বাংলা সঙ্গীতকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে স্পটিফাই-এর সাথে পার্টনারশিপ করলো কোক স্টুডিও বাংলা

  প্রেস রিলিজ

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩:৩০ |  আপডেট  : ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:৪৭

কোক স্টুডিও বাংলা-র অফিশিয়াল মিউজিক স্ট্রিমিং পার্টনার হিসেবে যুক্ত হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অডিও স্ট্রিমিং সার্ভিস স্পটিফাই। এই পার্টনারশিপের আওতায় কোকা-কোলার আন্তর্জাতিক সঙ্গীতায়োজন কোক স্টুডিও বাংলাদেশি সংস্করণ কোক স্টুডিও বাংলা-র সকল গান স্পটিফাইয়ে শোনা যাবে এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে কোক স্টুডিও বাংলা-র শিল্পীরা ১৮০টির বেশি বাজার জুড়ে থাকা ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ সাবস্ক্রাইবারসহ ৪৫ কোটি ৬০ লক্ষ ব্যবহারকারীর সাথে নিজেদের গান শেয়ার করতে পারবেন। বর্তমানে অ্যাপটিতে কোক স্টুডিও বাংলা-য় ফিচার হওয়া সকল গান ও শিল্পীদের পাওয়া যাবে। ফ্রি এবং প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীরা তাদের মোবাইল ও ডেস্কটপ ডিভাইসের মাধ্যমে এই গানগুলো উপভোগ করতে পারবেন। দুই মিউজিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের এই পার্টনারশিপ পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের মানুষদের কাছে কোক স্টুডিও বাংলা-র কন্টেন্টকে আরও সহজলভ্য করে তোলার পাশাপাশি সঙ্গীতপ্রেমীদের একত্রিত করবে। কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তা জি তুং বলেন, “স্পটিফাইয়ের সাথে এই পার্টনারশিপ গোটা পৃথিবীর সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য একটি সুসংবাদ। এখন স্পটিফাই অ্যাকাউন্ট থাকলেই খুব সহজে গান শোনা যাবে। এই পার্টনারশিপ আসন্ন সিজনকে আরও উপভোগ্য করে তুলবে বলে আমরা আশাবাদী।” সম্প্রতি শেষ হওয়া প্রথম সিজনে মোট ১০টি গান ছিল। গানগুলোতে অংশ নেন অর্ণব, তাহসান রহমান খান, বাপ্পা মজুমদার, সামিনা চৌধুরী, মমতাজ বেগম, মিজান রহমান, কণা, পান্থ কানাই, ঋতুরাজ, মাশা, নন্দিতা, রুবাইয়াত, বগা তালেব ও অনিমেস রায়সহ দেশেরখ্যাতনামা শিল্পীরা। স্পটিফাইয়ের আর্টিস্ট এবং লেবেল পার্টনারশিপস ম্যানেজার [পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা], খান এফএম এই পার্টনারশিপ নিয়ে বলেন, “কোক স্টুডিও বাংলা-র এই যাত্রায় অফিশিয়াল মিউজিক স্ট্রিমিং পার্টনার হতে পেরে আমরা আনন্দিত। খুব দ্রুতই বাংলাদেশের ঘরে ঘরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কোক স্টুডিও বাংলা। শুরু থেকেই বিভিন্ন ধারার গানের প্রতি ভালোবাসা তুলে ধরেছে প্ল্যাটফর্মটি। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশিয়ান শ্রোতারা প্রথম ও এখন দ্বিতীয় সিজনের প্লেলিস্ট শোনার একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা পাবেন। প্ল্যাটফর্মটির অফিশিয়াল অডিও স্ট্রিমিং পার্টনার হিসেবে এর জন্য আমরা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি। কোক স্টুডিও বাংলাকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে পারাটা 
সম্মানের ব্যাপার।

