36 C
Dhaka
Monday, September 28, 2020
No menu items!
More

    লকডাউনে নদী পেরিয়ে পাত্র-পাত্রীর বিয়ে হল ঠিকই, তবে ফুুলশয্যায় করোনা কাঁটা!

    নিউজ ডেস্ক: লকডাউনের জেরে নদী পেরিয়ে, সীমানা পার করে পাত্র-পাত্রীর বিয়ে হল ঠিকই। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মুখে মাস্ক, হাতে স্যানিটাইজার ঘসে মালাবদল, সিঁদুর দানও হল। কিন্তু ফুলশয্যাতেও লকডাউন। হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হল নববধূকে। তবে প্রশাসনের চোখরাঙানির জন্য নয়, বর বাবাজীবনের সচেতন অভিভাবকদের নির্দেশে। নিয়ম অনুযায়ী, ২৮ ঘন্টার পরিবর্তে আপাতত ১৪ দিন কালরাত্রি পালন করতে হবে নবদম্পতিকে। অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকল রেলশহর চিত্তরঞ্জন ও ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া সদরের বাসিন্দারা।

    পাত্র জামতাড়ার অনিরুদ্ধ। পাত্রী চিত্তরঞ্জনের আরতি। মাস ছয়েক আগে থেকেই বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ ছিল। ঠিক হয়েছিল ৪ বৈশাখ ১৪২৭ ইংরাজি বছরের ১৭ এপ্রিল বিয়ে হবে আসানসোলের কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউন লেগে গেল দেশজুড়ে। তাই বিয়ের পরিকল্পনা শিকেয় তুলে আপাতত পরিস্থিতির উপর নজর রাখছিলেন পাত্রপক্ষ। কিন্তু পাত্রীপক্ষ নাছোড়বান্দা। বাবা-মা হারা আরতির অভিভাবক বলতে দাদু, দিদা ও মামা। দাদু একসময় কাজ করতেন চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানায়। কিন্তু এখন অবসরপ্রাপ্ত। রোজগেরে বলতে মামা। তাও সরকারি চাকরি করেন না। এই পরিস্থিতিতে নাতনির বিয়ে পিছিয়ে যাক চাইছিলেন না দাদু, দিদারা। শেষ পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত লগ্ন মতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত হল। তবে তার জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে দু’পক্ষকেই।

    পাত্র অনিরুদ্ধের মা প্রাক্তন স্কুল শিক্ষিকা। চার দিদিও স্কুলের শিক্ষিকা। তাঁরা কেউ থাকেন ওড়িশায়, কেউ জামশেদপুরে, কেউ ধানবাদে। আত্মীয় স্বজনরা সব আসানসোলে। বিয়েতে কেউই আসতে পারবেন না। বাংলা ও ঝাড়খণ্ডের সীমানায় কড়াকড়ি। এদিকে কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের দরজা বন্ধ লকডাউনে। তাই সিদ্ধান্ত হল জামতাড়ার স্থানীয় মন্দিরে নমো নমো করে ২-৩ জনকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ে হবে।

    কিন্তু পাত্রী চিত্তরঞ্জন থেকে আসবে কী করে? শেষ পর্যন্ত সিধু-কানু ঘাটের অজয় নদী হাঁটা পথে পার করে পাত্রের সহযোগিতায় পাত্রী আরতি ও তাঁর মামা ভোর ৬ টা নাগাদ পৌঁছে যায় নদীর ওপারে। সেখান থেকে গ্রামের রাস্তা ধরে পাত্রপক্ষের গাড়িতে করে সোজা মন্দিরে। বিয়ে হয় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে। হোয়াটসঅ্যাপ এবং জুম অ্যাপের মাধ্যমে বিয়ের সাক্ষীও থাকেন দূরদূরান্তের আত্মীয়রা। কিন্তু বিয়ের পর নববধূর ঠাঁই হল না শ্বশুরবাড়িতে। পাত্রের দিদিরা আলোচনা করে পরামর্শ দিলেন নববধূ ভিনরাজ্যের। সবটাই যখন নিয়ম মেনে হল তখন সরকারের নির্দেশ মেনে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হোক তাঁকে। তবে হোম কোয়ারেন্টাইনে। অনিরুদ্ধদের অন্য একটি ফাঁকা বাড়িতে রাখা হয় নববধূকে। নিয়ম অনুযায়ী, রবিবার ১৯ এপ্রিল ফুলশয্যা হওয়ার কথা ছিল। কার্যত লকডাউন লাগু হল ফুলশয্যায়। তবে পাত্রপক্ষের এই সিদ্ধান্তে খুশি পাড়া প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনরাও।

    সর্বশেষ

    আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহ হত্যা ও যুদ্ধাপরাধসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলায় লড়েছেন মাহবুবে আলম

    নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম চলে গেলেন চিরদিনের জন্য। আইন পেশায়...

    স্পেনের বার্সেলোনা কিংস ক্রিকেট ক্লাবের নতুন জার্সি উমুক্ত ও ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান

    জাকির হোসেন সুমন, ব্যুরো চিফ ইউরোপ: স্পেনের বার্সেলোনায় স্হানীয় মধুর কেন্টিন রেষ্টুরেন্টে কাসা ই কুইনার স্বত্বাধিকারী ও বার্সেলোনা বিজনেস ক্লাবের সভাপতি রাসেল...

    মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি লিংকন মোল্লার শোক

    নিউজ ডেস্ক: ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী লিংকন মোল্লা অ্যার্টনী জেনারেল এড মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে...

    বিমানের ফ্লাইট বাড়াতে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ

    নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াতে সৌদি আরবকে অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ড....

    অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে বিক্রমপুর শোকে মুহ্যমান

    নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমের মৃত্যুর সংবাদ বিক্রমপুর এলাকায় পৌঁছাতে এখানে দল - মত নির্বিশেষে মানুষের আহাজারিতে বলে...