03-25 22:00:43১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

কাউনিয়ায় আলু তোলার পর রোপা আউশ ধান রোপনে ব্যাস্ত চাষিরা

রংপুরের ধান উৎপাদনে খ্যাত কাউনিয়ায় বিভিন্ন গ্রামে আলু তোলার পর রোপা আউশ ধান রোপনে ধুম পড়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে চলছে কৃষকের এ কর্মযজ্ঞ।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে আলুতে ক্ষতি পুশিয়ে নিতে কৃষক সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রোপা আউশ ধান রোপনে ব্যাস্ত সময় পার করছে। কাউনিয়ায় প্রায় ৭৮% মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস ধান চাষ। ধান আমাদের প্রধান খাদ্য শস্য। মানুষের আমিষের চাহিদার প্রায় অর্ধেক এবং ক্যালোরী চাহিদার প্রায় এক তৃতীয়াংশ ধান থেকে আসে। সনাতন কাল থেকে বাংলাদেশে ৩টি ধানের মৌসুম চলে আসছে আউশ, আমন এবং বোরো। ষাটের দশকে সেচ নির্ভর ইরি বোরো ধান প্রবর্তনের আগ পর্যন্ত আমন এবং আউশ ছিল ধানের প্রধান ফসল। উপজেলার মীরবাগ সহ বিভিন্ন গ্রামে খেতে চারা রোপন করছে আবার কেউ বীজতলা থেকে চারা সংগ্রহ করেই রোপনে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে কৃষকের এ কর্মযজ্ঞ। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা গরু দিয়ে জমি প্রস্তত করলেও অবস্থাশালী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কৃষক কলের লাঙল দিয়ে জমি চাষ করছেন। কুর্শা ইউনিয়নের ড্রইভারপাড়া গ্রামের কৃষক আঃ রাজ্জাকসহ বেশ কিছু চাষির সাথে কথা বলে জানাগেছে, তাদের মাঠে আলু-গম-ভুট্টা ছিল। বৃষ্টি না থাকায় আলু তুলে সেচ দিয়ে আউস ধান রোপন করছেন তারা। এখন রোপা আউশ ধান করা হচ্ছে। কৃষকদের তথ্যমতে, একবিঘা জমিতে রোপা আউশ ধান করতে বীজ, জমি প্রস্তত, শ্রমিক এবং রোপন বাবদ খরচ হচ্ছে গড়ে ৮হাজার টাকা। কৃষকদের অভিযোগ যেসব চাষিদের কৃষি বিভাগ থেকে প্রনোদনা দেয়া হয় তার বেশীরভাগ সেই ফসল করে না। প্রকৃত চাষিরা প্ররোদনা পায় না। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৩ হাজার ৭শত ৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আউশ ধানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১১৬১৩ মেঃটন ধরা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান, আলু তোলার পর রোপা আউশ রোপন শুরু হয়েছে এর পর ভুট্টা তুলে রোপন করবে। লক্ষ্য মাত্রা অর্জনের আশা তার।