কোক স্টুডিও বাংলা-র সঙ্গীত প্রযোজক শায়ান চৌধুরী অর্ণব বলেন, “সাধারণ মানুষ, বিশেষত তরুণরা কোক স্টুডিও বাংলা নিয়ে দারুণ সাড়া দেখিয়েছেন। আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ১,৫০০-র বেশি গান ও নাচের কাভার, ১৫০-এর বেশি ফ্যান আর্ট এবং ১,৬০০-এর বেশি রিভিউ দেখতে পেয়েছি। এখন আমরা দ্বিতীয় সিজন নিয়ে পরিকল্পনা করছি। এ সময়ে স্পটিফাইয়ের মতো একটি অডিও প্ল্যাটফর্মকে আমাদের পাশে পাওয়া একটি দারুণ ব্যাপার।” কোক স্টুডিও বাংলা সবসময়ই চেষ্টা করেছে দর্শক-শ্রোতাদের এই মিউজিক্যাল জার্নির একটা অংশ করে নিতে। দুই মিউজিক্যাল প্ল্যাটফর্মের এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে শ্রোতাদের আরও দারুণ অভিজ্ঞতা দেয়ার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ।


কোকা-কোলা সম্পর্কে বিগত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে পৃথিবীকে চাঙ্গা করা ও সমাজে পরিবর্তন আনার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ। আমাদের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে আছে কোকা-কোলা, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, ফ্যান্টা, কিনলে ওয়াটার, কিনলে সোডা, কোকা-কোলা জিরো, স্প্রাইট জিরো ও ফ্যান্টা অ্যাপল। কোম্পানি-মালিকানাধীন বটলিং প্রতিষ্ঠান কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেড [“সিসিবিবিএল”] এবং দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির [টিসিসিসি] স্বাধীন, অনুমোদিত ফ্র্যাঞ্চাইজি বটলার আবদুল মোনেম লিমিটেড [“এএমএল”] নিয়ে কোকা-কোলা বাংলাদেশ সিস্টেম গঠিত। এই সিস্টেম বর্তমানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যথাক্রমে ৮০০-র বেশি ও ২১,০০০ এর বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে। সারা দেশের মানুষদের জন্য পানি, স্যানিটেশন, হাইজিন ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখা আমাদের লক্ষ্য। আমাদের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম “উইমেন বিজনেস সেন্টার” এর লক্ষ্য নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে ১ লক্ষ নারীর ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। “ওয়ার্ল্ড উইদাউট ওয়েস্ট” গড়ার বৈশ্বিক প্রতিজ্ঞার অংশ হিসেবে গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কোস্টাল ক্লিনআপ প্রকল্পের গর্বিত অংশীদার কোকা-কোলা। এছাড়া, বারিন্দ অঞ্চলে পানির অপচয় রোধে আইডবি¬উইটি প্রকল্পে মিলিতভাবে কাজ করছে দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন [টিসিসিএফ]। টিসিসিএফ-এর সহায়তায় মহামারি চলাকালীন কমিউনিটিকে সাহায্য করছে কোম্পানিটি। যার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫০ লক্ষের বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখা সম্ভব হয়েছে।

২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করার পর গান শোনার অভিজ্ঞতাকেই বদলে দিয়েছে স্পটিফাই। ৮ কোটির বেশি ট্র্যাক আবিষ্কার, ম্যানেজ ও শেয়ার করুন, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অথবা স্পটিফাই প্রিমিয়ামে আপগ্রেড করে উপভোগ করুন উন্নত মানের শব্দ এবং অন-ডিমান্ড, অফলাইন ও বিজ্ঞাপনমুক্ত গান শোনার অভিজ্ঞতাসহ বিশেষ কিছু ফিচার। বর্তমানে ১৮০টির বেশি বাজার জুড়ে, ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ সাবস্ক্রাইবারসহ ৪৫ কোটি ৬০ লক্ষ ব্যবহারকারী নিয়ে স্পটিফাই বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অডিও স্ট্রিমিং সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত