ঈদের ৭ দিন ফেরিতে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশ : 2024-03-14 13:14:10১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

ঈদের ৭ দিন ফেরিতে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ ঘোষণা

আসন্ন ঈদে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন নিরাপদ রাখতে ঈদের আগের ৩ দিন ও পরের ৩ দিনসহ ৭ দিন ফেরিতে সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে, নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক এর বাইরে থাকবে।

এছাড়া, রাতের বেলা স্পিডবোট ও বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। ঈদের আগে ৫ দিন ও পরের ৫ দিন অর্থাৎ ১৭-২৭ এপ্রিল পর্যন্ত  সার্বক্ষণিক (দিন ও রাত) সব বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ ব্যবস্থাপনা বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিত জানানো হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ আছে। শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি রুটে মোটরসাইকেল পারাপারে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এপ্রিল মাসে আবহাওয়া খারাপ থাকে, কালবৈশাখীর ঝড়ের আশঙ্কা থাকে। এসময় সবাইকে আবহাওয়া বার্তা মেনে চলতে হবে। ঢাকা সদরঘাট এলাকায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশন ও নৌপুলিশ আরও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করবে। সদরঘাট এলাকায় ছোট ছোট নৌযানে করে লঞ্চে যাতে যাত্রী ওঠানামা করতে না পারে সেজন্য কঠোর নজরদারি করতে হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নদী বন্দরগুলোতে যাত্রীসেবার জন্য যেসব ওয়াশরুমের সুবিধা আছে সেগুলোর সংখ্যা ও সেবার মান বাড়াতে হবে। পাটুরিয়া, দৌলতদিয়া, আরিচা, কাজিরহাট, হরিনা, আলুবাজার ফেরিরুটে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে। সন্দ্বীপ ও হাতিয়ার মতো উপকূলীয় অঞ্চলে যাত্রী পারাপারে সি-ট্রাক চালু থাকবে। ফিটনেসবিহীন নৌযান যেন চলাচল করতে না পারে সেজন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীদের সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে যাতায়াতে ঢাকা ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় গার্মেন্টস ও নিটওয়ার সেক্টরের নিয়োজিত কর্মীদের এলাকাভিত্তিক পর্যায়ক্রমে ছুটি দিতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ ব্যবস্থা নেবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করা নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পবিত্র ঈউল ফিতরেকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে নৌসেবা নিতে পারে সে বিষয়ে আমরা আন্তরিক। পদ্মা সেতু আমাদের অনুভূতির জায়গা দখল করে নিয়েছে। অনেকে মনে করেছিল পদ্মা সেতু হয়ে গেলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষে আর লঞ্চ ব্যবহার করবে না। এটা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। নৌপথে আগ্রহ কমে যায়নি বরং আগ্রহ বেড়েছে। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে নৌসেবা নিতে পারে সেজন্য কাজ করা হচ্ছে। সেবা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

সান