36 C
Dhaka
Sunday, September 27, 2020
No menu items!
More

    আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর দেশের জন্য স্বস্তির: আইনমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, “এটা (ফাঁসি কার্যকর) আমাদের জন্য স্বস্তির; পর্যায়ক্রমে সকল বঙ্গবন্ধুর সকল খুনিদের এনে রায় কার্যকর করা হবে।”

    শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১২ টা ১ মিনিটে মাজেদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ। এরপর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ফাঁসি কার্যকরের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢাকা জেলা প্রশাসক, সিনিয়র জেল সুপার, জেল সুপার, ডেপুটি জেলার, সিভিল সার্জনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “প্রথম কথা হচ্ছে, রায় কার্যকর করা অবশ্যই আমার একটা স্বস্তি আছে। এরা হচ্ছে প্রকৃত খুনি, এদেরকে সমাজে রাখাটাই উচিত না। আমরা যে এটা কার্যকর করতে পেরেছি নিশ্চয় এটা আমাদের জন্য এক বিরাট স্বস্তির ব্যাপার।”

    তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, জনগণের কাছে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেটা রক্ষা করা হয়েছে। আমি আগেও বলেছি, যারা বাইরে আছেন ইনশাআল্লাহ আমরা তাদের সকলকে এ রায় কার্যকর করার স্বার্থে বাংলাদেশ এন এ তাদের রায় কার্যকর করব।”

    এর আগে রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে ফাঁসির প্রস্তুতি দেখতে কারাগারে যান আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা। ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি আগে থেকে নিশ্চিত ছিল। তাই রাত ১০টার পর আব্দুল মাজেদকে তার সেলে গিয়ে তওবা পড়িয়েছেন কারা মসজিদের ইমাম।

    প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ ২৫ বছর ধরে ভারতে পালিয়ে ছিলেন। করোনাভাইরাস আতঙ্কে সেখান থেকে গত ২৬ মার্চ ময়মনসিংহ সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তিনি। দেশে ফেরার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ৬ এপ্রিল মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গত বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এম হেলাল উদ্দিন চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন। ওইদিন বিকালেই সেই মৃত্যু পরোয়ানার ফাইল কারাগারে পৌঁছায়। সন্ধ্যায় মাজেদ কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। রাতেই সেই ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন পাঠানো হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি তার প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিলে সে ফাইল আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কারাগারে পৌঁছানো হয়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্যাপ্টেন মাজেদের স্ত্রী সালেহা বেগমসহ পাঁচ স্বজন শেষবারের মতো তার সঙ্গে দেখা করেন।

    সর্বশেষ

    এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ; এবার ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্কর গ্রেফতার

    নিউজ ডেস্ক: সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি এম. সাইফুর রহমানের পর এবার...

    বিয়ের আগেই হবু বরের সঙ্গে চুটিয়ে সময় কাটাচ্ছেন ফারিয়া

    বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউডের এই সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া মাজহার চুটিয়ে সময় কাটাচ্ছেন হবু বরের সঙ্গে। বিয়ের আগেই বরের মন পেতে বরকে...

    সুশান্তের ফার্মহাউসে আসলেই ৩-৪দিন কাটাতেন সারা

    বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী সারা আলী খান যখনই সুশান্তের সাথে তার প্যানভেলের ফার্মহাউসে আসতেন, সেখানে ৩ থেকে ৪দিন কাটিয়ে তারপর ফিরতেন বলে...

    শুরু হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

    নিউজ ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যে...

    বিশ্বাস ও ভালোবাসা

    রুদ্র অয়ন স্বপন হয়ে আসো তুমিরাত্রি নামে যেই,বাঁচতে চাই আমি তোমারভালোবাসাতেই। তোমার মাঝে রইবো মিশেমন ছুঁয়ে...