36 C
Dhaka
Tuesday, September 29, 2020
No menu items!
More

    স্বর্গের ঠিকানা জানা আছে? এই পথ ধরে চলে যান…

    স্বর্গ বা নরকের অস্তিত্ব আদৌ রয়েছে কি না- তা জানা নেই কারও। তবে স্বর্গ বা নরক দেখতে কেমন হতে পারে, তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চালিয়ে যায় মানুষ।

    valley
    নরক মানেই ভয়ঙ্কর একটা জায়গা, যেখানে নাকি সমস্ত পাপের বিচার হয়, মৃত্যুর পর খুব কষ্ট করে থাকতে হয়। সেখানে স্বর্গ মানেই সুখের বাড়ি। চারদিক সৌন্দর্যে ভরপুর।
    valley
    নরক দর্শনের ইচ্ছা প্রায় কারও নেই। কিন্তু স্বর্গ ঘুরে দেখার প্রস্তাবে সকলেই রাজি। কিন্তু স্বর্গের ঠিকানা জানা আছে কি? না জানা থাকলে এখানেই জেনে নিন। আপনাদের জন্যই ঠিকানা দেওয়া হল ‘স্বর্গ’র।
    valley
    এই স্বর্গে পৌঁছতে গেলে প্রথমে পৌঁছতে হবে চিনের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে। এই দক্ষিণ-পশ্চিম অংশেই রয়েছে সিচুয়াং প্রদেশ। আর সিচুয়াং প্রদেশই হল স্বর্গের প্রবেশদ্বার।
    valley
    এই স্বর্গ রয়েছে এই পৃথিবীতেই। সিচুয়াং প্রদেশের উত্তর দিকে। তার নাম জিওজাইগো ভ্যালি। অসামান্য প্রাকতিক সৌন্দর্যের জন্য একে পথিবীর স্বর্গও বলা হয়।
    valley
    মন ভোলানো সৌন্দর্যের জন্যই এই ভ্যালিকে পৃথিবীর স্বর্গ বলা হয়। মিন পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এই উপত্যকা ৭২ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। জলপ্রপাত, রংবেরঙের হ্রদ, তুষারাবৃত পর্বত চূড়া… সম্পূর্ণ অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে এই উপত্যকাকে।
    valley
    জিওজাইগো শব্দের অর্থ হল নয় উপত্যকা। এই অঞ্চলে নটা তিব্বতি গ্রাম ছিল। সেই থেকেই এমন নামকরণ হয়েছে উপত্যকার। চিনের অধীনে থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চল সম্পূর্ণরূপে করোনার প্রকোপমুক্ত।
    valley
    ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এই উপত্যকার কথা প্রায় কেউই জানতেন না। ১৯৮২ সালে এই অঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করে চিন সরকার।
    valley
    পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয় ১৯৮৪ সালে। ১৯৯২ সালে ইউনেসকো এটাকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে এবং ১৯৯৭ সালে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ঘোষিত হয়।
    valley
    এই উপত্যকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এতটাই বেশি যে, পর্যটকদের জন্য তা খোলার পর থেকেই যেন ঢল নামতে শুরু করে।
    valley
    প্রতি বছরই পর্যটকদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। যেমন ১৯৮৪ সালে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র পাঁচ হাজার। ১৯৯১ সালে সেটা দাঁড়ায় ওক লক্ষ ৭০ হাজারে। ১৯৯৭ সালে আরও বেড়ে গিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়ায় দুই লক্ষে।
    valley
    যে নয়টা গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছিল এই উপত্যকা, তার মধ্যে ৭টা গ্রামে এখনও বসতি রয়েছে। সব মিলিয়ে মোটামুটি এক হাজার মানুষের বাস এই উপত্যকায়।
    valley
    আগে চাষবাসই ছিল এই সমস্ত মানুষের জীবিকা। তবে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষিত হওয়ায় পর থেকে এই এলাকায় চাষবাস সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হয়ে যায়। পর্যটন শিল্পের উপরই তাঁদের জীবন নির্ভর করে এখন।

    সর্বশেষ

    শিশুদের মাঝে মেহেরপুর জেলা যুবলীগের খাবার বিতরণ ও দোয়া

    ইসমাইল হোসেন, জেলা প্রতিনিধি, মেহেরপুর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা যুবলীগের আয়োজনে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে...

    শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা

    মেহের আমজাদ, মেহেরপুর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে মেহেরপুর...

    শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবল-ভলিবল খেলোয়াড়ও তুলে আনবেন মাশরাফী

    নিউজ ডেস্ক: শুধু ক্রিকেট নয়। দেশের জন্য নড়াইল থেকে জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল ও ভলিবল খেলোয়াড় তুলে আনার পরিকল্পনা মাশরাফীর। এ জন্য নড়াইলের...

    দ্রুতই ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট, অনিশ্চিত বিপিএল

    নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ স্থগিত হওয়ায় দ্রুতই ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তবে ডিপিএল এবং...

    সুপার ওভারে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো বিরাট কোহলিরা

    নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের আবারও দুর্দান্ত একটি ম্যাচ দেখলো ক্রিকেট দুনিয়া। সুপার ওভারে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে আইপিএলে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো বিরাট কোহলির...