36 C
Dhaka
Saturday, October 24, 2020
No menu items!
More

    স্বপ্ন দেখতে দোষ কী?

    সব জল্পনা কল্পনা করে যখনই পথে নামার সময় হলো ঠিক তখনই গোটা পৃথিবীর আকাশ অন্ধকার হয়ে গেলো। আমাদের সামনে ছিলো একটি নতুন ভোরের আলো – সে আলো নিমিষেই হারিয়ে গেলো– নেমে এলো নিকেশ কালো অন্ধকার।

    আমরা বসতে পারিনি– তাইবলে দমবন্ধ আবহাওয়ায় আমরা দমে যাইনি-। আমাদের পেছনে বা সামনে নেই কোন রাজনৈতিক অভিলাষ বা কোন রাজনৈতিক শক্তি।

    নেই কোন কালো অন্ধকারজগতের মানুষ- যাদের লগ্নিকৃত টাকায় চলবে আমাদের স্বপ্ন–। তারপরও আমরা স্বপ্ন দেখি– আকাশ ছোঁয়াা স্বপ্ন-! হতাশ আমরা এ বৈরীপরিস্থিতিতে ও নই। আমরা চেতনায় শানিত মুক্তি যুদ্ধ মুক্ত চিন্তা আর অসাধারণ অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল ভাবমাধুর্য।

    আঁধারের সাগর পারি দিয়ে হয়ত পৃথিবীতে আলো আসবে — মানবসৃষ্ট এ দূর্যোগ হয়তো এই মানুষ ই আজ না হোক কাল আলো আনবে পৃথিবীতে —!

    মানুষের চেয়ে বড় কীছু নাই নাই কীছু মহীয়ান — কাজী নজরুলের কথা আজ বড্ড মনে পরছে। উহানের মানব সৃষ্ট এ গবেষণার ফল আজ বিপর্যয় ঘটিয়ে বিশ্ববাসী কে এক কাতারে জড় করেছে–! বোধহয় অনিবার্য ছিলো এ বিধ্বংসী খেলার–।

    আমরা তো ভুলেই গিয়েছিলাম আমরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। আমরা ধর্ম বর্ন গোত্রের বড়াই করতে করতে আজ এক কানা গলিতে পৌঁছে গিয়েছিলাম। ধর্ম বর্নের মানুষেরা ভুলে যায় মানবিকতার বিশুদ্ধ সুবাতাসের জন্য কোন বাধঁ হয়ে দাঁড়াতে পারে না–!

    পৃথিবীর সকল ধর্মের মধ্যে মানবিকতা থাকলেও আমরা এই উপমহাদেশের সংস্কৃতি এখন একশ্রেণী ধর্মান্ধ উগ্র মানুষের জন্য সভ্য পৃথিবীতে আমরা উপহাসের পাত্র হতে চলেছি–।

    বিপদে ও ঈশ্বরকে নিয়ে তামাশা করিঅলৌকিক শক্তি কে নিয়ে যে যার মতো করে কথা বলি রাজনীতি করি। কেউ গোবরে, কেউ ফুয়ে নিস্তারের স্বপ্ন দেখে। যার বিশ্বাস তার কাছে পবিত্র হয়ে থাক। সেখানে কোন বাধাঁর পাহার দেয়া ঠিক নয়, তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান আর গবেষণা ব্যতিত কোন বিপর্যয় এই সংকট অতিক্রম করা সম্ভব নয়-!

    সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এখন চলার কথা-এ কথা এক শ্রেনী লোক বুঝতে চায় না। হাটবাজার সহ সকল উপাশনালয় এই নিয়ম চালু হলেও সবাই কী তা মেনে চলছি দহনের কাল বেলায়ও আমরা মানবিকতা ভুলে গেছি।

    আমরা দুর্বিনীত কালেও রাজনৈতিক ভাবে ধর্মকে ব্যবহার করছি। একে অন্যের দোষ খুঁজছি। হোক প্রতিযোগিতা নিরন্ন মানুষের জন্য ত্রান সহায়তার। সেখানে রাজনৈতিকদলের মধ্যে কোন প্রতিযোগিতা নেই। মানুষ এখন ঘরবন্দী, নিরন্ন মানুষ তার জীবনের জন্য খাবারের জন্য আর ক’দিন পরেই চিত্কার করে উঠবে।

    সরকার চেষ্টা করছে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবার- সীমিত পরিসরে হলেও বৃহত্তর জাতীয় ও বৈশ্বিক অবস্থায় দেশের ধনাঢ্য পরিবারগুলো ও মাঠে নেমেছে। যে যার মতো করে মাঠে নেমেছে —!

    কেউ গোপনে কেউ ঢোল পিটায়ে তবুও তো মানুষের জন্য মানুষ একথা প্রমান করেছে।আবার অমানবিক অমানুষ ত্রান চোর ও এখন দলে দলে না হলেও ধরা পরছে– সরকারি ত্রান-সাহায্য নিয়েই এসব লংকাকান্ড–!

    পৃথিবীতে একযোগে এমন মহাসংকট নেমে আসেনি এর আগে –, মৃত্যু মিছিল বড় হচ্ছে । বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মুদ্রিত পত্রিকা একে একে –! তথ্য শুন্যতা হলে গুজবের ডাল পালা গজায়–!

    আমরা বড় কোন মিডিয়া হাউজ নই– আমরা ছোট্ট পরিসরে স্বপ্ন দেখতে চেয়েছিলাম — সে স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়াা না হলেও বাত্য জনের ও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কথা বলার জন্যএকটা তীব্র আকাঙ্খা। যেখানে অনিয়ম অসংগতি সেখানেই আমরা আমাদের উপস্থিতি জানান দিতে।

    ঘটনার পেছনের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে, রটনা নয় ঘটনার পেছনের গল্পটা পরিস্কারভাবে উপস্থাপন করার অদম্য উচ্ছাস নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা আছে ।

    গ্রামনগর বার্তা আমাদের সামান্য প্রয়াস হলেও আপনারই হবেন এ পরিবারের স্বজন । আপনারা আমরা মিলেই পৃথিবীর সকল বাংলাভাষার মানুষ হবে আমাদের পরিবারের স্বজন–!

    অদ্ভুত আধার নেমেছে আজ তাই শংকা বাড়ছেই– কখন সূর্য উঠবে — সে আলোর শিখার জন্য আমরা প্রহর গুনছি—।

    আমাদের কোন লেজ নেই তাই লেজ কাটার ভয় ও নেই– যতটা বাঁধ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলো বৈশ্বিক করোনার থাবা।

    তারপরও আমরা এ অন্ধকার সময়ে ঘরে বসে যতটুকু সম্ভব তথ্য আপনার হাতে পৌঁছে দিচ্ছি সীমিত পরিসরে হলেও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে।

    অচলায়তন ভেংগে সচলায়তনের যাত্রা শুরু করার গল্পটা নিঃসন্দেহে আনন্দঘন হোত হয়ত। কারন সাহস শক্তি আর আমাদের উংসাহ দিয়েছিলেন দেশের অগ্রজ শ্রদ্ধা ভাজন জেষ্ঠ সাংবাদিকগন।

    আলো এলে তাদের সবাইকে নিয়ে সকল জেলা- উপজেলা, স্টাফরিপোর্টার সবাই মিলে আলোর উংসব করবো– সে উংসব নিবেদিত হবে পৃথিবীর সকল করোনায় মৃত্যু মিছিলে যোগ দেয়া মানুষদের স্মৃতি স্মরনে।

    আমাদের অভিজ্ঞতার ঝুলি কম এক ঝাকঁ তরুন সংবাদ কর্মী মিলে আমরা উন্নয়ন প্রগতি বৈষম্য দুর্নীতি সংস্কৃতি সাহিত্য এমনকি ভিডিও সংবাদ সহ নতুন প্রজন্মের কাছেএকটা নতুন দিগন্তের দিকে দাঁড় খুলে দিতে চাই।

    সে পর্যন্ত আমাদের, আপনাদের সবার ভালো থাকতেই হবে—। আমাদের চলার পথটা প্রচলিত সংবাদ মাধ্যমের মতো হলেও এর ব্যতিক্রমতা আপনারই দেখে বলবেন–! আপনারই তো প্রধান শক্তি ও সাহসের ভিত্তি। পাঠক হিসেবে আপনারাই তো বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য আমাদের সাথে পথ চলার সাহস জুগিয়েছেন।

    দহনের কালবেলা শেষে যদি আমরা জীবিত থাকি তবে দেখা হবেই – চলার পথে আমাদের সাথে আপনাদের থাকতে হবেই–! সে পর্যন্ত ঘরে থাকুন—- গ্রামনগর বার্তার সাথে থাকুন–! gramnagarbarta. com আপনার হাতের মুঠোয় বিশ্ব কে আমরাই তুলে আনবো। আমাদের বহু পথ চলতে হবে– সে পথ চলার সাথী আপনারাই

    সর্বশেষ

    কোভিড-১৯ টিকা কিনতে বিশ্বব্যাংকের কাছে ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ

    নিউজ ডেস্ক: বিশ্বব্যাংককে টিকা ক্রয়ে জনসংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য নায্যতার সঙ্গে দ্রুত ঋণ মঞ্জুরের আহ্ববান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।...

    শ্রীনগরে মা ইলিশ বহনকারীদের নিরাপদ স্থান বাঘড়ার খেয়াঘাট!

    নজরুল ইসলাম, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মা ইলিশ বহনকারীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে পরিচিতি শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া বাজারের দক্ষিন-পশ্চিম পাশে খেয়াঘাটটি পরিচিতি পেয়েছে। এখানে...

    কলকাতার কাছে নাকাল দিল্লি

    স্পোর্টস ডেস্ক: লক্ষ্য ১৯৫ রানের। এত বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যেভাবে এগোনো দরকার ছিল, শুরু থেকেই তেমনটা পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। বরং...

    দেশে ফিরে গেলেন ডোমিঙ্গো-কুক-গিবসন

    নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা সিরিজ সামনে রেখে শুরু হওয়া ক্যাম্পে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ঢাকা আসেন স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি ছাড়া কোচিং...

    ঢাকেশ্বরীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

    নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর ঢাকেশ্বরী কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে গিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন...